![]()
২০০১ সালে বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ র্দূনীতিগ্রস্থ দেশ হিসেবে ঘোষণা করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। এটা ২০০০ সালে ৯১টি দেশের উপর জরিপ চালিয়ে ঐ বছরের জন্য কে কতটুকু র্দূনীতিগ্রস্থ তা গবেষণা করে ২০০১ সালে এর সমন্ধে ফল প্রকাশ করে টিআই;
Bangladesh: The most corrupt country in the world
By Jim Lobe
http://www.atimes.com/ind-pak/CF30Df03.html
এই রিপোর্ট যখন প্রকাশ করা হয় তখনও হাসিনা ক্ষমতায়। এটা তার প্রথম মেয়াদের শেষ সময়। ঐ বছর জুলাইয়ের ১৫ তারিখে লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। আর ১লা অক্টোবর নির্বাচনে জিতে ১০ই আক্টোবর খালেদা জিয়ার বিএনপি জোট পুনরায় ক্ষমতায় আসে। দেখা যাচ্ছে ২০০১ এ মাত্র তিন মাসেরও কম সময় পায় নতুন সরকার। এই রকমই ২০০১, ২০০২, ২০০৩ ও ২০০৪ এর জন্যও যথারীতি র্দূনীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান থাকে বাংলাদেশ। কিন্তু এর জন্য কি খালেদা ও তার বিএনপিকে দায়ী করা কি যুক্তিযুক্ত? ২০০০ ও ২০০১ সাল এর পুরো দায় ভার শেখ হাসিনা ও তার আওয়ামীলীগের। এর আগে ১৯৯৬ সালে নাইজেরিয়া ছিল পৃথিবীর শীর্ষ র্দূনীতিগ্রস্থ দেশ। পাকিস্তান ২য় এবং বাংলাদেশ ৪র্থ স্থানে;
http://www.transparency.org/files/content/tool/1996_CPI_EN.pdf
কিন্তু ২১ বছর পর ১৯৯৬তে ক্ষমতায় এসে তার সমস্ত ক্ষুধা ৪ বছরে মিটায় যার পরিণতি র্দূনীতিতে দেশের শীর্ষ স্থান লাভ করা। এখন তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে বাংলাদেশে কম-বেশী র্দূনীতি থাকবেই। তাই বলে ১৯৯৬-২০০১ যা হইছে সেটা ১৯৭২-৭৫এ সদ্য স্বাধীন দেশে র্দূনীতি, অনিয়মকেই মনে করিয়ে দেয়। আর ধূরন্ধর হাসিনা তার স্বভাব সুলভ অন্যকে অপবাদ দেওয়ার অংশ হিসেবে বিএনপিকে পরবর্তী বছরের জন্যও দায়ী করে। অথচ এটা তারই আমলের ধারাবাহিকতা মাত্র। একটা স্বাভাবিক মানুষকে ক্ষত-বিক্ষত করে তাকে রাতারাতি সুস্থ করে তোলা কি সহজে সম্ভব? নাকি এর জন্য সময় প্রয়োজন? কিন্তু হাসিনা ও তার আলীগ তাদের চিরাচরিত মিথ্যা ও নোংরা রাজনীতি হতে আজও বেড়িয়ে আসতে পারে নাই। আজও হাসিনা ও তার দল খালেদা ও বিএনপিকেই এর জন্য দায়ী করে। অথচ এটা যে চরম মিথ্যা কথা তা টিআই এর ২০০৬ সালের উপর করা রিপোর্টে প্রমাণিত। ২০০৬ সালে টিআই এর রিপোর্টে হাইতি(১৬৩) ছিল বিশ্বের শীর্ষ র্দূনীতিগ্রস্থ দেশ এবং বাংলাদেশের(১৫৬) অবস্থান ৮ম;
http://www.transparency.org/research/cpi/cpi_2006
তাহলে দেখা যাচ্ছে যে বিএনপি ও জোটের ২০০১-০৬ মেয়াদের শেষে দেশে র্দূনীতির ভয়াবহতার মাত্রা হাসিনার প্রথম আমলের চেয়ে অনেকটাই কমে আসে। ৫ বছরে শীর্ষ থেকে ৮ম স্থানে যাওয়া কোন সহজ ব্যাপার নয়। বিএনপির সবচেয়ে বড় দূর্বলতা হইল তার কোন জোরাল মিডিয়া নাই। আর আলীগের বাকপটু ও কথার কারসাজিতে পৃথিবীর চরম মিথ্যা কথাও সত্য হয়ে যায় যার কাছে হিটলারের গোয়েবেলসও ফেল। এই কারণেই বাস্তবতা যাই হৌক হাসিনার অপবাদ ও তার চাটুকারদের কথাই বেশী জোরে শোরে হয়। যাকে বলে খালি কলসি বাজে বেশী! মিথ্যা ও প্রতারণাকে রুখতেই হবে। তাই এখন সময় আসছে সত্যকে ছড়িয়ে দেওয়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



