somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি বোকা ছেলের ভালবাসার ছোট্ট গল্প...

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটি বোকা ছেলে :-B সে অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্র তার বাবা স্কুল শিক্ষক ব্যবসাও ছিল তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বাবার ব্যবসা দেখাশুনা করত। হ্ঠাৎ একদিন এক রোদেলা দুপরে তার দোকানের সামনে কোথা থেকে যেন একটি মেয়ে

এসে নামল অটো রিক্সা থেকে। তার দোকানটি ছিল পুলিশ লাইনের সামনে, তার দোকানের সামনেই ছিল অফিসার্স কোয়াটার। সেখানে পুলিসের এস.পি, ওসিরা থাকতো ভাবলো কোন অফিসার এর মেয়ে হবে বেধায়? ছেলেটি তেমন গুরুত্ব দিলনা পুলিশ বলে কথা কোন ঝামেলায় হবে আবার। কিন্তু ভাল লাগা আর ভালবাসাতো আটকে বেধে রাখার যায় না! প্রথম দর্ষনেই ভাল লেগে গিয়েছে ছেলেটার। ভাল লাগতে লাগতে কোন দিন যে ছেলেটি তার প্রেমে পরে গিয়েছে তা বুঝতেই পরেনি। কিছুদিন পরে জানতে পারল সে এক ট্রেনিং প্রাপ্ত এ.এস.পির বোন, ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে এসছে ছেলেটি মনে মনে ভাবলো এস.পির বোন যদি বলি আমি তোমাকে পছন্দ করি কিংবা ভালবাসি! ভাইয়ের কাছে যদি বলে দেয় তাহলে কি হবে? রক্ষা নাই ঝামেলা হবে। ছেলেটির সাথে প্রতিদিন মেয়েটার দুই তিনবার দেখা হতো তার দোকানের সামনে। তার ভাবীর সাথে বাসা থেকে বেড় হতো। একদিন মেয়েটি তার ভাইয়ের বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় বেড় হলো ছেলেটি তাকে দেখে পিছনে পিছনে চলতে লাগলো, কিছুক্ষন পর মেয়েটি বুঝতে পারলো কেউ তাকে ফলো করছে, মেয়েটি দুরে এক জায়যায় দারিয়ে দেখল ছেলেটি আছে কিনা। মেয়েটি কিছুক্ষন পর বাসায় ফিরে এলো।
ছেলেটির দোকান থেকে তার বাসার বেলকুনি সোজা দেখা যেতো, ছেলেটি প্রতিনিয়ত ঐ দিকে তাকিয়ে থাকত কিন্তু এভাবে তাকিয়ে দেখে তো কোন লাভ নেই। তার মনের কথা মেয়েটির কাছে পৌছাতে হবে। কিভাবে পৌছাবে ছেলেটি?
ছেলেটি তাহসানের অনেক ফ্যান ছিল নাটকে দেখেছে ভালবাসার শুরুহয় মিষ্টি কিছু দিয়ে তাই 'ডেইরী মিল্ক' দিবে ভেবেছে। কিন্তু পুলিশের কোয়াটার গার্ড থাকে সব সময় কিভাবে দিবে?
এক রাতে চোরের মতো দেয়াল টপ্কে মেয়েটির বেলকুনিতে গিয়ে ফেলে আসলো ডেইরী মিল্ক। এই ভাবে প্রায় ৫-৭ দিন প্রতিদিন একটা করে ডেইরী মিল্ক দিত..........
কিন্তু কে দেয় এই 'ডেইরী মিল্ক' মেয়েটি কিভাবে যানবে? আর একদিন একটি মোবাইল নাম্বার এর সাথে দিয়ে আসল। ছেলেটি ভাবল প্রতিদিন দেই মেয়েটির যদি ভাল না লাগতো সে কোন এ্যাকশন নিতো তার ভাইয়ের কাছে বলে দিত!

কিন্তু মেয়েটি বলেনি কারো কাছে।

একদিন ছেলেটি ভাবলো প্রথমেই ভালবাসার কথা বলা যাবে না, বন্ধুত্বের কথা বলতে হবে। ছেলেটি এটি বড় কাগজে বড় করে লিখলো তাকে দেখানোর জন্য can we be friend ?
কিন্তু ভয় ভয় মনে বললে কি না কি হয়...
এই ভাবে বলা না বলার মধ্য দিয়ে ১৫-২০ দিন কেটে গেল আর বলতে পারলা না। হঠ্যাৎ একদিন মেয়েটি দুপর ৩ টার দিকে বাড়ীতে চলে যাবে সেই উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়েছে লাকিজ ব্যাগ নিয়ে। ছেলেটির দেখে কষ্টে বুক ফেটে যেতে লাগল। সে সিদ্ধান্ত নিল আজই বলতে হবে য ভাবেই হোক যে করেই হোক! মেয়েটি বাসার সামনে থেকে একটি অটো গাড়ীতে করে বাস এ উঠার উদ্দেশে রওনা হলে, ছেলেটি তার পিছন পিছন চলতে লাগল। বাস স্টান্ডে গিয়ে নামল দেখে তার সাথে এক পুলিশ কনস্টবল তার ভাইয়ের বাসার গার্ড তাকে গাড়িতে উঠিয়ে দিতে এসেছে। মেয়েটি টিকিট কেটে বাসে উঠে বসেছে। বাসের সামনের দরজার বাম দিকে exta সিট থাকে তার প্রথম সিটে বসেছে। ছেলেটি বাসের টিকেট কেটে উঠলো বাস এ! মেয়েটি ও তাকে দেখলো কিন্তু কিছুই বলেনি। বাস ছাড়ার কিছু সময় পরে ছেলেটি পিছন থেকে এসে বাসের ইঞ্জিন কভার এর উপরে মেয়েটির সামনে এসে বসে তাকে বলতে লাগল আপনি কি আমার ডেইরী মিল্ক পাইতেন? মেয়েটি উত্তর দেয় আপনি দিতেন আমাকে ডেইরী মিল্ক ! ছেলেটি বলল‌ ‌‌'হ্যা' আমিই দিতাম। মেয়েটির সাথে কিছু সময় কথা বলার পরে মেয়েটি রাগন্নিত হয়ে বলে বাস থামান আমি নেমে যাব! তার পর ছেলেটি কিছু না বলেই বসে থাকে তার সামনে কিছু সময় পরে সামনের এক বাস স্টান্ডে নেমে যায়!!


কিন্তু সেই দিনের বাস থেকে নেমে যাওয়াটা ছিল ছেলেটির জন্য ভুল।
কারন মেয়েদের একটাই সমস্য মুক ফাটে তো বুক ফাটে না,, ছেলেটির ধৈজ্য ধরা উচিত ছিল.. সব কিছু এতো সহযেই পাওয়া যায় না।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ২:৫২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×