দোষটা তো আমারই আধা ঘন্টা আগে এসে বসে আছি। কেউ এই রোদে, কোনও মেয়ের সাথে দেখা করার প্লান করে বলে মনে হয় না। এক আহাম্মক মেয়ের সাথে দেখা করতে এসেছি! যখন বললাম দুপুরে দেখা কর, তখন তো সে বলতে পারতো যে, দুপুরে ভীষণ রোদ, আমরা বিকালে দেখা করি। কিন্তু না, আমি বলার সাথে সাথেই রাজি।
মেয়েরা চিন্তা ভাবনায় সবসময় ছেলেদের তুলনায় পাঁচ বছর এগিয়ে থাকে। সাইন্স শুধু এটাই শেখাল। আসলে তো ঘোড়ার আন্ডা!
টাইম পাসের জন্য শেষ পর্যন্ত এই দুপুরে ঘেমে একাকার হয়ে, টিএসসিতে রিকশার টুং টাং শব্দে চোখ বন্ধ করে ভেড়া গুনতে লাগলাম। বেশ কিছুক্ষণ পরে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি, আরও পঁচিশ মিনিট বাকি! তার মানে এতক্ষণে মাত্র পাঁচ মিনিট গেল!
অন্য কোনও দিন হলে সময়টা হুট হাট করে চলে যেত। কিন্তু আজ পাঁচ মিনিট যেতেই এতক্ষণ।
লাস্টের দশ মিনিট হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ দশ মিনিট ছিল। অবশ্য সুপ্তি বরাবর তিনটাতেই এসেছে।
তাকে দেখে আমার মনে একটা প্রশ্ন আসল, ও এত সুন্দর কেন? ও এমন সুন্দর না হলেও কি আমি তাকে এতটা ভালোবাসতাম? অবশ্যই ভালোবাসতাম। আমি তো শুধু ওর চেহারা দেখে ওকে ভালোবাসিনি।
আমার দিকে তাকিয়ে সুপ্তি একটা মুচকি হাসি দিয়ে এগিয়ে আসতে লাগল....
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০১৬ রাত ১২:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



