পোকা আর বোকা, বেশ অন্তমিল, কবিদের জন্য ভাল। অধিকাংশ পোকাই ভীষণ কালো চর্মে চরম ধারন উত্তর গুটগুিটি পায়ে কাঠির মত আঁকাবাাঁকা দেহাংশ নিয়ে দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে মহাশূন্যের কোটি কোটি মাইল দূরে । বোকার জামার আস্তিনে উল্কাপিন্ড ফুটো করেনি বরং পোকা কোন এক নাকসিটকানো চেহারা নিয়ে বোকাকে বেকামীর শিক্ষায় দীক্ষীত করেছে। অদুশ্য পোকা েতা অদৃশ্যই যাপিত জীবন মেনে নিয়ে টিকে রহে , দৃশ্যপোকাও অদৃশ্য হয় যখন গনতন্ত্রের পাঠাগুলোর পিঠে ভর দিয়ে তন্ত্রশালায় ঢুকে দূর্বার সেক্্র এর যাপিত জীবন এ কাড়িকাড়ি ছানাপোনায় জন্মনিয়ন্ত্রনের মনুষ্য নিয়ম এর দিকে অঙ্গুলি উঁচিয়ে ভরে দেয়। গনতন্ত্রের চর্চাকেন্দ্রে পোকা ইটিং করে উদর পূর্তি করে রাজ সিংহাসনের মিষ্টি কাষ্ঠ হতে শুরু করে চাপরাশির ভাঙাটুলখানার অ্যালকোহলিয় স্বাদের পঁচা তক্তা। গায়ের চর্মে এসি র কড়কড়ে হাওয়ার চটুল চটুল পরশে কালো রং চরম কালোতে ঝিলিক মারে তখন সে আলোতে প্রজাপ্রান যত প্রাণী চোখে সানগ্লাস পরে মাথা হেট করে আত্মলিঙ্গ আত্ম পোদে ঢোকানোর চেষ্টায় সময় কাটায় বেঁচে থাকার ইতহাসে বৃথা নাম লেথানোর দারুনঅপসাধে। ওদিকে গনতন্ত্র চর্চাকারী মোট ামোটা পেটুক আর আরামখেগো মাগীগুলো পোকার ঝিলিক মারা আলোয় পোকার বসতি চেয়ারে বসে পোকার লেদা খেতে খেতে ভাবুক হয়ে স্বর্গাধিপতি ভেবে নিজেকে এলিয়ে দেয় মিছে তন্ত্রের বেশাতি ব্যবসায়। যখন কাঠের রস কমে যায় শীতে, ক্ষয়ে যায় খাদ্য পোকাগুলোর তখন লেদা ভক্ষন কারী গনতন্ত্র চর্চাজীবীদের দেহে টান অনুভবে খোগলা করে দিয়ে শীতের হাতথেকে বেচে আরামে সেক্্র কর্ম চালাতে থাকে আর তাইতো ভূবনের ভবিষ্যত সে কালো পোকাগুলোর দূর্নিবার সেক্্র কর্মের উপর পুর্ণ নির্ভরতার মাধ্যমে পোকাময় পাকামীর জালে বনদী হয়ে পড়ে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




