somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি কবিতা ও তার গল্প: ​আচমকা নামে এ শহরে গোধূলি

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




​কিছু কবিতা শুধু পড়া যায় না। তাদের পড়তে পড়তে থেমে যেতে হয়। কিছু শব্দের কাছে ফিরে যেতে হয় বারবার। কখনো কোনো একটি লাইনে আটকে গিয়ে মনে হয়— এ তো কবিতার কথা নয়, এ তো আমারই কোনো পুরোনো বিকেল।
​কিছু কবিতার ভেতরে গল্প থাকে। মানুষ থাকে। থাকে না-বলা কথা, জমে থাকা অভিমান, আর এমন কিছু স্মৃতি—যাদের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই।
​“আচমকা নামে এ শহরে গোধূলি” তেমনই একটি কবিতা।

​এখানে একটি সম্পর্কের শেষ আছে, কিন্তু বিচ্ছেদের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই। আছে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি, নিজেকে শক্ত করে নেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা, আর ভালোবাসাকে অস্বীকার করার একরকম জেদ।
​আর সবকিছুর আড়ালে— আছে স্মৃতি। যে স্মৃতিকে মানুষ যত দূরে সরিয়ে দিতে চায়, স্মৃতি তত নিঃশব্দে ফিরে আসে।

​❏ কবিতা: আচমকা নামে এ শহরে গোধূলি

​ভেবে নিতে পারো,
আমি আর ফিরবো না!
​তোমার বাড়িয়ে দেওয়া দুহাত,
যেটাকে আমি ডানা বলতে ভালোবাসি—
আমার অবজ্ঞাভরা চাহনিতে
সেই হাত ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবে তুমি।
​ধরে নিতে পারো,
আমি আর কখনো মিথ্যা বলবো না!
​ঘামে ভেজা শরীরে
নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে
আপ্লুত হবো না আর,
বলবো না—
“আকাশটা এত সুন্দর কেন?”
​আচমকা সরিয়ে নিতে পারো
তোমার অগোছালো চুল,
কপালের টিপ, লিপস্টিক, কানের দুল।
​জেনে গেছো—
অবলীলায় বলে দিতে পারি,
“এগুলো আমাকে বিরক্ত করে খুব।”

​তবুও—
​ফুচকার প্লেটে উড়ে আসা ধূলিঝড়,
বিকেল গড়ায় দুপুরে দিয়ে ভর,
এই শহর জেনেছে সব,
এই শহর শুনেছে সব।

​বাটা সিগন্যাল হয়ে তেলের মিলের গলি,
আচমকা নামে এ শহরে গোধূলি।
​এই শহর জেনেছে সব,
এই শহর দেখেছে সব।

​❏ কবিতার গল্প
​গল্পের শুরুটাই সবচেয়ে কঠিন।
​“ভেবে নিতে পারো, / আমি আর ফিরবো না!”
​এটি শুধু চলে যাওয়ার কথা নয়। এখানে “আমি আর ফিরবো না”—এর চেয়েও বেশি কথা বলে “ভেবে নিতে পারো”। কারণ মানুষ যখন সত্যিই চলে যায়, তখন অনেক সময় ঘোষণা দেয় না। শুধু অন্য মানুষটিকে একটি সুযোগ দিয়ে যায়— তুমি এবার ধরে নাও, আমি আর ফিরছি না। এই কয়েকটি শব্দের ভেতর তাই বিচ্ছেদের চেয়ে বেশি কিছু আছে। আছে অভিমান, আছে আত্মসম্মান, আছে নিজেকে শক্ত করে রাখার চেষ্টা। যেন চলে যাওয়ার আগে মানুষটি নিজেকেই বোঝাচ্ছে— এবার আর ফিরে তাকানো যাবে না।
​কিন্তু কবিতাটি যত এগোয়, ততই বোঝা যায়— চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া আর সত্যিই চলে যেতে পারা এক কথা নয়।

