একটা মধুর সমস্যা, আমার অনেক হাছান ভাই (কিংবা হাসান ভাই)। বাসায় দু'জন হাসান ভাই, খালাতো -চাচাতোভাই আর ভাতিজা-ভাগ্নে মিলে মিলে পাঁচ-ছ'জন, বন্ধু আছে তিন চারজন, এমনকি অফিসেও আছে এক দু'জন হাসান । সব হাসানকেই মনে থাকে তাদের ভিন্নতার জন্য।
তেমন একজন হাসান ভাইয়ের কবিতার দৃষ্টিভঙ্গি ভালো লাগলো।...........
ধর্মপ্রচার করতে আসিনি। শুধু বলা। কখনো মলিন পোশাক, কখনো অগ্নিবর্ম। তপ্ত দুপুরে যে পুরুষ গনগনে কাম নিয়ে ঘরে ফিরে শীতলতা ঢেলে দিতে চায়, আর তখন সঙ্গিনী বলে- আমি আগুন ভালোবাসি, কয়লা নয়, তবে কি সেই নারী প্রতারক, তিন স্তনের ডাইনি?
সবকিছুর শেষে কিছু একটা অবশিষ্ট থাকে। এই রেশ/লেশ-ই কবিতা। কোনো ধর্ম নয়, ভালোত্ব মন্দত্বের মানদণ্ড নয়, স্রেফ অস্তিত্ব। কবিতা মানেই অস্তিত্ব। যেখানে শব্দের লক্ষ্যার্থ আর বাচ্যার্থের বাইরে কিছুই অবশিষ্ট থাকে না সেখানে আর যাই থাকুক কবিতা থাকে না।
শব্দরা যখন শব্দের পরিচিত অর্থ ও লেবাস খুলে অন্যবিভায় উদ্ভাসিত তখনই হয়ে ওঠে কবিতা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


