
ডাঃ রফিকুল হায়দার লিটন, আমার আপন চাচা ৷ কখনো ভাবিনি এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ফ্রন্ট লাইনের করোনাযোদ্ধা হয়ে নিজেকে এভাবে বিলিয়ে দিবেন ৷
.
সন্ধ্যার পর থেকে আইসিইউতে ছিলেন ৷ বারবার খবর আসছিলো পালস্ খুব ই দুর্বল ৷ আমার ফ্যামিলির যেকোন মানুষের অসুখ বিসুখ বিপদে আপদে তিনি ছিলেন অভিভাবক ৷
.
খবরটি শুনার পর সবচেয়ে বেশী ভেঙ্গে পড়েছেন বাবা এবং চাচা দাদারা ৷ ডাক্তার আংকেলের বাসাও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার বাসার পাশে ৷ ওনার বড় ভাই বহু বছর আগে মারা যাওয়ার শোক এখনো ভুলতে পারিনি আমরা কেউ ৷
.
ডাক্তার আংকেলের মা আমার দাদী যখন ই বাসায় যায় তখন ই অরুণ চাচার কথা মনে করে আমাদের ধরে কাঁদে ৷ আজ মেঝো ছেলে মারা যাওয়ার এই শোক কিভাবে ভুলবেন সেটাও জানিনা ৷
.
ডাক্তারের ছোট ভাই রশিদুল হায়দার জাবেদ আমার সবচেয়ে প্রিয় চাচা ৷ তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির বর্তমান সভাপতিও ৷ তিন ভাইয়ের মধ্যে এভাবে অগ্রজ দুই ভাই চলে যাওয়ার বেদনা ভোলা সত্যি কঠিন হয়ে যাবে ৷
.
করোনাকালে এক দাদার পর এবার চাচা, জানিনা না কি হচ্ছে এসব ৷ করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে এভাবে আপন চাচা হারিয়ে যাবে তা এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না ৷ যার চলে যায় সে বুঝে হায়! চলে যাওয়ার কি যন্ত্রণা ৷ দোয়া করবেন সবাই ৷ ফ্যামেলি থেকে একজন করোনা যোদ্ধাকে বিদায় দিলাম ৷ এই উছিলায় আল্লাহ চাচাকে বেহশত্ নসিব করুক ৷ আমীন ৷
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



