somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চেষ্টার বেনিংটনের শেষ গান - ক্রস অফ

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এই গল্পের শুরু ২০০৭ সালের এক ডিসেম্বর মাসের এক বিকেলে। শীত। গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। সন্ধ্যে আগেই নেমে আসি আসি ভাব। আমার পকেটে নোকিয়ার যে মোবাইল, তাতে এক্সট্রা মেমোরিকার্ড অ্যাড না করলে গোটা তিনেক গানের বেশী রাখা যায় না। তাও ৫ - ৬ মেগাবাইটের মধ্যে হতে হত গানের সাইজ। সেসময় মোবাইল পকেটের প্যান্ট খুব জনপ্রিয়। হাঁটুর কাছাকাছি পকেটে মোবাইলটা রেখে হেডফোনে সারাক্ষণ গান শোনা। এক বন্ধুর কাছ থেকে পেলাম জীবনের প্রথম একটি ইংরেজি গানের ফাইল। সেটি লিনকিন পার্কের জনপ্রিয়তম একটি গান। কোন গানটা - তা আন্দাজ করবার ভার পাঠক, আপনার কাঁধে ছেড়ে দিলাম। কিন্তু এতই মজেছিলাম সে গানে, দিনরাত শুনতাম গানটা। ২০০৭ সালের সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন ঢাকার মতিঝিলে মেগাসিটি বাসে বসা আমি। বাস হুহু করে ছুটছে শীতের কনকনে বাতাসের মধ্য দিয়ে, বৃষ্টির ছাঁট বাসের ঘোলা জানালাকে আরও ঘোলা করে দিচ্ছে। আমি গানটি শুনছি, বাসের জানালায় জমে থাকা জলকনা দিয়ে নকশা করছি, আঁকিবুকি কাটছি জানালার ওপর। সেদিনই পেয়েছিলাম আমার খুব পছন্দের এক বন্ধুর সাথে আমার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর মন দেয়া নেয়ার খবর। আগ্রহ ছিল খুব পছন্দের ঐ বন্ধুর সাথে বন্ধুর চে' আর একটু বেশী কিছু হয়ে ওঠার। বাট ইন দি এন্ড ইট ডাজন্ট ইভেন ম্যাটার। যাই হোক।

একটা জনরা'র মিউজিকের সাথে, একটা ব্যান্ডের সাথে, একজন আর্টিস্টের সাথে আমাদের জীবনের এক একটা বিশেষ স্মৃতি জড়িয়ে গেলে সেই মিউজিক, ব্যান্ড, আর্টিস্ট - ঐ স্মৃতির মতই অমর হয়ে থাকে আমাদের সাবকনশাসে। লিনকিন পার্ক, চেষ্টার বেনিংটন আমার জীবনের প্রথম প্রথম অম্লমধুর অবাখ্যেয় কিছু অনুভূতির সাথে সংশ্লিষ্টতার জন্যেই আমার সাবকনশাসে জড়িয়ে ছিল। ২০০৯ সাল থেকে এম্বারস নামে একটা ব্যান্ডে কিবোর্ডিস্ট হিসেবে কাজ করা শুরু করলাম। আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড ছিল। মেগাডেথ, আয়রন মেইডেন কাভার করতো। আমি এসে যুক্ত হবার পর ইচ্ছে ছিল চিলড্রেন অফ বডম, বা ড্রিম থিয়েটারের গান কাভার করবে। এম্বারস ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট রাফিদ, আর বেজিস্ট অনিক পরবর্তীতে মেটালমেইজে গিয়ে যুক্ত হলে এম্বারস পঙ্গু হয়ে পড়ে। এম্বারসের প্রধান মভি কবির মেটালিয়ান নামে একটা ব্যান্ড গঠন করে, যেখানে তারা মূলত আয়রন মেইডেন কাভার করতো। আয়রন মেইডেনে ব্যাকগ্রাউন্ডে কীবোর্ডে সিন্থেসাইজারের কাজ আছে। কিন্তু অতটুকু নিয়ে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম না। ততদিনে ওয়ারফেইজের কীবোর্ডিস্ট শামস মনসুর গণি ভাইএর কাছে পিয়ানোর লেসন নেয়া শুরু করেছি। ব্যান্ড ছেড়ে দিলাম। ২০১০ সালের শেষ দিকের ঘটনা এসব।

