প্রথমেই আরাফাত রহমান ককোর মৃত্যুতে শোক জানাচ্ছি।
বিকালে খবরটি শোনার পরই ভাবছিলাম, আমাদের রাজনীতি এবার হয়তো কিছুটা ভালো দিকে মোড় নিবে। বাসায় এসেই সামু, প্রথম-আলোসহ আরো কিছু 'পত্রিকা ঘেটে আসলাম। অনেকেই বলেছেন এবার খালেদা সন্তান হারানোর কষ্ট বুঝবে, আর নাশকতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসবে।
আমি বরাবরই বিএনপিকে ভালো চোখে দেখেছি, কিন্তু আজ পারলাম না। একজন সহ রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ও দেশের প্রধান মন্ত্রী তার সাথে দেখা করতে গেলেন, অথচ কী হলো?
ভেবেছিলাম এবার হয়তো তারা গলা মিলাবে, দু:খ ভাগ করে নিবে। কিন্তু কিছুই হলো না, আবার মানবতার কাছে রাজনীতি বড় হয়ে গেল। মানবতা আবারও পদদলিত হলো মানবতা।
শেখ হাসিনা দেখা করতে গেছেন, খালেদা-জিয়াকে ইনজেকশন দিয়ে ঘুমিয়ে রেখেছেন ভাল কথা, কিন্তু তাকে ভিতরেও ঢুকতে দিলেন না। তিনি কী নিয়তে গেছেন এটা বড় কথা নয়, তিনি গেছেন এটাই বড়। আর যাই হোক এমন সময়ে রাজনীতি নিয়ে খেলাটা বিএনপির উচিত হয়নি।
খালেদাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে ভাল, তাকে ভিতরে নিয়ে যেতেন। তারপর তিনি অপেক্ষা করবেন না চলে যাবেন তা তিনিই দেখতেন। যেহেতু তিনি ঘুমিয়ে আছেন আর সন্তান হারিয়েছেন তাই এমন স্বীদ্ধান্ত তিনি কখনোই নেন নি। আর একজন মা এমন সময়ে অন্য কিছু ভাবতে পারেন বলে মনে হয় না।
তবে স্বীদ্ধান্ত যারই হোক, বিএনপি শেখ হাসিনাকে নিজ থেকেই ফোন করে আবার আসার অনুরোধ করবে এটাই আশা করছি। যদি তেমন কিছু না হয় তবে বলার কিছু নেই, কিন্তু তা হলে এটাও আশা করব যে হাসিনা সব ভুলে আবার দেখা করতে যাবেন।
আর দেশের সকল রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বকে অনুরোধ করব দয়া করে এমন সময় কোন খারাপ মন্তব্য করবেন না। লাশ আসবে, মুসলমান হিসাবে জানাজায় অংশ নিতে পারেন।
বিএনপির প্রতি অনুরোথ থাকবে এমন সময় লাশ নিয়ে কোন মিছিলে যাবেন না, নিজেদের সকলেই সতর্ক থাকুন যেন কোন ব হির্শক্তি কোন বিশৃঙ্কলা না ঘটাতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