​তারপর আসে কবিতার সবচেয়ে কোমল চিত্রগুলোর একটি—
“তোমার বাড়িয়ে দেওয়া দুহাত, / যেটাকে আমি ডানা বলতে ভালোবাসি—”
​দুটি হাত। কত সাধারণ একটি দৃশ্য! অথচ ভালোবাসার কাছে সেই দুহাতই হয়ে উঠেছিল ডানা। আশ্রয়ও ছিল, নিরাপত্তাও ছিল, হয়তো পৃথিবী থেকে একটু দূরে উঠে দাঁড়ানোর সাহসও ছিল। একসময় যে হাত ধরে মানুষ পথ হাঁটে, একসময় সেই হাতই যেন পৃথিবীর সমস্ত ক্লান্তির বিরুদ্ধে আশ্রয় হয়ে ওঠে।
​কিন্তু এখন? এখন সেই হাতই ফিরিয়ে নিতে বলা হচ্ছে। কারণ মাঝখানে এসে দাঁড়িয়েছে— “অবজ্ঞাভরা চাহনি।”
​সম্পর্কের শেষ সবসময় কোনো বড় ঝগড়ায় হয় না। কখনো কখনো শব্দের প্রয়োজনও হয় না। একটি দৃষ্টি বদলে যায়, একটি স্পর্শের উষ্ণতা কমে যায়। একজনের বাড়িয়ে দেওয়া হাত আর আগের মতো অন্যজনকে ডাকে না। তখন মানুষ বুঝে যায়— হাতটা এবার ফিরিয়ে নেওয়ার সময় হয়েছে।

​এরপর কবিতায় আসে মিথ্যার প্রসঙ্গ।
“ধরে নিতে পারো, / আমি আর কখনো মিথ্যা বলবো না!”
​কিন্তু ভালোবাসার ভেতরের সব মিথ্যা কি প্রতারণা? সবসময় নয়। কখনো মানুষ সম্পর্কটাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সত্যিটা একটু আড়াল করে। কখনো প্রিয় মানুষটিকে কষ্ট না দেওয়ার জন্য নিজের অভিমান গিলে ফেলে। কখনো এমন কিছু কথা থাকে, যা বলা যায় না— কারণ সত্যিটা উচ্চারণ করলেই হয়তো সম্পর্কের ভেতরের শেষ আলোটুকুও নিভে যাবে।
​কিন্তু এখানে সেই মানুষটি আর কিছু লুকাতে চায় না। সে যেন বলছে— এবার সত্যিটাই থাক। যত কঠিন হোক, থাক।

​তারপর আসে আকাশ।
“আকাশটা এত সুন্দর কেন?”
​একটি খুব সাধারণ প্রশ্ন। কিন্তু ভালোবাসার কাছে সাধারণ প্রশ্নও কখনো কখনো স্মৃতির সবচেয়ে গভীর দরজা হয়ে যায়। আকাশ তো তখনও ছিল, আজও আছে। নীল আকাশের সৌন্দর্যও বদলায়নি। শুধু বদলে গেছে— আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা মানুষটি, আর তার পাশে থাকা মানুষটি।
​হয়তো একসময় দুজন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আকাশ দেখেছিল। ঘামে ভেজা শরীর, ক্লান্ত বিকেল, উপরে বিশাল নীল। তারপর হঠাৎ একজন বলে উঠেছিল— “আকাশটা এত সুন্দর কেন?” প্রশ্নটি হয়তো আকাশকে নিয়ে ছিল, কিন্তু উত্তরটি ছিল অন্য কোথাও। কারণ কখনো কখনো মানুষ আকাশের সৌন্দর্য দেখে না— সে পাশে থাকা মানুষটির সঙ্গে সেই সৌন্দর্য ভাগ করে নেওয়ার আনন্দটুকুই দেখে।

​এরপর কবিতা আরও ব্যক্তিগত হয়ে ওঠে। অগোছালো চুল, কপালের টিপ, লিপস্টিক, কানের দুল। যে জিনিসগুলো একসময় ভালো লাগার কারণ ছিল, সেগুলোই এখন বলা যায়— “এগুলো আমাকে বিরক্ত করে খুব।”
​এখানেই কবিতার নির্মমতা। মানুষের চেহারা বদলায়নি। চুল একই, টিপ একই, কানের দুলও হয়তো একই। শুধু বদলে গেছে তাকানোর চোখ। ভালোবাসা ফুরিয়ে গেলে মানুষ সবসময় বদলায় না— বদলে যায় তাকে দেখার মানুষটি। যে সৌন্দর্য একদিন মুগ্ধ করেছিল, একদিন সেটিই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এবং সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো— অন্য মানুষটি এই পরিবর্তনটি বুঝতে পারে।

​তারপর আসে সেই একটি শব্দ—
“তবুও—”
​শুধু একটি শব্দ। কিন্তু এই একটি শব্দেই কবিতার সমস্ত দিক বদলে যায়। এতক্ষণ পর্যন্ত ছিল নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা। আমি ফিরবো না, আমি মিথ্যা বলবো না, আমি আর মুগ্ধ হবো না, আমি আর তোমার এসব পছন্দ করবো না। কিন্তু— তবুও।

