
আজ থেকে অনেক আগের একটি সত্য ঘটনা বলছি। প্রায় ২০ বছর আগের কথা। আমার এক ভাতিজা দেখতে খুব অমায়িক। যেমন সুন্দর তেমনি সামাজিক। সে তার যৌবনে বিভিন্ন নাটকে নায়কের নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছে শুধু তার দৈহিক সৌন্দর্যের গুণে। নাম বললে অনেকেই চিনবেন। তবে নাম বলছি না এক বিব্রত ঘটনার জন্য।
যাইহোক সে একবার গিয়েছিল কক্সবাজার ভ্রমণে। সেই সময় সবার হাতে হাতে এখনকার মত ক্যামেরা ছিল না। সৈকতে কিছু মানুষ এনালগ ক্যামেরা নিয়ে পর্যাটকদের পিছু পিছু ঘুরত তাঁদের ছবি তুলে কিছু টাকা কামানোর জন্য। খুব ভাল কথা। আগে তো সেই ফুজি ফিল্ম কোডাক ইত্যাদি ফিল্ম এর সাহায্যে ছবি করা হত। ফিল্ম শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্যামেরাম্যান ছবি প্রিন্ট করত না। সারাদিন মানুষের পিছে পিছে ঘুরে মিথ্যা প্রলবন দেখিয়ে বলত আমরা তাড়াতাড়ি ছবি ডেলিভারি দেয়। প্রফেশনাল মানুষ দিয়ে ছবি তুলি ইত্যাদি। আমার ভাতিজা সখ করে কিছু ছবি তোলে তার ভ্রমণ স্মৃতি ধরে রাখার জন্য। যথা সময়ে তো ছবি ডেলিভারি দেয়-ই নাই উল্টা শুনতে হয়েছে ভতসনা।
অনেক অপেক্ষার পরে যে ছবি পেয়েছে তা একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিত। দেখতে খুবই বিশ্রী। সারাদিন তোষামোদি করে বেটা ছবি তুলল কিন্তু ছবি খুব অসুন্দর হয়েছে। ছবিগুলো অসুন্দরের কথা জিজ্ঞেস করাই ক্যামেরাম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বলে শালা শুয়ারের মত চেহারা নিয়ে রাজপুতের মত ছবি চাও!
এই হল বঙ্গ ভ্রমণে অভিজ্ঞতা।
চলবে----
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




