ইসলাম শান্তির প্রবক্তা, সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার ধারক। সেই চিরায়ত ইসলামী মূল্যবোধ মুসলিম আচরণ থেকে দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে? ডেনমার্কে প্রকাশিত ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনের প্রতিবাদের যথোপযুক্ত অস্ত্র মুসলমানদের হাতে থাকলেও তা তারা ব্যবহার করতে ব্যর্থ হচ্ছে। লাভবান হচ্ছে দু'টি দল। একটি হচ্ছে মুসলমানদের শএুরা আর অন্যটি হচ্ছে ধমর্ান্ধ ও উগ্র মুসলিম শক্তি। যারা বিশ্বে শান্তি চায় না, সহনশীলতার বিকাশ চায় না, যারা মুসলিম-অমুসলিম দ্বন্ধ জিঁইয়ে রেখে ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক মুনাফা করছে তারা সবসময়ই চায় উন্মাদনার বিস্তৃতি। এতে তারা প্রমাণ করতে পারে মুসলমানদের বিচক্ষণতার অভাবকে, হেয় করতে তাদের শক্তিকে ও সুসংহত করতে পারে দ্বন্ধের রাজত্বকে। তাই প্রশ্ন যারা হানহানি আর রক্তাত্ব প্রতিবাদ ও ঘেরাও'র আন্দোলন করছে তারা কেবল সাহায্য করছে অমুসলিম শক্তিকে।
আমি তো দেখছি না মুসলমানরা একাত্ম হয়ে বলছে, "চলুন বয়কট করি ডেনীশ পণ্য"। কই তারা তো মিছিল করছে না তাদের সরকারকে এর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়ার জন্য? তারা সম্মিলিতভাবে কি উদ্যোগ নিয়েছে যা প্রমাণ করবে তথাকথিত ইউরোপীয় শক্তিগুলোর অসহষ্ণিুতার কথা? আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিবে সারা বিশ্বকে তারা (ডেনীশরা) মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে মুসলমানদের ধমর্ীয় অনুভূতিকে আঘাত করে তাদের সংকীর্ণতার প্রমাণ করেছে। কই সেধরণের কথাতো তথাকথিত ইসলামী আন্দোলনের ধ্বজাধারীদের মধ্যে দেখা যায় না? হায়, এই নিবের্াধ মুসলিমরা একসময় ইংরেজীকে বিসর্জন করে এদেশের মুসলমানদের কয়েক শ' বছর পিছিয়ে দিয়েছিল, নজরুলকে কাফের ঘোষনা করেছিল, সেই উগ্র মুসলিম গোষ্ঠী এখনো শক্তিশালী শুধু মুসলমানদেরকে অপাংক্তেয় করার জন্য।
তাই, বিসর্জন করুন তাদেরকে যারা ইসলামের নামে অসহষ্ণিুতার প্রসার ঘটায়, ঘেরাও করার কথা বলে, জনৈক "অপবাকের" হাল্কা লেখাকে নিয়ে প্রলয় ঘটাতে চায়। এরা সবই নিবের্াধের দল। এরাই ইসলামের নামে সারাজীবন হানাহানি করেছে, মানুষের রগ কেটেছে, নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এরা মুসলমানদের জন্য কলংক বহন করে নিয়ে আসে। এরা অমুসলিম শক্তির চেয়েও আরও অনেক ভয়াবহ ও বিপজ্জনক। এরা শুধুই ফেতনাবাজের অংশ। বাতিল ফেরকার রক্ষক। পরম করুণাময় যাতে আমাদেরকে তওফিক দেন সত্যিকারের ইসলাম বুঝার ও নবী (স

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