২০০৭ সালে লিন্‌কিন পার্ক থেকে নিয়ে ২০১০ - ১১, এরমধ্যে আমার মিউজিকের টেস্ট বদলে গিয়েছিল অনেক। থ্র্যাশ জনরা সবচে বেশী ভালো লাগতো, আরও স্পেসিফিক্যালি বলতে গেলে স্পিড মেটাল, মেগাডেথের ডেইভ মাস্টেইনের প্লেইং এর উপর যার নামকরণ হয়েছে বলে আমার ধারণা (স্লেয়ারের রিফগুলোও প্রচণ্ড স্পিডি যদিও)। বাসায় কিবোর্ডে কাভার করছি ওয়ারফেইজের অবাক ভালোবাসা, নির্বাসন, যতদূর, তোমাকে'র মত ক্লাসিক গান, বা রিচারড মার্ক্স, বেথফেনের ফিউর এলাইস, চিলড্রেন অফ বডমের বেড অফ রেজরস, বা ড্রিম থিয়েটারের কেভিন মুরের কম্পোজ করা পিয়ানো বেইজড গানগুলো, আর রিকশায় / বাসে বসে সারাদিন মেগাডেথ শোনা।

২০১১ সালে লিস্টে মেগাডেথকে রিপ্লেস করলো ল্যাম্ব অফ গড। আজ প্রায় দশ বছর ধরে আমি ল্যাম্ব অফ গডের রিফের জাদুতে মজে আছি। ক্রিস অ্যাডলার, পৃথিবীর সবচে ট্যালেন্টেড মেটাল ড্রামারদের একজন, ল্যাম্ব অফ গড ছেড়ে গেলো, তবুও ওদের ধার কমেনি প্রায় একদমই। মজার ব্যাপার হচ্ছে ল্যাম্ব অফ গডের প্রথম নাম ছিল বার্ন দা প্রিস্ট। স্যাক্রিলিজিয়াস ব্যান্ড হিসেবেও তাঁদের ধরা হত প্রথম প্রথম। বিভিন্ন ভেনু থেকে তাঁদের পারফর্মেন্স বাতিলও করে দেয়া হয়েছে অ্যামেরিকায় তাঁদের বার্ন দা প্রিস্ট নামের জন্যে। পরবর্তীতে, ব্যান্ডের লাইন আপ বদলালে তারা ১৮০ ডিগ্রী বদলে ব্যান্ডের নাম রাখে ল্যাম্ব অফ গড, জনের গসপালে জিশু খৃষ্টের অপর নাম যা।

যদিও মেগাডেথ, মূলত ডেইভ মাস্টেইনের প্রতি ভালোবাসাও রয়ে গেল একই সঙ্গে। মেগাডেথও ভক্তদের নিরাশ করে নি। ১৯৮৩ সাল থেকে ফাংশান করা ব্যান্ডটি এখনো একটার পর একটা অসাধারণ রিলিজ দিয়ে যাচ্ছে। ওদের শেষ অ্যালবাম ডিস্টোপিয়ার গানগুলো শুনে দেখতে পারেন। ওর পয়জনাস শ্যাডো'স গানটিতে ডেইভের ফ্রিজিয়ান স্কেলে ইনিশিয়াল যে সোলো, তা অনেকাংশেই ডেইভ মানেই 'অল স্পিড, নো ফিলস' - বলে যে স্টেরেওটাইপ ছিল , তা ভেঙ্গে দিয়েছে। নতুন গিটারিস্ট হিসেবে কিকো লুরেরিরোকে অনেকেই বলছে মারটি ফ্রিডম্যানের পর মেগাডেথের সবচে সেরা লিড গিটারিস্ট ইনক্লুশান।

এবার মূল প্রসঙ্গে আসি। ২০১৭ তে হঠাৎ সারা সঙ্গীতবিশ্ব হতভম্ব হয়ে যায় লিনকিন পার্কের ভোকালিস্ট চেষ্টার বেনিংটনের আত্মহত্যার খবরে। আমি নির্বাক হয়ে যাই। লিনকিন পার্কের নাম্ব, ক্রলিং, ব্রেকিং দা হ্যাবিট সহ অনেক গান মানুষকে তাঁদের ডিপ্রেশনের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করেছে। আজও এই সমস্ত গানের ইউটিউব ভিডিওতে গেলে দেখতে পাবেন, প্রতিমাসেই নতুন নতুন মন্তব্য জমা পড়ছে - কীভাবে এসমস্ত গান, তাঁর লিরিক এবং মিউজিক, চেষ্টারের ভয়েস তাঁদের সাহায্য করছে - করেছে বিষণ্ণতার সঙ্গে লড়াইএ। অথচ সেই চেষ্টার নিজেই হেরে গেলেন বিষণ্ণতার সঙ্গে লড়াইএ!

