somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

Subdeb ghosh
হাজার হাজার ব্লগারের ভীড়ে আমি এক নগন্য ব্লগার।আমি ভালোবাসি কিছু লিখতে তাই বলে আমি লেখক নই।যখন যা দেখি,যা মনে দাগ কাটে তাই লেখার চেস্টা করি।

আতঙ্কের নয়া ব্র্যান্ড 'করোনা'

০১ লা মে, ২০২০ বিকাল ৫:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এত ভীতির পিছনে কাদের লাভ???
কাদের সর্বস্ব হারায়???
কত রোগেই তো আমরা মারা যাই।
মারা যাওয়ার কোনো না কোনো
কারণ অবশ্যই থাকে।
এই ঋতুতে বজ্রঘাতে কম মানুষ মারা যায়???
তাহলে করোনা নিয়ে এতো ভয় কেনো???প্রধানত এর কারণ মিডিয়া।
আর কোনো খবর নেই বর্তমানে।
তাহলে তাদের কাজ কি??
সারাক্ষণ যে যতটুকু পারে ভাষার মাধুরী মিশিয়ে কোভিড ১৯ কে দানবে পরিণত করে।
তার পরে যে খাবারের চরম অভাব দেখা দিবে তার খবর আছে কি???
যে কঠিন দুর্ভিক্ষ আমাদের সামনে আসছে তার দিক নির্দেশনা কি??এখনই ভাবা দরকার।
যেখানে ৯৫% মানুষ করোনা রোগ থেকে বিনা চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায়।
সেখানে কেনো এতো হাহাকার???
কেনো এত সাইরেন বাজে???
রোড খালি জীবানুনাশক স্প্রে করছে বিকট সাইরেন বাজিয়ে।খালি এ্যাম্বুল্যান্স যাচ্ছে
সেও সাইরেন বাজাতে ভুল করে না।
আচ্ছা ঘরে যে সকল বয়স্ক মানুষ থাকে তাদের মানসিক অবস্থা তখন কি হয়, জানে ওরা??বয়স্কদের হার্টবিট বেড়ে যায়।
এমন কি ছোটেরাও মুখের দিকে
তাকিয়ে থাকে অসহায় ভাবে।
এইভাবে যে কারোরই হার্ট ফেইলোর হতে পারে।
পারে না???
আমাদের এতো অস্থিরতা কেনো???
কারণ আমাদের উপর শক্ত বিশ্বাসযোগ্য ছাতা নেই। ছায়াদানকারী বিশাল মনের বটবৃক্ষ নাই। যারা আছেন তারা অযাচিত বাক সর্বস্ব ব্যক্তি। তাদের মাথায় ঘিলু কম।তারা খায় বেশি।
তাই তাদের ভুঁড়ি ঝুলে পড়েছে।
তাদের দিবাঘুমে দিবস যায়।
কখনো হঠাৎ জেগে আবোল-তাবোল কথা বলে। তারাই আবার নেতা!
আমাদের দিকপাল!
তারা অসীম ক্ষমতার ডানায় ভর করে জনগণ থেকে অনেক দূরত্ব বজায় রেখে কেবল উড়াউড়ি করে। মূলত আমাদের অস্পৃশ্য ভাবে। তবে মুখে থাকে মধু।
কারণ তাদের আয়-রুজির
কলকাঠিতো আমরাই।
আর আমরা আবালের দল আসমানের দিকে তাকিয়ে শুধু হাহাকার করি,
আশা করি এই বুঝি অলৌকিক প্রসাদ নেমে এলো। এই নেতাদের নেতাদের রাত্রি
কিভাবে যাপন হয় তা ভালো তারাই জানেন।
দূর থেকে এটুকু বলতে পারি সারাদিনে যা আয়রুজি হলো তার হিসেব কষে কষে
বিনিদ্র ফজর হয়ে যেতে পারে।
তারা জানে না তাদের এই অর্থ
কোনো কাজে দিবে না একদিন।
তবু অবুঝের মতো আরও লাগে,আরও চাই। আমাদের দুর্ভাগ্য লাখো কোটি মানুষের ভবিষ্যত সুন্দর রাখার সংস্থাগুলোর বড় বড়
পদে আছে প্রতিবন্ধির দল।
তারা কোনো দিক নির্দেশনা দিতে পারেন না। তারা সময় মতো কাজ করতে জানেন না। তাদের শুধু শিশুদের মতো খাই খাই স্বভাব।
পায়খানা প্রসাব যা পায় তাই খায়।
যোগ্য লোক আমাদের দায়িত্বে নেই।
তাই সবার ভিতর অবিশ্বাস। জরুরী সময় চিকিৎসা পাবোতো???
এরপর দুবেলা আহার জুটবে তো???
করোনা মহামারী আকার ধারণ করবে সে কয়েক মাস আগেই চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা হুসিয়ারি দিয়েছিলো।
সংশ্লিষ্ট পদে ব্যক্তি কর্ণপাত করে নি।
কিভাবে করবে ওরা মেরুদণ্ডহীণ চাটার দল। ব্যক্তিত্বহীন নতজানু পাতি নেতা বা আমলা।
এরা নিজেরা অবৈধ আয়ের উপর চরে তাই সাহসহীন। তাই উপরওয়ালাদের শুধু চাটে।
আর অধিন্যস্তদের অন্যায্য চাপের মধ্যে রাখে। এমন অথর্ব সব জায়গায়ই আছে।
এবার তাইতো দেখলাম,বেশি কিছু সমৃদ্ধ দেশের আবাল নেতাগণ আমাদের কর্ণপাত করে নি। ভেবেছিলো তারা করোনার চেয়ে বেশি শক্তিধর, ফলে যা দাঁড়াবার তা-ই হলো।
