somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আমি রানা
বাস্তব এবং সাধারন মানুষ আমার লিখার জীবন। এখানে রানা নামের একজন অতি সাধারন ব্যক্তির দৈনিক জীবন এবং তার দৃষ্টিতে সমাজের বর্তমান অবস্থা এবং এর প্রভাব তার নিজের ভাষায় প্রকাশ করা হবে।

করোনায় বন্দী অবস্থায় আমার ভাবনা!!!(১০) ব্যাচেলর জীবন।

২৬ শে মে, ২০২০ ভোর ৪:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পুরো একটা ঈদের দিন কাটিয়ে দিলাম, দিনটা সবার মতই কেটেঁছে অন্যরকম।
রাত ৩টাই ঘুম থেকে উঠেছি। অভ্যাস হয়ে গিয়েছে এই সময়ে উঠে কাজ করতে বসার। যেহেতু ঈদ তাই রান্না-বান্নার কিছু ব্যপারতো রয়েই যায়। একা থাকি বলেত না খেয়ে বা ঈদ না করে পারবোনা! এ কদিন ব্যাচেলর দের জাতিয় খাদ্য ডিম দিয়ে চালিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ঈদে বিশেষ কিছু খাবার খেতে মন চাইছিল বেশ কদিন , চাইবার ও কিছু করন আছে ওদিন ফেইসবুকে একজন বিড়িয়ানি রান্না দেখে লোল(জিভে জল চলে আসা) পড়ে গিয়েছিল। তাই ওদিনই মন স্থির করলাম বিড়িয়ানি রান্না করবো।
দুদিন আগেই বাজারে চলে গেলাম। (লকডাউনের পর থেকে বাজারে যাইনা, পাশের মুদি দোকানে যা পাই তা দিয়েই দিন কাটিয়ে দিয়েছি) বাজারে গিয়েত খুশি হয়ে গেলাম মাঠের মাঝে বাজার বসেছে অনেক অনেক দোকান মানুষও অনেক অনেক একটা উৎসব উৎসব ভাব , মনের আনন্দে ১.৫কেজি গরুর মাংস কিনে ফেল্লাম যদিও ১কেজি কেনার কথা ছিল , দোকানদারের চালাকির কাছে হার মেনে ১.৫কেজি কিনতে বাধ্য হলাম। যাই হোক আমিইত খাবো বলে মনকে শান্তনা দিলাম।
ভোর চারটাই মাংশ কশাতে বসিয়েছি, ডিম সেদ্ধ দিয়েছি চারটা, নুডলস আর ডিম ভোনা করার জন্য টানা সাড়ে চার ঘন্টা খেটে রান্না শেষ করলাম। তার পর গোসল শেষে নুডলস খেলাম অসাধারন রান্না আমার। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় বিয়ের পর যদি আমার বউ জানতে পারে আমি এত ভালো রান্না করতে পারি, সে রান্নার পুরো দ্বায়িত্বটা আমার কাধেঁয় তুলে দিবে।
বিড়িয়ানিও সাংঘাতিক ভালো হয়েছে। পেট এবং মন দুটোই ভরেছে।
আমি অতোটা সামাজিক না যে অনেক অনেক মানুষ ফোন করে খবর নিবে। তাই আমার ফোন বেশি ব্যাস্ত থাকেনা।
সুতরাং পরিবারই আমার কাছে সবকিছু, তাই পরিবারকে সময় দেওয়া ।


আয়ান আলী , মেজ ভায়ের ছেলে।


ফারহান এবং আদিবা বড় ভায়ের ছেলে মেয়ে। খুবি দুষ্ট ।

দুপুরের খাবারের পর ইচ্ছে ছিল বের হবো, কোথাও যাওয়ার জন্য না শুধুই ঘোরা ফেরা করা। কিন্তু ঘুমের কাছে হার মেনে বাহিরে যাওয়া আর হলো না। ঘুম থেকে উঠলাম সন্ধ্যা ৭.২৪ মিনিটে তখনো বের হবার ইচ্ছে ছিল কিন্তু বের হতে পারলাম না।
নীলার একটা মেসেজ আসলো খুব সাধারন ভাবে লিখা "Eid Mubarak"। আর বের হতে আর ইচ্ছে হলো না। বসে গেলাম কম্পিউটারে........

