
পশ্চিমা এক ভদ্রলোক এসেছিলেন বাংলাদেশে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করার চিন্তা মাথায় নিয়ে। বিদেশীরা এদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী শুধু যে সস্তা শ্রম তা নয়। এখানে মালের! স্পিরিট মানি ব্যাবসায়িদের জন্য আরেকটি আগ্রহের বিষয়। এই যেমন আপনি কাস্টম ডিউটি ২০ লাখ টাকা পরিশোধ করে দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করছেন কিন্তু আপনার পণ্যের ছাড়পত্র দিচ্ছে না। কিন্তু আপনি ২০ লাখ টাকা খরচ না করে অসৎ কোন কাস্টম অফিসারকে ১০ লাখ টাকা দিবেন, তাতে কাস্টম ডিউটি ক্লিয়ার ছাড়পত্র তো পাবেনই পণ্য আপনারটা সবার আগে খালাস। তা যায় হোক ভদ্রলোক রাতে গেছেন বন্ধুদের সাথে ঢাকার অভিজাত কোন হোটেলের পানশালায় যেখানে নাইট ক্লাবও আছে সাথে বাইজী তো আছেই। যাইহোক শেষ রাত পর্যন্ত শরবত গিলে আর বাইজীর মনরঞ্জনে সময় খুব ভাল কেটেছে। কিন্তু রুমে ফিরে দেখে তার পকেট সব ফাঁকা! না খরচ করে পকেট ফাঁকা হয়নি, পকেট কেটে ফাঁকা করা হয়েছে। পকেটের মধ্যে যে ওয়ালেট ছিল তাতে কিছু টাকা ছিল বটে তবে দরকারি কিছু কাগজ এবং কয়েকটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ছিল। তাই পরের দিন থানায় মামলা করা হয়েছিল। মামলা পর্যন্তই শেষ দীর্ঘ অর্ধ যুগেও কোন সুরাহা হয়নি। তবে ওরা নাছোড় বান্দা নিজ দেশের এম্বাসির মাধ্যমে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করত কিন্তু আজও কিছুই উদ্ধার হয়নি। অপরাধ সংগঠিত হলে ওরা তেমনটা অবাক হয়না কিন্তু যখন দেখে অপরাধের কোন সঠিক তদন্ত এবং সঠিক বিচার হয়না তখন তারা হতবাক হয়। দেশের খ্যাতিমান এক শিল্পপতি তাকে এনেছিলেন এদেশে বিনিয়োগ করাতে কিন্তু এই বাজে অভিজ্ঞতা আর রাস্তার যানজটের কারণে নাকি তিনি এদেশে বিনিয়োগ আর করেন নাই। সুত্র বলে ঘটনা নাকি সত্যই ছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




