somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুখের জন্য তিনটি গুপ্তজিনিস - যেগুলো জানার অতীব জরুরী; দৈনন্দিক জীবনে সুখী হওয়ার জন্যঃ

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা সকলেই জানি যে টাকায় সুখ কেনা যায় না, কিন্তু মাঝেমাঝে আমরা টাকার গরম দেখিয়ে সুখী সাজতে চাই । আমরা একটা সংষ্কার করেছি যার জন্য ধনী হতে চাই (যদিও জানি ধনীরা ও সুখী নন); আমরা অভ্যস্ত হয়েছি টেলিভিশনে কোন এক যন্ত্রের বিজ্ঞাপন দেখলে তা কিনতে চাওয়া যা বর্ত্মানে একধরণের স্টাইল হয়ে দাঁড়িয়েছে; আমরা অধিক টাকা উপার্জন করতে চাই এক সুন্দর জীবনের আশায় ।

কিন্তু কোনটিই আমাদের সুখী করাতে পারে না । আমরা কত টাকা কামায় তা কোন ব্যাপার না; ব্যাংকে কত টাকা আছে; কত সুন্দর কাপড়-ছোপড় অথবা কার অথবা দামী জিনিসপত্র; কোনটিই আমাদের সুখী করাতে পারে না । দূঃখের বিষয় হচ্ছে এই, বহু বছর আমরা অতিক্রম করি ভোগ সম্পত্তির লালসায় যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা অনুধাবন করতে পারি, সুখ হচ্ছে আলাদা এক উপলব্দিগত মানসিক প্রশান্তি ।

তাহলে কি আমাদের সুখ আনতে পারে ? ভাগ্যবঃশত এই তিন জিনিস কোন কিছুই দাবি করে না । এই তিন জিনিস হাজার মানুষের উপর গবেষনা এবং জরিপ করে প্রমাণ হয়েছে যে যা কিছু তাদের আছে তা নিয়ে তারা সুখী ।

এখানে তিনটি সুখের গুপ্ত জিনিস হচ্ছেঃ

১ … ভালো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কঃ আমাদের মানবিক প্রয়োজন হচ্ছে কাছাকাছি থাকা, একে অপরের ঘনিষ্ট হতে চেষ্টা করা । ভালো এবং সমর্থকযুক্ত বন্ধুত্ব, এক দৃঢ় বিবাহের বন্ধন অথবা ঘনিষ্ট এবং ভালোবাসাসুলভ সম্পর্ক আমাদের পরিবারের মানুষদের সাথে, যা আমাদেরকে অনেক সুখী করাই ।

কার্য পদ্ধতিঃ সময় নেন, আজ আমি কিছু সময় আমার বন্ধু –ভালোবাসার মানুষদের সাথে ব্যয় করবো; আমার মনে জমে থাকা ভালো লাগার না লাগার কথাগুলো শেয়ার করার পাশাপাশি তাদের কসথাগুলো ও শুনবো –এভাবে আপনার সম্পর্কের উন্নয়ন করুন ।


২… পজিটিভ চিন্তাঃ অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় যে আমাদের মানসিক সংষ্কার এমন হয়েছে ভালোকিছুকে ও নেগেটিভলি চিন্তা করি, যা আমাদেরকে কষ্টে ভোগায়, তীব্রভাবে যন্ত্রনা দেয় । এর একমাত্র ঔষধ হচ্ছে পজিটিভ চিন্তাশক্তিকে বাড়িয়ে তোলা; যা খুব যাদুময়ী হয়ে মানসিক যন্ত্রনাকে নিরোগী করে তুলতে সক্ষম । আশাবাদী এবং আত্ম-শ্রদ্ধাশীল হতে পারলে সুখ পাওয়া যায়, যা সুখী জীবনের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট নির্দেশনা । সুখী মানুষেরা ক্ষমতাবর্ধক অনুভব করে, জীবনের ভালো-খারাপকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে; সদা পজিটিভ চিন্তা করতে সমর্থ হয় ।

কার্য পদ্ধতিঃ বাস্তব (পজিটিভ) চিন্তাকে এক ধরনের অভ্যাস বানাতে চেষ্টা করুন । ফলে, এটি হবে জীবনের প্রথম অভ্যস যাকে উন্নয়ন করা প্রয়োজন । এমন অভ্যস করান যাহাতে করে নেটিসূচক চিন্তাগুলো ও ইতিসূচক হতে বাধ্য । “আমি পারি না” বদলে হতে হবে “আমি পারি” । এটা শুনতে একটু অদ্ভুদ লাগলে ও আমার জীবনে প্রায়ই কাজ করে ।

