
জীর্ণ শীর্ণ বৃদ্ধের লাঠির মত ল্যামপোস্ট দিয়ে সাজানো
এ শহরে কিছু বাতি ছিল।
মাঝরাতে আমার অস্থিরতা ভেঙে দিয়ে আসে সব
ঘুনো পোকাদের তীর্থস্থান।
এরপর পাহারাদার আর কুকুরের হাঁকডাক-
এরাও থেমে যায়- ম্রিয়মান খুঁটির ডগার আলোর মত।
আমি কৃষ্ণচূড়াদের ডাকি,
সারা পথ জুড়ে তারা পাপড়ি মেলে।
পরিপাটি হয়ে আমি একলা হাঁটি।
কোথাও কেউ নেই- একজন কবিও না।

পাতাদের ঘুম শেষ, ঝিঁ ঝিঁ রাও জলে ঝাঁপ দিয়েছে
সাথে জোনাকীরাও।
মৎস্য পাড়ায় ব্যস্ত কোলাহল।
নদীর ঘাটে আমি একা, একটা খেয়াও নেই।
ভাঙনের ডাঙ্গায় জলের গান গায়
হাহাকার ফেরি করা বালিকাটি।
আমি মাটিতে কান পেতে রই,
ধীরলয়ে ফেরিওয়ালা বালিকা চলে যায়
হাহাকারের ডালা ফেলে, বলে যায় আমি গোলাপ আনতে গেলাম।
আমি ঢেউ গুনি, গোলাপের জন্য।
রক্ত জবারা এসে ভীড় করে জলের ঘাটে।
বালিকা ফেরে না, দু চোখে নীল অপরাজিতার ভেলা
কখন যে ভাসিয়ে দিল- সন্ধ্যা সে কথা জানালো না।
ভোর আসে মোহ ভাঙে না, মায়াজাল ও ছিঁড়ে না
নীরবতা কখনো ভাঙে না,
শুধু শব্দরা এসে জড়ো হয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