নীলা কখনো মিথ্যে বলিনি।
ভালবেসেছি তা সত্যি, কিন্তু তোমার মতো করে অনুভব
আমি কখনো করতে পারিনি।
তোমাকে স্পর্ষ করেছি অনেক বার,
কিন্তু তার যে একটা আবেশ এবং রেশ রয়ে যায় তা বুঝিনি কখনো।

নীলা কখনো মিথ্যে বলিনি।
তোমাকে নিয়ে কল্পনা করছি অনেকবার কিন্তু
ঘর বাধাঁর স্বপ্ন দেখিনি কখনো। ছোট্ট সুখের ঘর।
নীলা ভালোবাসার মানে কি?
শুধুই মিলন নাকি অন্য কিছু?

নীলা কখনো মিথ্যে বলিনি।
বার বার চেয়েছি অনেকবার চেয়েছি ফিরে আসো,
পুরোনো সম্পর্কটার ইতি ঘটাও।
পুরোনত পুরোনই তাতে কি নতুনের আবেশ থাকে?
নীলা পুরোনো প্রেমককে কি কখনো ভোলা যায় না?
নীলা কখনো মিথ্যে বলিনি।
তোমাকে ভালোবাসার মিথ্যে অভিনয় কখনো করিনি,
কিন্তু তোমাকে বোঝার কিংবা ভালোবাসার সুযোগটুকু পাইনি।
নীলা কখনো মিথ্যে বলিনি,
ভালোবাসা শুরু আমরা করেছি কিন্তু শেষটা করতে পারিনি।


লিখে ফেল্লাম, তবে কি লিখেছি নিজেও জানি না। রাতে খাবার খেয়ে আবার ঘুম।

ঘরে থাকবেন, নিরাপদ থাকবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০২০ সকাল ৯:৩৬
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেউ পুড়বে আর কেউ পোড়াবে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

অনেকদিন নিশ্চুপ আছি কিছুদিনের অপেক্ষায়;
কেউ কেউ বলে কিছুদিন নাকি হারিয়ে গেছে,
অনেকদিনের গর্ভে তাই মেলাতে সরল গণিত।
কিছুদিনের অপেক্ষায় অপেক্ষায়-
ছেটে দিয়েছি কথামালার ডালপালা।
বসে বসে মেলাই কাণ্ডহীন বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Good governance starts with respecting public money....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



Good governance starts with respecting public money....

গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, ভালোবাসাই যথেষ্ট

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৮



চীনের লিংশান পর্বতে শুয়ে আছেন ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর দুই সাহাবী সা-কে-জু (Sa-Ke-Zu) এবং
উউ-কো-শুন (Wu-Ko-Shun)। এই নামেই তাঁদের চিনতো স্থানীয় চীনবাসীরা। অবাক হতে হয়, আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....

প্রিয় সহব্লগার,
একসময় সামু ছিল আমাদের ছোট্ট এক মহাবিশ্ব।
দৈনিক গড়ে তিন-চারশ' ব্লগার অনলাইনে থাকতেন। প্রতি মিনিটেই নতুন নতুন পোস্ট আসত। কেউ গল্প লিখছেন, কেউ কবিতা, কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ২২ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭



বাংলাদেশে শেষ কবে সিনেমা হলে গিয়ে মুভি দেখেছিলাম মনে নাই। গতকাল সন্ধ্যায় আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলাম, স্টার সিনেপ্লেক্স মুভি থিয়েটারে। এখন আর আগের মতন সিনেমা হল নেই। অনেক কিছু বদলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×