লিনকিন পার্কের প্রথম দুটো অ্যালবামের পর অন্যান্য অ্যালবামগুলো পৃথিবীব্যাপী লিনকিন পার্কের আদি ভক্তদের মতো আমাকেও আর টানে নি। সেই দুটো অ্যালবামে লিনকিন পার্কের সাউন্ড ছিল হেভি। মেটালিক। তারপর তারা ঝুঁকে পড়ে খানিকটা ইলেকট্রো, খানিকটা পপ ধাঁচের মিউজিকে যেই জনরার লিসেনার বিশ্বজুড়ে বর্তমানে বিশাল। ফলে, যখন ল্যাম্ব অফ গড, বা মেগাডেথে, বা স্লিপনটে, বা খানিকটা বুলেট ফর মাই ভ্যালেন্টাইন , গজরা, ব্ল্যাকভেইল ব্রাইডসে, সিস্টেম অফ ডনে আমার মোবাইল ফোনের প্লেলিস্ট বোঝাই হতে থাকলো, কমতে থাকলো লিনকিন পার্কের গান। ততদিনে নতুন ফোন চলে এসেছে। তিনটি গানের বদলে তিনহাজার গান রাখলেও সমস্যা নেই।

২০১৭ সালের পর চেষ্টারকে নিয়ে দ্বিতীয়বার চমকিত হলাম গতকাল। গতকাল রাতে আবিষ্কার করলাম ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে চেষ্টারের মৃত্যুর প্রায় দেড়/ দু' বছর পরে রিলিজ পেয়েছে চেষ্টারের শেষ গান। এটা লিনকিন পার্কের সঙ্গে নয়। এই গানটা করা হয়েছে আমার ফেভারিট ল্যাম্ব অফ গডের লিড গিটারিস্ট মার্ক মর্টনের সোলো অ্যালবাম প্রোজেক্টে। গানটা শুনতে শুনতে জ' ড্রপিং সিচুয়েশন তৈরি হল আমার। গানের রিফগুলো প্রায় ল্যাম্ব অফ গডের রিফের মতই। হেড ব্যাঙ্গারস মাত্রই জানে ল্যাম্ব অফ গডের গানের রিফ কি জিনিস। সঙ্গে চেষ্টারের ভোকালে সেই সিন্থ - সফট পপের ধাঁচ পুরো উধাও! এই ভয়েস সেই চেষ্টারের যার ব্যাপারে বলা হত - হি ক্যান সিং লাইক অ্যান এঞ্জেল, অ্যান্ড স্ক্রিম লাইক এ ডিমন! সেই পুরনো মেটাল ভয়েসে চেষ্টার! মার্ক, চেষ্টার মারা যাওয়ার পর তাঁদের আনরিলিজড এই গানের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়েই ইন্টারভিউতে বলেন - চেষ্টার আজীবন মেটাল ভোকালিস্টই ছিল, তাঁর শেষ গান, ক্রস অফ - তারই প্রমাণ।

গানটির মিউজিক ভিডিওতে চেষ্টারের জায়গায় শূন্য মাইক্রোফোন রাখা হয়েছে, যেখানে গানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাকি সবাই পারফর্ম করছেন ভিডিওতে। চেষ্টারের জায়গায় এই শূন্য মাইক্রোফোন অসংখ্য ফ্যানের মনে নাড়া দিয়ে গেছে। গানের লিরিকও চেষ্টার আর মার্ক - দুজনে মিলে লিখেছেন। গানের লিরিকে বিষণ্ণতায় আক্রান্ত চেষ্টারের আকুতি স্পষ্ট।

অত্যন্ত ইমোশনাল হয়ে আধাঘণ্টায় টাইপ করলাম বলে লেখাটা স্মুথ হল না। কিন্তু যে তথ্যটুকু পাস করবার দরকার ছিল, আশা করি অতটুকু তথ্য দিতে পেরেছি।

গানটির লিঙ্ক (অফিশিয়াল মিউজিক ভিডিও) - ক্রস অফ

গানটির লিরিক ভিডিও - ক্রস অফ লিরিক ভিডিও

ক্রস অফের লিরিক -

Cross off the days gone
Cross off the days gone
Gone by
Wasting away
A self-inflicted slow decay
What should've been, what never was
Became the end for both of us
Heavy is the hand that points the finger (Finger)
Heavy is the heart that's filled with anger (Anger)
So lay them all to waste
Years you decided to erase
And cross off the days
So black out and hide behind the lines
Keep staring down the sun and hope the
Light will finally blind your eyes from seeing
Cross off the days gone by
Cross off the days gone by
Cross off the days gone by
Cutting you free
The phantom limb was part of me
You have lived, you have lost
The separation's worth the cost
Heavy are the words that go unspoken (Spoken)
Heavy are the promises now broken (Broken)
Will you learn to love the…


ছবিসূত্রঃ view this link
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০২১ রাত ১০:৪৯
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×