তিনি দৃঢ় সংকল্প করেন নাতিকে আগলে রাখবেন। ঘটে যা কুদরতের ফয়সালা থাকে। কুদরত সবার জ্ঞানের উর্ধ্বে। শিশু নবীর ওপর দাদার ছায়াও দীর্ঘ হল না। দাদাকে হারিয়ে যেন আরব দুলাল শোকে মূক। যিনি ধরার জন্য শান্তির দূত, তাঁকে অনেক কড়াই উতরে যেতে হবে। এটাই পরাক্রমশালির ইচ্ছা।
দাদা হারানোর ব্যথা লাঘব করতে এগিয়ে এলেন প্রিয় চাচা আবু তালিব। চাচার আশ্রয়ে ভালো যাচ্ছিলো কিশোর নবীর। ব্যবসাও শিখছেন তাঁর সাথে। যৌবনে পদার্পণ করতে করতে তাঁর জোশ-খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে সারা মরু আরবে। তাঁর পুত-পবিত্র চরিত্র মাধুরি, আর বিশ্বস্ততায় আরবে তিনি অদ্বিতীয়।
ধনবতী খাদিজাও শুনলেন এমন মানবের কথা। তাঁর সাথে ব্যবসায়ী চুক্তি করলেন। তাঁর অনুপম ব্যবহার আর ব্যবসায়ী দূরদৃষ্টি তাঁকে রীতিমতো আকৃষ্ট করল। এখন আর বাণিজ্যে নয় তাঁকে চান সারা জীবনের জন্য। মুখ খুলে বলতে যত সংশয়। দুদ্যোল্যমনায় আছেন কি বলবেন মুহাম্মাদ? তাঁর ভালোবাসা আবেগ-অনুভূতি বুঝবেন তিনি?
সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দূরে ঠেলে একদিন পৌঁছে দিলেন মুহাম্মাদের কাছে তাঁর মনের আকুতি। তিনিও সাড়া দিলেন তাঁর ডাকে। চাচা আবু তালিবের উপস্থিতিতে শুভ বিবাহ সুসম্পন্ন হল। ধনাঢ্য খাদিজার আর কিছু চাইনা। যত সম্পদ সব স্বামীর খেদমতে। মন-প্রাণ উজাড় করে ভালোবাসতেন স্বামীকে। ধ্যানে মগ্ন মুহাম্মাদ দুনিয়ার মোহে মহিমান্বিত নন।
চলবে...

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১১:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




