পড়াশোনা করার সময় মনোযোগ একটা বিশাল ফ্যাক্ট।
পড়ার সময় যদি কেউ সামনে দিয়ে ঘুরঘুর করে, তাহলে মনোযোগ ছুটে যায়।
উচ্চ শব্দে গান বাজনা চলে, বা, জোরালো শব্দে বিল্ডিং নির্মাণের হাতুড়ির আওয়াজ চলতে তাহলে তো অবশ্যই মনোযোগ দেয়া কঠিন হবে।
.
এছাড়া, আরও ব্যাপার আছে। পড়াশোনার ক্ষেত্রে টানা ২০ মিনিটের অধিক সময় মনোযোগ দেয়া খুবই কঠিন। খুব বেশি হলে টানা ৩০ মিনিট মনোযোগ দেয়া যায়।
তাই, টানা ২০ মিনিট পড়ার পরে ৫-১০ মিনিটের একটা বিশ্রাম নেয়া উচিত।
আর, পড়াশোনার মাঝে মাঝে পানি এবং হালকা খাবার খাওয়া উচিত। কারণ, পড়াশোনা করতে অনেক এনার্জি খরচ হয়। এই পানি আর হালকা খাবারটা তাই খুব দরকার।
.
কিন্তু আমাদের অশিক্ষিত বাপ-মা আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কী করে?
তারা ঘন্টার পর ঘণ্টা একজন ছাত্রকে একটানা টেবিলে বসিয়ে বসিয়ে পড়াশোনা করাতে থাকে।
এরা বুঝে না, এভাবে পড়াশোনা করিয়ে কোনো লাভ নেই।
.
ছাগল টাইপের শিক্ষকেরা মনে করে, যত বেশি সময় ছাত্রদেরকে পড়ানো যাবে, তারা ততই শিক্ষিত হয়ে উঠবে।
তা ছাগল টাইপের শিক্ষকেরা এরকম মনে করতেই পারে!
.
এখানে মনে রাখা দরকার। একটানা পড়াশোনা করিয়ে কোনো লাভ নেই। ২০ মিনিট পরে পরে অবশ্যই বিশ্রাম নিতে হবে। বিশ্রাম নেয়াটাও কাজেরই একটা অংশ।
.
পড়াশোনায় মনোযোগ রাখার ক্ষেত্রে তাই কয়েকটি জিনিস খেলায় রাখতে হবে। সেগুলো হচ্ছেঃ
১) একটানা ২০ মিনিটের বেশি পড়া যাবে না।
২) একটানা ২০ মিনিট পড়ার পরে ৫ মিনিটের বিশ্রাম নিতে হবে।
৩) পড়ার ফাঁকে ফাঁকে পানি এবং হালকা খাবার খেতে হবে।
.
এই সিস্টেম অনুসরণ করে পড়াশোনা করলে সেই পড়া অবশ্যই ইফেক্টিভ হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


