হুমায়ুন আহমেদের আমি এবং কয়েকটি প্রজাপতি উপন্যাসটি পড়ছিঃ
.
সাইক্রিয়াটিস্টদের সম্পর্কে দুটো তথ্য এখানে উল্লেখ আছেঃ
.
সাইক্রিয়াটিস্টদের কাজ তাদের রোগীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা। কিন্তু তারা মোটেও রোগীর কথা শুনে না। (অবশ্য, মানসিক রোগীরা যে খুব গুছিয়ে কথা বলতে পারে, ব্যাপারটা সেরকম-ও না।)
.
আবার এখানে একজন সাইক্রিয়াটিস্ট বলেছেন... মানসিক রোগ হলে সবার আগে একজন মানুষের যেটা হয়... তার সেন্স অফ হিউমার একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ( আমার মনে হয়, এখনও মানসিক রোগ হয়নি। কারণ, আমার সেন্স অফ হিউমার মোটামুটি ঠিক আছে।)
.
কোনো সাইক্রিয়াটিস্ট যখন শুনে, যে, রোগী হঠাৎ করে ধর্ম কর্মের প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠেছে। সে আনন্দে বগল বাজাতে শুরু করে। কারণ, মানসিক রোগের লক্ষণ এটাই ( মানসিক রোগীরা সাধারণত ধর্মভীরু/আল্লাহভক্ত) হয়)।
.
এছাড়া, হুমায়ুন আহমেদেরই অন্য সব বইতে পড়েছিলাম, বাংলাদেশের সাইক্রিয়াটিস্টরা রোগী পায় না। এদের বেশির ভাগেরই চেম্বার খা খা করে। মাছি মারা ডাক্তার যাকে বলে আরকী। তো, এরা যখন একটা রোগীকে পায়, (মানে টাকা পয়সার দিক দিয়ে স্বচ্ছল রোগীর কথা বলছি), তাকে সারাজীবন নিজের জিম্মায় রেখে দিতে চায়। ডাক্তাররা বলবে যে, এই রোগী ক্রোনিক রোগী। এর রোগ সারবার মতো না। একে সারাটা জীবন "নিবিড়-পর্যবেক্ষণে" রাখতে হবে।
.
এই বালছাল সাইক্রিয়াটিস্ট গুলা আমার জীবন একেবারে অতীষ্ঠ করে দিচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


