রৌদ্রজ্জ্বল দিন, সময়টা সাড়ে এগারোটার মত
বাজে, যেহেতু আমি কলেজ এর অনিয়মিত ছাএ।
কলেজ এ গেলেও পুরা ক্লাস আমাকে দিয়ে সম্ভব
নাহ।।। তাই তো ২ ক্লাস পর কলেজ থেকে বের
হয়ে আমার উদ্দেশহীন গন্তব্যের
দিকে হাটা শুরু।।।
ব্যাংক এশিয়া, আগ্রাবাদ ব্রাঞ্চ। এর বিপরীত
পাশে আমি তখন চোখে পড়ে দুইটি ছেলে।।। দুই
ভাই মনে হয়। বড়টার আনুমানিক বয়স ১০ ছোট টার
৭ কিংবা ৮ ( আমার ধারনা শক্তি খুব খারাপ)
শুনতে পেলাম বড় ভাইটি বলতেছে যে তার ছোট
ভাই আজ ২ দিন যাবত কিছু খায় নি।।। শুনে খারাপ
লাগলো।।। আমি বললাম আমার সাথে চলো।
যা খুশি খেয়।। আমি তোমাদের
কে হোটেলে নিয়ে যাচ্ছি। তারা আমাকে উওর দিল
তাদেরকে টাকা দিলেই হবে।।। তারা খেয়ে নিবে।।।
আগত্যা ২০ টাকার একটা নোট দিয়ে এলামম।।।
ওদের কথাটা আমার কাছে অস্বাভাবিক নয় কারন
এই ভিক্ষুক দের কে নিয়ে মূলত ব্যবসা করা হয়।
বর্তমানে এদের নিয়ে অনেকগুলো দল বা গ্রুপ
বিদ্যমান।
দলের নিয়ম হল দৈনিক যা আয় কবরে তা তাদের
মালিক কিংবা দলের প্রধান এর কাছে দেওয়া যার
বিনিময়ে তারা মাসিক একটা সমপরিমান
টাকা পেয়ে থাকে।।।
এইতো কয়েকদিন আগে রোজার ঈদ করার জন্য
বাড়িতে গেছিলাম।।। ঈদের দিন #বিটিভি
তে একটা ছবি দিচ্ছিল তার একটা অংশ
আমি তুলে ধরলাম।।
একজন লোক এর আওতাধীন ১০০+ লোক কাজ
করে তারা দৈনিক যা পায় তারা তা ঐ লোক
কে দেয়।।। আরেকটি অংশ হলো যে একটি লোক
একটি ছোট ছেলের লাশ
নিয়ে ভিক্ষা করছে যে তার কাছে টাকা নাই দাফন
করার জন্য লোকজন তাকে সাহায্য করছে।।।
দুপুর এর পর
একটি মহিলা এসে ছেলেটিকে নিয়ে গেল
আসলো ছেলেটি মৃত নয়।।। সে পঙ্গু, বোবা।
বলতে গেলে প্রতিবন্ধী। তার
মা তাকে ভাড়া দিয়ে দৈনিক ২০০ টকা পায়।।
এখন আসুন একটা খসড়া করি
ধরি,
জনাব "ক" এর দলের সদস্য সংখ্যা ১০০ জন।।।
তাদের দৈনিক আয় ৩০০ টাকা।।
সুতরাং ১০০ কে ৩০০ দিয়ে গুন = ৩০০০০ টাকা
এক মাস সমান ৩০ দিন
সুতরাং ৩০ কে ৩০০০০ দিয়ে গুন = ৯০০০০০ টাকা।।
এখন ধরলাম তাদের মাসিক বেতন ৪০০০ টাকা।
সুতরাং ৪০০০ কে ১০০ দিয়ে গুন = ৪০০০০০ টাকা
এখন ৯০০০০০- ৪০০০০০ = ৫০০০০০ টাকা।। ঐ
ব্যাক্তির বিনা শ্রমে তার মাসিক আয় ৫০০০০০
টাকা।।।
বাকি টা আপনারা বুঝে নেন।।।
আমাদের সমাজে ভিক্ষুকদের কেও ছাড়
দেওয়া হয় না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



