তাই ধরুন বিবাহিত ও জনপ্রিয় ব্ল্লগার হিসেবে কৌশিক, রেজওয়ান, কালপুরুষ, এ এস এম মাহবুব মুর্শেদ, শোহেইল মতাহির চৌধুরী যদি ভাবীদেরকেও তাদের মনের কথা প্রকাশ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন তাহলে হয়তো অন্যদের জন্য তা প্রেরণা বা উৎসাহের উপকরণ হতে পারে। বিশেষত: ভুলে ভাবীরা যদি স্বামী চর্চার উপর ব্লগান তার প্রতিক্রিয়াটা খুব বৈপ্লবিক হতে পারে বলে আমার মনে হয়। ব্যাপারটা যদি স্বামীদের সেন্সরশীপের কাঁচিতে না পড়ে তাহলে তো তাদের পোস্টিং-এর হিট স্বামীদেরকেও ছাড়িয়ে যাবে । কিছুক্ষণ আগে সতীর্থ ব্লগার রেজওয়ানের মন্তব্য পড়ে এই নতুন আইডিয়াটা মনে আসল।
আমার ব্যক্তিগত অভিমত হচ্ছে ব্লগিং যদি বিনোদনের জন্য প্রতিষ্ঠিত করা যায়, তাহলে ভাবীদের ব্লগগুলোও যুগপৎভাবে উৎসাহ দিবে বিবাহিত ও অবিবাহিত ব্ল্লগারদের। ব্যক্তিগতভাবে বিবাহিত হলে আমি নিজে নিশ্চিত করবো যে আমার বউ নিয়মিত ব্ল্লগিং করে আর অবিবাহিত হলে বিয়ের পিঁড়িতে সেটা আমার নতুন বউয়ের কাছে দাবী হবে। আশা করি, আমার এই লেখায় অবিবাহিতরা আশার আলো দেখবেন আর বিবাহিত ব্ল্লগাররা ভাবীদেরকে ব্লগানোর সুফল বুঝাতে সক্ষম হবেন(ক্লোজআপহাসি)।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



