চায়নার এয়ারপোর্টে মিস হ্যান্ডেলিংয়ের কারণে একজন বাংলাদেশীর ব্যাগের হ্যান্ডেল ভেঙ্গে গিয়েছিলো । তারা সে দায় স্বীকার করে সেই বাঙ্গালীকে একটি নতুন ব্যাগ দিয়ে দেয় । এবং বলেছে সে তার ব্যাগটিও সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবে নতুনটিসহ ।
এটা চায়নার এয়ারপোর্ট আইন । ভদ্রলোক সঙ্গে সঙ্গে সেটি ভিডিও ব্লগ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ।
আমাদের দেশের এয়ারপোর্টে এমনভাবে ব্যাগ হ্যান্ডেলিং করা হয় তার ভিতরে ক্রিকেট বল থাকলে সেই বলের পেটে যে বাচ্চা কাঠের বল থাকে সেটি সহ নড়ে যায় ।
সাফজয়ী দুই ফুটবলার কৃষ্ণা রানী সরকার ও শামুসন্নাহারের লাগেজ থেকে ডলার, কাপড়চোপড় ও অন্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠার পর চ্যানেল আই একটি নিউজ করেছিলো, ‘প্রতিনিয়ত দেশের বিমানবন্দরে দৃশ্যমান হয়রানির শিকার হন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ভ্রমণে যাতায়াতে কন্ট্রাক্ট, মালামাল চুরি, লাগেজ কাটা ও ট্রলি সংকটের মতো ঘটনার মুখোমুখি হন তারা। অনেকের কাছে তাই বিমানবন্দর মানেই আতঙ্কের নাম। এসব নিয়ে বহু আলোচনা-সমালোচনা হয় সবসময়ই। গুরুতর কিছু হলে তদন্ত কমিটি বা ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস আসে মাত্র!’
.
যদিও বিমানে লাগেজ হারানো বা বিনষ্ট হলে কেজি প্রতি প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার টাকারও বেশী ক্ষতিপূরণ মর্মে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিলো মন্ত্রিসভা ।
.
বেপারটা এমন যদিও । এয়ারপোর্টে চেক-ইন করার সময় এক যাত্রী বলল, আমার দুটি ব্যাগের একটি পাঠান ভারতে, অন্যটি নেপালে।কর্মকর্তা জানালো, ‘তা তো সম্ভব নয়!’ তখন যাত্রী বললো, ‘সম্ভব নয় মানে? গতবারই তো আপনারা সেটা করতে পেরেছিলেন!’

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




