কে দেখাবেন দিশা?
২৩ শে জুন, ২০২০ রাত ১১:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
কখনো কখনো ভিতর থেকে
কথা বের হতে চায় না,
কলম হাতে স্থির হয়ে
আটকে থাকে।
যেনো লেখা এগুতেই চায় না।
জীবন কিন্তু থমকে গেলেও
চলতে থাকে।
কারন সময় তাকে
এগিয়ে নিয়ে যায়,
অস্থিরতাকে দূরে ঠেলে দিয়ে
স্থিরতাকে বন্ধু বানাতে হবে।
জটিল কাজকে সহজ করার
রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে।
যদিও এদেশের প্রেক্ষাপটে
এমন ভাবাটাও একটা
বড় চ্যালেঞ্জ! কিন্তু,
উপায় তো নেই,
কে কাকে দেখাবে দিশা?
দায়িত্ব যাদের হাতে,
তারা তো নিজেদের নিয়েই মত্ত।
অভিভাবকের আসনগুলো
আজ লজ্জ্বিত।
যোগ্যতার চেয়ে প্রাপ্তি বেশি হলে, মনুষ্যত্ব হয়ে উঠে বিকারগ্রস্ত।
দেশ,জনবল,জনসচেতনতা ধীরে ধীরে দূর্বল হতে থাকে।
যার ফলাফল আজ আমরা
ভোগ করছি।
তাই,এই কঠিন সময়েও সহজ
ভাবে বেঁচে থাকার পথ
আমাদেরই খুঁজে নিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০২০ রাত ১১:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫

ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩

একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪

শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।...
...বাকিটুকু পড়ুন
সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও...
...বাকিটুকু পড়ুন
১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর...
...বাকিটুকু পড়ুন