somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

Subdeb ghosh
হাজার হাজার ব্লগারের ভীড়ে আমি এক নগন্য ব্লগার।আমি ভালোবাসি কিছু লিখতে তাই বলে আমি লেখক নই।যখন যা দেখি,যা মনে দাগ কাটে তাই লেখার চেস্টা করি।

বিরূপ প্রকৃতি!

২৩ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অসহ্য গরম। রাতেও ঘর থেকে বের হলে শরীর পুড়ে যায়।শরীর জ্বলে যাচ্ছে।বাতাসটাও কেমন যেনো ভয়াবহ গরম।
পুরো শহর যেনো একটি সচল ওভেন হয়ে দাড়িয়েছে,
শৈশবের কথা মনে পড়ছে ভিষন।
গ্রামে এমন গরম দেখি নি ভর চৈত্র-বৈশাখেও।
দপ্তর দীঘি স্কুলের ভুতুড়ে আম গাছটির নিচে শুয়ে বসে সময় কাটিয়েছি অলস উদাস দুপুর।
আম পাতার চড়কি বানিয়ে বাতাসে ঘুড়িয়েছি।
দখিনা বাতাস প্রচণ্ড বেগে সব যেনো উড়ায়ে নিয়ে যেতে চায়। কি শীতল ছিলো আগত বাতাস।
যখন তখন কাঁচা আমের ভর্তার অমৃত স্বাদ নেই।
কখনও ঝিনুক দিয়ে পাতলা করে কেটে লবন আর পোড়া মরিচ ঘষে খেয়ে ফেলি। থোকা থোকা কালো জাম মসজিদের বড় গাছটায় দেখা যায়। তার সুখও কম নয়। মাঝে মাঝে সঙ্গীর খুঁজে মায়া ভরা ঘুঘুর ডাক।
ঝিঁঝিঁ পোকার বিরামহীন ক্লান্তিহীন কোন অজানায় বসে রহস্যময় ডাকতে থাকা। প্রেয়সীকে আকৃষ্ট করতে কোকিলের মিষ্টি সুর বুকের কোথায় জানি প্রেম জাগায়। সব মিলিয়ে গরমকালও যেনো অন্যরকম
উপভোগ্য ছিলো।
সেই দিন কি আর ফিরে আসবে না?
সেই সুখ কি কখনও আর পাবো না?
প্রতি বছরই যেনো গরম বাড়ছে। পুকুর কমছে।
গাছ কমছে। কংক্রিটের রাস্তা প্রশস্ত হচ্ছে। দালান কোঠা পাল্লা ধরে বেড়ে চলেছে। কিন্তু প্রকৃতির উন্নতি সাধন কই? একদিন সব যাবে। সব উন্নতি দগ্ধ হবে। কাতারে কাতারে মানুষ হারিয়ে যাবে। বৈরী পরিবেশ কখনও বলে কয়ে আসে না। কখনও একচুলও ছাড় দেয় না।
ঠিক সময় মত কড়ায় গণ্ডায় সমস্ত সুদসহ হিসেব বুঝে নেয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:৪৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বুনো মহিষের পাল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:২৯



ঘনিয়ে এসেছে প্রস্থানকাল; অনেককিছুর মতো আমিও
হারিয়ে যাবো কালের গর্ভে বা কৃষ্ণচুড়ার লালে লালে।
মূলত হারিয়ে যাওয়ার জন্যই আবির্ভূত হয়ে,
মাঝখানে সবার সাথে খেলে গেলাম বনভোজন বনভোজন।

অনেকদিন ধরেই মগজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×