​মানুষের মন সম্ভবত এখানেই সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে। মুখ বলে— শেষ। স্মৃতি বলে— না, এখনও কিছু বাকি আছে।
​তারপর ফিরে আসে শহর। ফিরে আসে ফুচকার প্লেট, উড়ে আসা ধুলো, দুপুর পেরিয়ে যাওয়া বিকেল। কত সাধারণ দৃশ্য! কিন্তু ভালোবাসার স্মৃতি কখনো শুধু অসাধারণ মুহূর্তগুলোকে ধরে রাখে না। বরং সবচেয়ে সাধারণ দৃশ্যগুলোই একদিন সবচেয়ে অসহ্য হয়ে ওঠে।
​একটা ফুচকার প্লেট, একটা রাস্তার ধুলো, একটা বিকেল। কোনো বিশেষ দিন নয়, কোনো বিশেষ আয়োজন নয়। তবুও বহু বছর পর হঠাৎ সেই একই গন্ধ, একই রাস্তা, একই বিকেলের আলো মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে এমন এক সময়ে— যেখানে সে আর ফিরতে চায় না, অথচ ফিরে যাওয়া ছাড়া তার কোনো উপায় থাকে না। কারণ স্মৃতির নিজস্ব কোনো দরজা নেই, সে জানালা দিয়ে আসে।

​“এই শহর জেনেছে সব, / এই শহর শুনেছে সব।”
​এখানে শহর শুধু একটি স্থান নয়। শহর হয়ে উঠেছে সাক্ষী। দুজন মানুষের হাসি দেখেছে, তাদের পাশাপাশি হাঁটা দেখেছে, হয়তো অভিমানও দেখেছে, নীরবতাও শুনেছে। মানুষ অনেক কথা একে অপরকে বলতে পারে না, কিন্তু শহর তাদের না-বলা কথারও সাক্ষী হয়ে থাকে।
​তারপর কবিতাটি হঠাৎ আরও নির্দিষ্ট হয়ে ওঠে।
বাটা সিগন্যাল। তেলের মিলের গলি।
​এগুলো শুধু জায়গার নাম নয়, এগুলো স্মৃতির ঠিকানা। কোনো কাল্পনিক শহর নয়, কোনো দূরের গল্পও নয়। এ শহরেরই কোনো এক বিকেলে দুজন মানুষ পাশাপাশি হেঁটেছিল, এই শহরেরই কোনো এক গলিতে জমেছিল অভিমান, এই শহরেরই কোনো এক রাস্তায় হয়তো দুজন মানুষ ভবিষ্যতের কথা ভেবেছিল। আর এখন সেই একই শহর তাদের বিচ্ছেদেরও সাক্ষী।
​কবিতার সৌন্দর্য এখানেই— যত বেশি নির্দিষ্ট হয়, তত বেশি ব্যক্তিগত হয়। আর যত বেশি ব্যক্তিগত হয়, তত বেশি পাঠকের নিজের হয়ে ওঠে। কারণ প্রত্যেক মানুষেরই তো কোথাও না কোথাও এমন একটি রাস্তা থাকে, একটি মোড়, একটি দোকান, একটি বিকেল— যেখানে দাঁড়ালেই মনে পড়ে যায়— একসময় এখানে দুজন ছিল।

​তারপর আসে কবিতার নাম।
“আচমকা নামে এ শহরে গোধূলি।”

​গোধূলি প্রতিদিন নামে, সূর্য প্রতিদিন ডোবে, আলো প্রতিদিন কমে আসে। তবুও কোনো কোনো গোধূলি সত্যিই আচমকা নামে। যখন আমরা বুঝে উঠতে পারি না— কখন দুপুর শেষ হয়ে গেল, কখন বিকেল ফুরিয়ে গেল, কখন আলো এতটা কমে এলো।

​সম্পর্কও বোধহয় এমনই। সবকিছু চলতে থাকে, কথা হয়, হাঁটা হয়, ফুচকা খাওয়া হয়, একই শহরের রাস্তায় পাশাপাশি থাকা হয়। তারপর একদিন হঠাৎ মনে হয়— কিছু একটা বদলে গেছে। কেউ ঘোষণা দেয়নি, কেউ বলেনি, “আজ থেকে আমাদের সম্পর্ক শেষ।” তবুও শেষ হয়ে যায়। যেমন আলো শেষ হয়, শব্দ না করে।
​তাই হয়তো— সম্পর্কেরও একদিন গোধূলি নামে। আর কখনো কখনো— সেটা নামে আচমকা।

