শহরের বুকে রাত গভীর হয়ে নামে, তখন মনে হবে যেন সময়টা স্থির পড়ে আছে ক্ষনিকের জন্যে। নির্মেঘ আকাশে থাকা ওই চাঁদকে মনে হবে যেন নিজের রুপালি জোছনা বিলাতে বিলাতে ক্লান্ত।
ফাঁকা রাজপথের দু মাথায় নুয়ে থাকা সারি সারি ল্যাম্পপোস্টের সোডিয়াম লাইটের পরাবাস্তব আলোর নিচে..... হাঁটতে থাকা কোন এক স্বপ্ন বিলাসীকে স্বপ্নাতুর হতে দেখা যায়। সাথে একরাশ নিকোটিন পোড়া ধোঁয়া, হঠাৎ হঠাৎ পিচঢালা রাস্তা কাঁপানো এক দুটা হ্যাডলাইটের ঝলকানি, হর্ণ..সাঁই সাঁই করে ছোটা এই নাগরিক যন্ত্রযান সঙ্গ দেয় সেই চন্দ্রাহত দুঃখ বিলাসীকে।
হয়ত তখন দূর আকাশে একটা তারা পথ ভুলে খসে পড়ে। হয়ত তখন ওই নির্মেঘ আকাশ কে আরো বিস্তীর্ণ মনে হয়।
কখনও বা হঠাৎ.. মাঝরাতের সোডিয়াম লাইটের মায়া ঝরা আলোর সাথে কলকাতার অঞ্জন দত্ত আর কিছু গান মিলেমিশে একাকার হয়। খুব চমৎকার করে চোখ ভিজিয়ে চলে মনের অজান্তে। আবার কখনও বা শত সহস্র কদম হেঁটে পথচলার শেষ ভাগে, জেগে থাকা কিংবা রাতের ওই দূর আকাশে কারো ভালবাসা নিঃশোষিত করা এক বোনামি তারার জন্য ভেতর টা হাহাকার করে উঠে।
অতিরিক্ত আলো সব "Details"-এর প্রতি আকর্ষণ করে। তবে নিওন আলোতে মানুষ তার মনের কাছাকাছি চলে যায়। ভালবাসার কথা, ভালবাসার মানুষদের কথা সৃতির পাতা থেকে চোখের সামনে চলে আসে। স্পষ্ট আর পরিষ্কার হয়ে যায় মন।
ভালবাসার মানুষের সাথে নিওন আলোতে সোডিয়াম বাতির নিচে ঢাকার রাস্তায় রিকশায় ঘুরে-বেড়ানোর সময় সর্গীয় অনুভব পাওয়া যায়। তখন হাতে হাত রেখে সময়কে থামিয়ে দেয়া যায়। সেই আলোতে ভালবাসার মানুষকে দেখতে মোহনীয় লাগে।
বিশেষ নিবন্ধঃ সোডিয়াম আলোর সাথে ভালবাসার কেমন যেন একটা সম্পর্ক রয়েছে! "Feelings"-গুলোই বদলে যায়। কেউ এখানে ভালবাসা উপভোগ করে, কেউ এখানে হারানো ভালবাসা খুজে ফিরে, কেউ এখানে জীবনের নতুন পথ পায়, কেউ এখানে ঘৃণা-ভালবাসা কমাতে-বাড়াতে আসে। অনেক পাওয়া-না পাওয়ার সাক্ষি এই সোডিয়াম আলো। অনেক ঘটনার সাক্ষি এই সোডিয়াম আলো। এই সোডিয়াম আলো বেঁচে থাক ভালবাসার অন্তরালে। শহরের বুকে রাত গভীর হয়ে নামে, তখন মনে হবে যেন সময়টা স্থির পড়ে আছে ক্ষনিকের জন্যে। নির্মেঘ আকাশে থাকা ওই চাঁদকে মনে হবে যেন নিজের রুপালি জোছনা বিলাতে বিলাতে ক্লান্ত।
ফাঁকা রাজপথের দু মাথায় নুয়ে থাকা সারি সারি ল্যাম্পপোস্টের সোডিয়াম লাইটের পরাবাস্তব আলোর নিচে..... হাঁটতে থাকা কোন এক স্বপ্ন বিলাসীকে স্বপ্নাতুর হতে দেখা যায়। সাথে একরাশ নিকোটিন পোড়া ধোঁয়া, হঠাৎ হঠাৎ পিচঢালা রাস্তা কাঁপানো এক দুটা হ্যাডলাইটের ঝলকানি, হর্ণ..সাঁই সাঁই করে ছোটা এই নাগরিক যন্ত্রযান সঙ্গ দেয় সেই চন্দ্রাহত দুঃখ বিলাসীকে।
হয়ত তখন দূর আকাশে একটা তারা পথ ভুলে খসে পড়ে। হয়ত তখন ওই নির্মেঘ আকাশ কে আরো বিস্তীর্ণ মনে হয়।
কখনও বা হঠাৎ.. মাঝরাতের সোডিয়াম লাইটের মায়া ঝরা আলোর সাথে কলকাতার অঞ্জন দত্ত আর কিছু গান মিলেমিশে একাকার হয়। খুব চমৎকার করে চোখ ভিজিয়ে চলে মনের অজান্তে। আবার কখনও বা শত সহস্র কদম হেঁটে পথচলার শেষ ভাগে, জেগে থাকা কিংবা রাতের ওই দূর আকাশে কারো ভালবাসা নিঃশোষিত করা এক বোনামি তারার জন্য ভেতর টা হাহাকার করে উঠে।
অতিরিক্ত আলো সব "Details"-এর প্রতি আকর্ষণ করে। তবে নিওন আলোতে মানুষ তার মনের কাছাকাছি চলে যায়। ভালবাসার কথা, ভালবাসার মানুষদের কথা সৃতির পাতা থেকে চোখের সামনে চলে আসে। স্পষ্ট আর পরিষ্কার হয়ে যায় মন।
ভালবাসার মানুষের সাথে নিওন আলোতে সোডিয়াম বাতির নিচে ঢাকার রাস্তায় রিকশায় ঘুরে-বেড়ানোর সময় সর্গীয় অনুভব পাওয়া যায়। তখন হাতে হাত রেখে সময়কে থামিয়ে দেয়া যায়। সেই আলোতে ভালবাসার মানুষকে দেখতে মোহনীয় লাগে।
বিশেষ নিবন্ধঃ সোডিয়াম আলোর সাথে ভালবাসার কেমন যেন একটা সম্পর্ক রয়েছে! "Feelings"-গুলোই বদলে যায়। কেউ এখানে ভালবাসা উপভোগ করে, কেউ এখানে হারানো ভালবাসা খুজে ফিরে, কেউ এখানে জীবনের নতুন পথ পায়, কেউ এখানে ঘৃণা-ভালবাসা কমাতে-বাড়াতে আসে। অনেক পাওয়া-না পাওয়ার সাক্ষি এই সোডিয়াম আলো। অনেক ঘটনার সাক্ষি এই সোডিয়াম আলো। এই সোডিয়াম আলো বেঁচে থাক ভালবাসার অন্তরালে।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




