ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মানুষ হচ্ছে বিবর্তন প্রক্রিয়ার একটি ফসল মাত্র। জীবজন্তুর মতো তারও জীবনের তেমন বিশেষ কোনো লক্ষ-উদ্দেশ্য নেই। ব্যাপারটা এক কথায় এমন, “দুনিয়াটা মস্ত বড়, খাও দাও ফুর্তি করো, আগামীকাল বাঁচবে কিনা বলতে পারো”।
এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে অনেকের মনে হতে পারে, ধর্ম মানুষকে জীবন উপভোগ করতে ব্যাঘাত ঘটায়। কাজেই, ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামানোর কোনো প্রয়োজন নেই, ধর্মের পুরো ব্যাপারটিকে পাশ কাটিয়ে যেতে হবে। কেউ যদি নিজেদেরকে “রঙ্গিন দুনিয়া” থেকে গুটিয়ে রাখতে চায় রাখুক, তবে বাকিরা যেভাবে খুশি সেভাবে জীবনযাপন করতে পারবে, ধর্মের সেখানে নাক গলানো চলবে না।
প্রকৃতপক্ষে, এ ধরণের মানসিকতা স্বাধীনতার নামে শৃঙ্খলিত হওয়া। কারণ, এ এমন এক জীবনদর্শন, এখানে মানুষ যা কিছুকে “স্বাধীনভাবে বাছাই” করে নেয়, বাস্তবিকপক্ষে তার গোলামির জিঞ্জিরেই সে নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলে। যে প্রক্রিয়ায় এই বাছাই করার কাজটি সম্পন্ন হয় তা-ই হচ্ছে গণতন্ত্র বা সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন।
সভ্যতার সংকট
ড. বিলাল ফিলিপস
>> Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