​শেষে কবি আর নিজের হয়ে কিছু বলেন না। শহরকে দিয়ে বলিয়ে নেন—
“এই শহর জেনেছে সব, / এই শহর দেখেছে সব।”
​এ যেন কোনো অভিযোগ নয়। কাউকে দোষী করার চেষ্টাও নয়। বরং এক দীর্ঘ নীরব স্বীকারোক্তি— একটা সম্পর্ক ছিল। তার কিছু আলো ছিল, কিছু অন্ধকার ছিল, কিছু সুন্দর বিকেল ছিল, কিছু না-বলা অভিমান ছিল। তারপর একদিন সেই সম্পর্কের ওপরও গোধূলি নেমেছিল।
​মানুষ দুজন হয়তো আলাদা হয়ে গেছে। কিন্তু গল্পটি হারিয়ে যায়নি। গল্পটি রয়ে গেছে— একটি শহরের ভেতর, কিছু চেনা রাস্তায়, কিছু ধুলোমাখা বিকেলে, কোনো ফুচকার প্লেটের পাশে, কোনো অচেনা ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ পরিচিত হয়ে ওঠা এক স্মৃতিতে।
​আর তাই— কিছু বিচ্ছেদ শেষ হয়ে গিয়েও শেষ হয় না। মানুষ চলে যায়, শহর থেকে যায়, রাস্তা থেকে যায়, গোধূলি থেকে যায়।
​আর থেকে যায় সেই প্রশ্ন—
একদিন যে আকাশ এত সুন্দর ছিল, আজ তার দিকে তাকালে এত একা লাগে কেন?

​হয়তো উত্তরটা আকাশের কাছে নেই। উত্তরটা পড়ে আছে— কোনো এক পুরোনো বিকেলে, কোনো এক চেনা গলিতে, কোনো এক মানুষের বাড়িয়ে দেওয়া দুহাতে। আর সেই হাতের নাম—
"ডানা"।

​
​— স্বপ্নবাজ সৌরভ
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:১২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেউ জানেনা

লিখেছেন অপ্‌সরা, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪২


কেউ জানেনা
আমার একটা জগৎ আছে,
খুব গহীনে, সংগোপনে,
বুকের ভেতর লুকিয়ে থাকা
একটা জগৎ....
নিজের জগৎ, নিজের মত
আমার একটা জগৎ লাগে।

রোজ বিকেলে কাজের পরে
একটু যখন অবসরে,
একটু সময় চায়ের কাপে
নিজের মত, নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সালমান মুক্তাদীরের জুলাই আন্দোলন: কারণটা কি একান্ত ব্যক্তিগত ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০১


সালমান মুক্তাদীর বাংলাদেশের কনটেন্ট ক্রিয়েশন জগতের পথিকৃৎ। তার হাত ধরে এদেশে কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে কত তরুণ, তার কোনো হিসাব নেই। তার ভক্তের সংখ্যা অগণিত। তবে কাজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে পর্ণ এটাকের জনককে পাওয়া গিয়েছে?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৮



ব্লগার চারাগাছ সামুতে মডারেটর নেই বলে সন্দেহ করছেন। নিজের ধারণা পাকাপোক্ত করতে সামুতে পর্ণ এটাকের প্ল্যান করছেন। ইহা কি ব্লগার?

সামুতে পর্ণ এটাকের কারণে পর্ণ সাইটের ধুয়া তুলে বিগত সরকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেউ জানে না.....অপ্‌সরাপু মেইড মাই ডে!!!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১২

গানঃ কেউ জানে না
গানের লিংক - https://on.soundcloud.com/t6S1rpHbzq62HoSW98



হয়নি বলা হয়নি বলা...
সবচে' আপন যে জন ছিলো
সবচে' দূরের মানুষ সেও।
হঠাৎ কোথা হারিয়ে গেলো!
একটা অজান সূর।
কোন সুদূরে কোন অপারে
কোন সে অচিনপুর!


==========
কবিতার... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



যে কেউ যে কোনো ধরনের পোশাক পরে যে কোনো সমাজে যেতে পারেন, সাধারণত কেউ বাধা দেয় না। তবে সর্বসাধারণের ক্ষেত্রে “দৃষ্টিকটু” বলে একটি বিষয় উল্লেখ্যযোগ্য। যা সময় স্থান কাল পাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×