somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি চিঠি, কিছুটা অপেক্ষা আর সবটুকুই আমার ভালোবাসা! -তোমায় দিলাম।

১৮ ই জুলাই, ২০১৪ ভোর ৫:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রিয়তমা শুনছো,
ভালোবাসি, খুব ভালোবাসি তোমায়। পরিমাপ করে হয়তো বলতে পারবো না, কতোটা ভালোবাসি তোমায়। ভালোবাসার ট্র্যাজেডি কোন গল্পে আমাকে বেকার বলতে পারো। আমার আর যে কাজ নেই, কিচ্ছু করার নেই।
-তোমাকে ভালোবাসি, বেসে যাই প্রতিদিন নিয়ম করে।

মাঝে মাঝে তোমাকে বিভিন্ন নামে ডাকি। বুঝেছো প্রিয়তমা? অনেকদিন আগে থেকেই তোমাকে ভাবতাম ব্যালেট ড্যান্সার ব্যালেরিনার মতো করে! কতো কি ভেবেছি, কতো ভালোবেসেছি তোমায়! বিশ্বাস করাতে পারবো না। অবুঝ শিশুর মতো ছিল সেই ভাবনাগুলো। ভালবাসতে গিয়ে কতো কেঁদেছি, কতো হেসেছি তোমার কাছে হঠাৎ করে শুনে ফেলা সেই আমার প্রিয় কথাটি। পাগল!

- তারপর শেষ চিঠি লিখেছি, "আর লিখবো না বলে"। সত্যি বলছি আমার ভেতরটা কষ্টে ফেটে যাচ্ছিলো। তোমাকে ব্যালেরিনা ভেবে আমি আর লিখবো না, আর কাঁদবো না নিজের কোন ভুল হিসেবের করা কবিতার খাতায়!

তোমাকে বলেছি একটি নাম দাও, যেই নামে তোমাকে ডাকবো। দিলে তো নাই, উল্টো বলে দিলে ,"আমি পারবো না!" হুমায়ূন আহমেদের একটি কথা তখন খুব অনুভব করতাম- মানুষ নাকি অনেক কষ্টই সহ্য করতে পারে; কিন্তু প্রিয়জনের অবহেলা! সে কি সহ্য করার মতো? মানুষ এ কষ্ট সহ্য করেতে পারেনা। আমি সহ্য করেছি। কাউকে কিচ্ছু বলিনি।

বলতে পারো, আমি এখনও মানসিকভাবে বাচ্চাই রয়ে গেলাম! পার্ল, শুনছো? তোমাকে একটি চিঠি দিলাম। ভাবলাম এ নামটিতেই নতুন করে ভেবে নেবো তোমাকে। নতুন করে ভালবেসেছিলাম সে কয়দিন। ভালোবাসার নাকি রূপ পাল্টায়! আমারও পাল্টে প্রতিদিন। তোমাকে যখন ভাবি, আমি কি নিজের ভেতর ঠিক থাকি? না, কখনোই না। আরও বেশি ভালবাসতে গেলাম। কিন্তু সেই ভালোবাসা তোমার কাছে কেমন অসহ্য লেগেছিল। তাই না?

তুমি তো জানোই ইচ্ছে করলেও আমি তোমাকে ভুলতে বা অন্যকিছু নিয়ে ভাবতে পারি না, এ হয়না। তোমার অবহেলা আমার গা সয়ে যাওয়ার মতোই ছিল সারাজীবন। না, তোমাকে তো কখনও বলিনি, চল না আমরা ওখানে গিয়ে ঘুরে আসি। বলিনি কখনো, তোমার হাতটা একটু ধরতে দেবে? কখনো বলিনি বা ঈশ্বরের কাছে বিচার দেইনি, তিনি তোমার চোখকে কেন আমার কাছে টেনে নিয়ে যায়? আমার তো এটিই চাওয়া, শুধুই আমাকে ভালবাসতে দাও, শুধু এটিই দাও প্লিজ! তোমার দিক থেকে শুধু এ অনুমতির সম্মতিই চেয়েছিলাম সারাজীবন।

ব্যালেরিনা থেকে পার্ল! পার্ল টিকলো না। জানতাম সে টিকবে না। জোর করে কোন কিছুই পৃথিবীতে টেকানো যায় না। তুমি যে আমার কাছে সেই ছোট বেলার খেলার সাথীই রয়ে গেলে। জীবনটা নাকি মাঝে মাঝে গল্পের মতো সুন্দর হয়, হয়তো বা! আমার গল্পে তোমাকে আর নাম দেবো না। কোন নামেই তোমাকে এখন মানিয়ে নিতে পারিনা। আমার গল্পে যদি কখনো তোমার নিজের নামটিই লিখতে পারি, অনেক অনেক বেশী রঙিন হয়ে উঠবে কাগজের পাতাগুলি।

তুমি আসবে বলেই , আকাশ মেঘলা বৃষ্টি এখনো হয়নি
তুমি আসবে বলেই , কৃষ্ণচূড়ার ফুল গুলো ঝরে যায়নি
তুমি আসবে বলেই, সোনালী স্বপ্ন ভীর করে আসে চোখে
তুমি আসবে বলেই, আগামী বলছে দেখতে আসবো তোকে।

- তুমি আসবে বলে, আমি স্বপ্ন দেখে যাই আর একটা করে দিন চলে যায়।

যেভাবেই হোক, আমার হাতের স্পর্শ তুমি পাবেই! অপেক্ষায় থেকো, আর ভালো থেকো।

আজ এখানেই
- তোমার অনভিপ্রেত পাগলটা!




................................................

১৮ জুলাই, ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ
বনশ্রী, ঢাকা

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০১৪ ভোর ৬:১৩
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×