পছন্ড আবেগ নিয়ে লিখতে বসলাম, কারণ এমন একটি আন্দোলন আমরা করেছিলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বেতন ভাতা বৃদ্ধি কমানোর আন্দোলন,
.
আমি বায়ান্ন, ৬৬, ঊনসত্তর কিংবা একাত্তর দেখি নি কিন্তু বেতন ভাতা কমানোর জন্য একটি আন্দোলন দেখেছি! তারুণ্যের উচ্ছ্বাস, উদ্যমতা, শৃঙ্খলা কিভাবে একটি আন্দোলন শিল্পে পরিণত হয়ে সফল হয় তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে,
.
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে, অসম্ভব সুন্দর শৃঙ্খলিত আন্দোলন, ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন অথবা পিঠে লেখা ডায়লগগুলো পড়তেছিলাম,
- আমার বাবা ATM BOOTH নয়
-টাকা কি গাছে ধরে?
-no vat on education
-শিক্ষা কি পণ্য, ভ্যাট কি জন্য?
-দেহ পাবি, মন পাবি মাগার VAT পাবি না
-পিঠে লেখা, শিক্ষা মুক্তি
-ভ্যাট দিব না, গুলি কর!
.
দেশের শিক্ষার হার তিনশতাংশ কমে ৬১ শতাংশ হয়ে গেছে, ভাবতে অবাক লাগে এখনো ৩৯ শতাংশ মানুষ পড়তেই পারে না!
.
অর্থনীতির একজন ছাত্র হিসেবে বলতে পারি, কল্যাণ অর্থনীতির মাধ্যমে জানতে পেরেছি, যে কোন দেশ উন্নত হয়ে শিক্ষার হার উন্নতির মাধ্যমে, আগে শিক্ষা পরে উন্নয়ন, আমরা চলছি উল্টো পথে! শামসুর রাহমানের সাথে তাল মিলিয়ে বলতে গেলে বলতে হবে, উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



