গত ফেব্রুয়ারী মাসে একজন মাত্র সৈনিক হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষীরা তিন হিন্দুস্তানী সৈন্যকে হত্যা করে এবং একজনের মাথা কেটে সীমান্তের কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখে ।
আর বাংলাদেশ সীমান্তে কাফিররা যখন তখন বাংলাদেশী সীমান্ত রক্ষী ও সাধারণ নাগরিকদের গুলি করে তাদের বন্দুকের নিশানা প্রাক্টিস করে ।
বিপরীতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ নামের নুপুংসুক বাহিনী দিনের পর দিন সীমান্তে কথিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে চা নাস্তা আর ভূরি ভূজের আয়োজন করে ।
বর্তমানে বাহিনীটি এতটাই নিবীর্য আর অপদার্থে পরিণত হয়েছে যে এদেরকে দেখামাত্র বার্মিজ কুফ্ফাররাও তাদের নিশানা দাগাতে কসুর করেনা ।
হায় আফসুস !
শত্রুরা আমাদের চতুরদিক থেকে ঘিরে ধরেছে আর আমাদের প্রহরীরা রাইফেল আনলোড করে বসে বসে খেলা দেখছে !
তবে একচেটিয়া বিজিবি (বিডিআর) সৈনিকদের দোষ দেয়া ঠিক হবেনা
সাধারণ সৈনিকরা নিঃসন্দেহে দেশ প্রেমিক ও সিংহ শার্দূল । ।
অপরাধ মূলত বিজিবির কমান্ডিংয়ে থাকা নিবীর্য কাপুরুষ, দেশ ও জাতিদ্রোহি সেনা অফিসারগুলোর । ভীরুতা, কাপুরুষতা যাদেরকে অষ্টে পৃষ্টে বেঁধে ফেলেছে ।
এদেরকে সেনা বলা আর একজন প্রকৃত সৈনিককে অপমান করা এক কথা ।
এরা লড়াই করবে কেমনে ? লড়াইয়ের সাহসই বা করবে কি করে ?
অর্থবিত্ত আর প্রবৃত্তির লালসা এদের অন্তর থেকে দেশ প্রেম ও সাহসকে তাড়িয়ে দিয়েছে । ভুলিয়ে দিয়েছে যুদ্ধের কলাকৌশলকে ।
প্রতিটি পতাকা বৈঠক আর বছরওয়ারী শীর্ষ বৈঠক শেষে ভূড়ি ভূজের মধ্যেই এরা পরম তৃপ্তিতে যুদ্ধ বিজয়ের ডেকুর তুলে ।
পেছনে পড়ে থাকে নীরিহ বাংলাদেশীর লাশ ।
ফেলানীর বেশে কাঁটা তারে ঝুলে থাকে প্রিয় বাংলাদেশ ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




