somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বাধীনতা

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

স্বাধীনতার এতগুলো বছর পার হলেও যে প্রশ্নের উত্তর আজও পাইনি এই জাতি।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর; বিকেল ৪টা ৩১ মিনিট। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে আত্মসমপর্ণ দলিলে সই করেন লে. জে নিয়াজি আর যৌথ বাহিনীর পক্ষে সই করেন লে. জে. জগজিৎ সিং অরোরা।
আত্মসমর্পণ দলিলের মূল কপিটি আছে ভারত সরকারের কাছে। জগজিৎ সিং অরোরার ব্যক্তিগত সংগ্রহে আছে দলিলের একটি প্রতিরূপ।
বড়ই আফসোসের কথা হচ্ছে সেই আত্মসমর্পনের দলীল বাংলাদেশে কিন্তু নেই, আছে ভারতে। এমনকি বড়ই হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার নাকি জানেই না যে, আত্মসমর্পনের সেই দলীল বাংলাদেশে নেই।
প্রশ্ন হচ্ছে কেন? সেই দলীল ভারতে থাকবে কেন? ঐ দলীল হচ্ছে বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশে থাকবেনা কেন?
স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান নিয়ে আজকে আমি কোন প্রশ্ন তুলবনা। নিশ্চয় ভারত সেদিন বড়ই উপকার করেছিল যেই উদ্দেশ্যেই হোক তবে যুদ্ধ শেষে ভারতীয় বাহীনির লুটপাটের কথা নিশ্চয় সবায় জানেন। ভারতীয় আর্মির লুটপাট ঠেকাতে আমাদের চাঁপাই নবাবগঞ্জে ব্রিজ পর্যন্ত উড়িয়ে দিয়েছিল মুক্তি বাহীনি। বছর দশেক আগে দেখেছি আমাদের মহানন্দা নদীর তীরে তখনও একটি অকেজো ট্যাঙ্ক পড়েছিল। স্থানীয় জনতার বাধার কারনে ভারতীয় লুটেরারা সেটা রেখে যেতে বাদ্ধ হয়েছিল।
মুল যুদ্ধটা শুরু করেছে কে? আমাদের দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ভারত নয়।
সম্মুখ যুদ্ধে মরনপণ লাড়াই করেছে কে? আমাদের দেশের মজদুর বীর সেনানীরা।
উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পাইনি তারপরেও পৃথীবির প্রথম সারির এইলিট বাহীনিগুলোর একটি পাক বাহীনির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে এক মহুর্ত দ্বিধা করেনি আমাদের মুক্তি বাহীনি। পেপে গাছের নলের সাহায্যে শত্রুর অপেক্ষাতে পানির নিচে ডুবে থেকেছে যন্টার পর ঘন্টা। মাইলের পর মাইল ডুব সাঁতার দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে এসেছে শত্রুর আস্তানা। ভালো হাতিয়ার পাইনি ভাঙ্গচোরা অস্ত্র নিয়েই লুঙ্গি গেঞ্জি পরে মাথাই গামছা বেঁধে সেদিন শত্রু নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাংলার গরিব মজদুর সন্তানেরা।
এই বিজয় আমাদের শুধুই আমাদের ভারতের নয়।
আফসোস লাগে যখন দেখি ১৬ ডিসেম্বরকে তাদেরই বিজয় বলে দাবি করে ভারত এবং আমাদের সরকার আঙ্গুল চুষে।
আফসোস হয় যখন শুনি স্বাধীনতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলীল হচ্ছে আত্মসমর্পণের দলীল যেটা ভারত সরকার আর সব কিছুর মত লুট করে নিয়ে গেছে আর আমাদের সরকার নাকি জানেই না
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×