জীবনপদ্ধতির কথা বলেই বিভ্রান্ত করে জামাতীরা। চিলে কান নিল বলে এরা ধর্মের পসরা সাজিয়ে বসে। ধর্ম কি আর কাঁচের গ্লাস যে ভেংগে চুরচুর হয়ে যাবে। ধর্ম কর্ম নিষিদ্ধ করতে কেউ বলেনি। বলেছি খুব স্পস্ট করে, ধর্মভিততিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা। এর সাথে ইসলাম পালনের কোন সম্পর্ক নেই। এর সাথে সত ও ঈমানদার মানুষ হওয়ার কোন বিরোধ নেই। ধর্মের বুলি কপচিয়ে বারবার এদেশের মানুষকে প্রতারিত করা হয়েছে। এধরণের প্রতারণা বন্ধ এখনকার সময়ের দাবী।
ধর্ম নিয়ে কতোটা অপকর্ম হয়েছে তা কি নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার দরকার আছে? ধর্মবোধ যদি নৈতিকতা আর খোদাভীতি শেখায়, ধর্মান্ধতা শেখায় ঘৃণা ও সন্ত্রাস। জামাতীদের রাজনৈতিক ধর্মের ফসলতো আমরা দেখেছি। বারবার এরা জীবনপদ্ধতির বুলি আওড়িয়ে বিভ্রান্ত করেছে সাধারণ মুসলমানদের। জীবনপদ্ধতির সুর আওড়িয়ে রাজনৈতিক ইসলাম প্রবর্তন করে।
জামাত যে একটি ভ্রান্ত দল সেই সম্পর্কে এই উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সর্বসম্মত মত (দেওবন্দের ফতোয়া), "মওদুদী জামাত ও তাদের বই-পুস্তক সাধারণ মানুষদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি করে। ইমামাদের অনুসরণ থেকে মানুষকে সম্পর্কহীন করে ফেলে। আর এটা জনসাধারণের জন্য ধ্বংস ও পথভ্রস্টতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়"। আরেক জন আলেমের স্পস্ট মত ছিল, " আমি যতদূর পর্যন্ত মওলানা মওদুদীর বই-পুস্তক পড়েছি এবং তার ধ্যান ধারণা অনুসন্ধান করেছি, তাতে তাকে পথভ্রস্ট পেয়েছি। আমি দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা তাকে তার ধ্যান ধারণা পরিত্যাগ ও তওবা করার সামর্থ্য দান করুন" (মওদুদীয়াত কি পোসটমরটাম)। তারপরেও ধর্মভিততিক মওদুদীবাদী বিশ্লেষণ চলবে? বোধ হয় না। কারণ, মানুষের সামনে ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ খুলে দিলেই এধরণের অপব্যাখ্যা বন্ধ হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