৩... প্রবাহিত করাঃ এটি ইন্টারনেটে খুব জনপ্রিয় ধারণা সমসাময়িকে – কোঙ্কোন সময় আমরা এমন মানসিক অবস্থানে ঢুকে যায় যাতে শুধু কাজের উপরই মনোনিবিষ্ট থাকি; যাতে করে কখন সময় চলে যায় আমরা থের ও পাই না । কাজ করা এবং অবসর কাটানোর মধ্যে দিয়ে ও মানুষ কিন্তু সুখী অনুভব করতে পারে । মানুষ আনন্দ অনুভব করে যখন সবকিছু ভুলে ভেসে যেথে পারে অথবা একাগ্রচিত্তে মগ্ন থাকতে পারে ।

কার্য পদ্ধতিঃ এমন কাজ খুজতে চেষ্টা করুণ যাতে করে আপনি উত্তেৎনশীল অনুভব করতে পারেন । আন্তরিকতার সহীত –এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ । এমন কিছু হোবি খুজুন যাতে আপনার ভালো লাগে । টিলিভিশন অফ করুণ, কারণ টেলিভিশন আপনাকে প্রবাহিত হতে দিবে না, বরং বাইরে গিয়ে কোথাও ঘুরে আসুন, নতুবা আপনার ভালোলাগার কাজটি করুণ ।

এভাবে নিজেকে সুখী করতে চেষ্টা করুণ । একদিন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন আপনার চারপাশে সবকিছু কতই সুন্দর এবং মনোরম । সুখ আপনাকে ধরা দিতে বাধ্য; স্মাজের জন্য আপনি হতে পারেন নতুন এক আইডল ।
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নস্টালজিক

লিখেছেন সামিয়া, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩৩



আমার ঘরটা এখন আর আগের মতো লাগে না। দরজার লক নষ্ট, বন্ধ করলেও পুরোপুরি বন্ধ হয় না, আধখোলা হয়ে থাকে। বুকশেলফে ধুলো জমে আছে, ড্রেসিং টেবিলের পর্দাটা এলোমেলোভাবে ঝুলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বপ্ন যখন মাঝপথে থেমে যায়: ঢাকার জলপথ ও এক থমকে যাওয়া সম্ভাবনার গল্প

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৫

ঢাকার যানজট নিয়ে আমরা অভিযোগ করি না এমন দিন বোধহয় ক্যালেন্ডারে খুঁজে পাওয়া যাবে না। অথচ এই যানজট নিরসনের চাবিকাঠি আমাদের হাতের নাগালেই ছিল—আমাদের নদীগুলো। সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএ ঘোষণা করেছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-২

লিখেছেন অর্ক, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৪



ইরান বিশ্বসভ্যতার জন্য এক অভিশাপ, এক কলঙ্ক। কাঠমোল্লারা ক্ষমতা পেলে একটি রাষ্ট্রের যে কি পরিণতি হয়, তার জ্বাজ্জল্যমান উদাহরণ ইরান। সম্পূর্ণরূপে অসভ্য বর্বর অসুস্থ রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে সেখানে। যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাগাভাগি

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭

ভাগাভাগি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

এলাকায় এক ইফতার মাহফিল-এ
দাওয়াত পাই আর যথাসময় চলে যাই।
অনেক মানুষ পড়ছে দোয়া দুরুদ
ঘনিয়ে আসছে রোজা ভাঙার সময়।

তখন সবার সামনে বিলিয়ে দিচ্ছে বিরিয়ানি
আমার ভাবনা- হয়ত কেউ ভাবছে
যদি একসাথে খাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৩ এ ওয়াকআউট করেছিলেন, ২০২৬ এ তিনিই ঢাবির ভিসি ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২


২০২৩ সাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভা চলছে। একজন শিক্ষক দাঁড়িয়ে বললেন, হলগুলোতে ছাত্রলীগের গেস্টরুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কথাটা শেষ হতে না হতেই তৎকালীন ভিসি জবাব দিলেন, "গেস্টরুম কালচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×