
শেষ আশা
ছয়পেয়োদের বলি দেবার নতুন ধাতব খন্ডটিতে খোদাই করে লেখা, "LAST HOPE:H.sapiens", যেটি কোন এক সময় কোন এক মহাশুন্যযানের অংশ ছিল ।
গিনিপিগ
তুমি সৌভাগ্যবান,কারণ তুমি হচ্ছ প্রথম যার মৃত্যু পারমাণবিক বুলেটে । এখন শুধু দরকার ট্রিগারে একটা আলতো চাপ । তারপর......
স্বাগত
সবাই তাকিয়ে রয়েছে নবজাতকের দিকে,যার জন্ম সহস্র বছর পর,অমর মানবজাতিতে,বসবাসযোগ্য ক্ষুদ্র সেন্টুরাই কলোনিতে,পৃথিবী থেকে ২০ আলোকবর্ষ দূরে ।
পোস্ট লিঙ্কঃ তিনটি ন্যানো সায়েন্স ফিকশন
বিবর্ধক
আমি পালাচ্ছি। ওরা আমার পিছনে। শ্বাপদ জন্তুর মতো ধাওয়া করছে। জানি, ওদের লোভ আমার দেহের উপরে। ওহ, না। ওরা কাছে এসে গিয়েছে। আমাকে প্রায় ধরে ফেলেছে। কেউ বাঁচাও...
.
.
.
.
.
নিক্সন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের আইপিস থেকে চোখ সরিয়ে মনে মনে বলল, যদি জীবাণুগুলোর ভাষা জানতে পারতাম, তবে তাদেরকে ব্যবচ্ছেদ করার সময় কি শুনতে পেতাম?...
পোস্ট লিঙ্কঃ ন্যানো সায়েন্স ফিকশনঃ বিবর্ধক
ডকুমেন্টরি
-“দৃশ্য ১১ কাট ১৪ টেক ৪৩” বলেই ক্লাপারবোর্ডের ক্লাপ স্টিক ঠাশ করে বন্ধ করতেই পরিচালক বলে উঠলেন, অ্যাকশন। একটু পড়েই আবার বললেন, কাট, কাট, কাট।
তারপর খেঁকিয়ে উঠে অভিনেতাকে বললেন, হচ্ছে না। হচ্ছে না। ডকুমেন্টরি তৈরির শেষে এসেও তোমার মাঝে অভিনয় ঠিকভাবে আসছে না। যাদের মত অভিনয় করছ তারা একটা বিলুপ্ত প্রজাতি, ওরা কেউ নেই যে তাদের তোমার সামনে এনে দেখাবো তারা কিভাবে চলাফেরা করতো,খেত। এটা ডকুমেন্টরি, চলচ্চিত্র না। এখানে অভিনয়, অভিনয়ের মতো করলে চলবে না। বুঝেছ।
অভিনেতা কি বুঝল কে জানে, তবে মৃদুভাবে মাথা নাড়িয়ে পরিচালককে বোঝাল যে, সে বুঝেছে।
দিনভর শুটিং এর পর পরিচালক সবাইকে বললেন, যাক, সময়মতই শেষ হল। সবাইকে ধন্যবাদ অংশগ্রহণের জন্য।
তারপর কয়েক মাস পর যখন পরিচালক ডকুমেন্টরিটি সেন্সর বোর্ডে ইমেইল করে পাঠাবেন তখন ফোল্ডারটা নামকরণ করলেন ডকুমেন্টরির নামে,“H.sapiens: THE LOST SPECIES”
ইমেইল করে পরিচালক তার ক্লান্ত ধাতব দেহটাকে আস্তে করে চেয়ারে হেলান দিলেন। মনে মনে বললেন, কপোট্রনিক মস্তিষ্কটার এখন একটু বিশ্রাম প্রয়োজন।
পোস্ট লিঙ্কঃ ন্যানো সায়েন্স ফিকশনঃ ডকুমেন্টরি
এছাড়াও পড়তে পারেন রহস্য থ্রিলার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীঃ সংক্রমণ
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