বেশির ভাগ করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী ভালো হয়ে যায় চিকিৎসা ছাড়া।
খুব কম পার্সেন্ট রোগী ক্রিটিকাল পর্যায়ে যায়। তবে এতো হৈ চৈ হুলুস্থুল
কাণ্ডকারখানা কেনো????
এর পিছনে কি রহস্য???
কোনো পরাশক্তি এর বিনিময়ে বিশাল কোনো বেনিফিট নিচ্ছে কি???
তাদের জিডিপি আরও বাড়াচ্ছে কি???
এদিকে আমাদের ছিঁচকে চোরদেরতো অসময়ে ঈদ লেগে গেছে তাতো দেখতে পাচ্ছি।
এরপর যে বড় বড় প্রণোদনা ঘোষণা করা হচ্ছে সময় মতো তার বেশির ভাগ যে ওই ভুঁড়িওয়লাদের পেটেই যাবে তাতো আমি সম্পূর্ণ নিশ্চিত। অনেকেই আমার মতো এই ব্যাপারে নিশ্চিন্তে আছেন।শালার গাঁয়ে আগুন লাগে। লাখো কোটি মানুষের জীবন অন্ধকার হয়। দুর্বিসহ হয়। নির্মম দুর্ভিক্ষে মানুষ মরে।
মুষ্টিমেয় কিছু লোক সেই দাবানলে মিষ্টিআলু পোড়া দিয়ে খায়! ভুঁড়ি বাড়ায়!
করোনা নিয়ে আমি প্রথম থেকেই অত শংকিত নই। তার একটি বড় কারণ আমি নিজে বহু বছর ধরে তার চেয়ে বেশি কষ্টকর জীবন-যাপন করছি। বলতে গেলে আমি ভালোবাসার সাগরে থেকে তৃষ্ণার্ত থেকে গেলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন।
তাই আমার ভয়-ডর নেই।
তবে ভয় পাই প্রিয়জনদের নিয়ে।
তাদের কিছু হলে কি করবো সে কথা ভেবে। কোথায় যাবে সে দুর্ভাবনায়???
সবার মনোবল এক নয়।
আমি কঠিন মনোবলের মানুষ।
একটি জায়গায় আমি বড় দুর্বল আমি মানুষের কাছে ছোটো হতে পারি না।
এ যাতনার বিষে আমার জীবন গেলো। অনেককেই দেখছি ঘরের মধ্যে ভীষণ অস্থিরতার মধ্যে ভুগছে।
এর পিছনে দায় রাষ্ট্রের সঠিক তথ্য না বলা।
বা তাদের নিজেদের না জানা।
করোনা খুব বেশি লাফালাফি করতে পারবে না,
হয়তো থাকবে দীর্ঘদিন।
আমার হিসেবে তাই বলে।
এর জন্য ভয় পাবার কিছু নেই।
আমরা পূর্ব থেকেই এই বৈরী পরিবেশে থেকে থেকে আমাদের ইমিউন ক্ষমতা
অনেক শক্ত করে রেখেছি।
করোনা আমাদের তত বেশি কাবু করতে পারবে না।আমরা আরও শক্তিশালী থাকতাম। আমাদের মাটি, আবহাওয়া সবই অনুকূলে।
তবে ওই লোভীর দল আমাদের মানসিক ভাবে কাবু করে রাখে নানা ভাবে।
তারা এই কাজ ইচ্ছে করেই করে।
তাদের অতিরিক্ত ভোগবিলাসিতার জীবন-যাপনের রসদ জোগানোর প্রক্রিয়ায়।
পরিশেষে বলি সত্যি ভয় পাওয়ার
তেমন কিছু নেই।
তবে সাবধান থাকতে হবে।
এ সময়ে ইমিউন ক্ষমতা কমে যেনো না যায়। কমে যেতে বড় ভূমিকা রাখে দুঃশ্চিন্তা।
বাদ দিন দুশ্চিন্তাগুলো।নিজেই বের করুন কিভাবে আপনি দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে পারেন। ঘন ঘন পানি খান। লেবু চা খান।
জ্বর কাশির সামান্য উপসর্গ দেখা
দিলে তার ব্যবস্থা নিন। খেয়াল রাখবেন
দেরি যেনো না হয়ে যায়।
গরমের এই সময়টায় মনে করে দেখুন আমাদের ঘরে ঘরে প্রতি বছর কারোর না কারোর জ্বর সর্দি লাগে। তখন এন্টিবায়োটিক
পর্যন্ত খেতে হয়!
আমি এখন এই চায়ের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছি।
আক্রান্ত রোগীরা মেন্থল, ভিক্স, নিক্স মেশানো গরম জলের ভাপ নিতে পারেন।
তাতে করে শ্বাস কষ্ট কমে যাবে।
এটা পরিক্ষিত। গার্গেল করুন বার বার
সহনীয় গরম লবন পানিতে।
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি খান।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
বদ অভ্যাসগুলো ছেড়ে দিন।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন।
সবার উপর ভালো চিন্তা করুন।
অন্যের উপকারে আসুন।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০২০ বিকাল ৫:২৩
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাদা নীল জার্সি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪২


গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×