প্রকৃত লেখকরা সচরাচর রোমান্টিক মনের হয়ে থাকেন ।তাদের অনুভুতির প্রকাশ অন্যদের তুলনায় সম্পুর্ন আলাদা ও ভিন্ন ধাচের । স্মরনাতীতকাল থেকে প্রকৃত লেখকের মর্যাদাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে আসছে কিছু মানুষরূপী শ্বাপদ, কিছু সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি । .................. লেখকরা সমাজে আলো ছড়িয়ে দেয়ার কাজ করবেন তা তাদের বড় না-পসন্দ্ ।.......................
লেখকের সতত সৃষ্টিশীল কাজের বিচারক যদি হয় কোন বিশেষ গ্রুপ ভুক্ত ; কোন রাজনৈতিক দলের লেজুড় বা মুর্খ পন্ডিত তাহলে তাদের কাছ থেকে লেখক মর্যাদাশীল আচরণ আশা করতে পারেন না ।কারণ সেই বিচারকের এক চক্ষু জন্মান্ধ । ....................... অনাবশ্যক ক্রোধ বা ভুল করেও তা স্বীকার না করা সমাজে মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনতে পারে ।
...................... জেনে শুনে ইচ্ছাকৃত ভাবে কোন লেখককে অপমান করার মধ্যে কল্যাণকর কিছু নেই । প্রকৃত লেখকের অনুভুতিকে মর্যাদা দিন ।সব প্রকৃত লেখকই সুন্দরের পূজারী ...................... তিনি থাকেন বোধে.............. তিনি থাকেন সংগ্রামে................।অগ্রজ কবির উদ্ধৃতি দিয়ে বলি..........কবিকে দিও না দুঃখ..................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


