somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজয়ের সুর বাজে প্রাণে....(মোবাইলগ্রাফী)

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



©কাজী ফাতেমা ছবি
উড়ুক পতপত করে পতাকা নীলের প্রান্ত ছুঁয়ে,
বিজয়োল্লাসে মাতুক হাওয়া,
উড়ুক ডানা মেলে পাখি মাথার উপর হয়ে ঘূর্ণ।
আমি বিজয়ের গান গাই হেরে গলা ছেড়ে দিয়ে
এইতো আমার স্বাধীনতা, এইতো আমার বিজয়,
বায়ান্ন দিলো ভাষার স্বাধীনতা
আমি সুর তুলে গাই জারিসারি ভাটিয়ালি
পল্লীগীতি, বাংলায় ছড়া গান...
আর একাত্তর দিয়েছে আমায় বিশ্বের বুকে এক খন্ড স্বাধীন মানচিত্র!
বাঙলার আকাশ, স্বাধীনতার আকাশ
এখানে সূর্য উঠে রক্ত রঙে ঠিক সবুজের ফাঁকে
সূর্য ডুবে যায় টুপ করে স্বাধীনতায় ফের সবুজ পাতার ফাঁক গলে।
ভালোবাসি বিজয়ের পতাকা, ভালোবাসি আমার ঐ মুক্ত আকাশ,
যেখানে সূর্য ছুঁয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় আমার
লাল সবুজ চির বিজয়ের পতাকা।



সবুজ পাতার মধ্যিখানে, ফুল ফুটেছে রঙে
পতাকার রঙ গায়ে মেখে, হেসে উঠে ঢঙে,

বিজয়ের রঙ উড়ছে হাওয়ায়, বিজয় দিবস কাল কী?
বউ পরেছে বেনারসী, লাল সবুজের পালকি!

পালকী চড়ে বিজয় কন্যা, এসে দাঁড়ায় থমকে
খুশির হাওয়া চারিদিকে, বাঙালি যায় চমকে!

দূর্বাঘাসে পা ফেলে চুপ, গাঁয়ের পথে আগায়
বিজয় কন্যা মনে সবার, নতুন আশা জাগায়।



রূপ বদলে সে বিজয় কন্যা, পতাকা রঙ মাখে
রক্ত রঙের ফুল হয়ে সে, ফুটে পাতার ফাঁকে।

একাত্তরের গাঁয়ের পথে, বিজয় যখন আসে
লাল সবুজের পোষাক পরে, পতাকাটা হাসে।

কতটা পথ হাঁটল বিজয়, স্বাধীনতার সুখে
ষোল ডিসেম্বর এলেই যেনো, সুখানন্দ বুকে।

বউয়ের বয়স সাতচল্লিশ হয়, সন্তান ষোল কোটি
ইচ্ছে লাগে এখনো সেই, পালকি ছুঁতে উঠি!



উড়াই হাওয়ায় স্বাধীনতায়, লাল সবুজ পতাকা
দেশটি আমার লাখ শহীদের রক্ত রঙে আঁকা!

শান্তির পায়রা ওড়ছে নীলে, স্বাধীনতার ডানায়
বিজয় দিনে হারাতে চাই, আমি দূর অজানায়।

সবুজ বুকে লেপ্টে আছে, সব শহীদের রক্ত
সেই ঊনি'শ একাত্তরে, দেশ হয় শত্রু মুক্ত।

দেশ'কে মুক্ত করতে সেদিন, প্রাণ দিয়েছেন যারা
তারাই সেদিন রুয়েছিলেন, দেশ স্বাধীনের চারা!

স্মরণ করি তাদের শ্রদ্ধায়, থাকেন যেনো ভালো
শান্তি যেনো পান কবরে, কালো নয় থাক্ আলো।



#বিজয় কন্যার হাসি, আমরা ভালোবাসি।

ডিসেম্বর মধ্য বয়সে আসলেই বিজয় কন্যার আড়ম্বরপুর্ণ সাজগুজ শুরু,
আহা শহর জুড়ে বিজয় কন্যা রঙধনু রঙ বেনারসীতে সেজে দাপিয়ে বেড়ায়,
চোখ ধাঁধিয়ে দেয়া রূপ দেখে মানুষ চমকে যায় আর বুকের বামে হাত রেখে খুঁজে স্বস্তি।
বিজয় কন্যার চোখে রঙবাহারী আলোর রাঙা মেকাপ,
চুলে তার বাঁধা লাল সবুজ ফিতেয়, চুল ওড়ে হেমন্তের হাওয়ায়,
হেমন্ত শেষ প্রান্তে আসলেই বিজয় কন্যা নড়ে চড়ে উঠে, আর শুরু হয় তার সাজগুজ।
মিঠে হাওয়ার সন্ধ্যায় বিজয় কন্যা হেসে উঠে খিলখিলিয়ে,
তার হাসির ঝলকে হারার তারার বাতি উঠে ঝিলমিলিয়ে।



সন্ধে হলেই বিজয় কন্যা হাওয়ার তালে নেচে উঠে, পুরো শহর জুড়ে চলে তার নৃত্য কলা;
আর স্বাধীন মানুষগুলো বিজয় কন্যার চোখে চোখ রেখে হয় আবেগে আপ্লুত,
মন সঁপে দিয়ে মানুষ সমস্বরে গেয়ে উঠে "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি"



সে সুর শুনে বিজয় কন্যা চোখ বুঁজে নিভে গিয়ে জ্বলে উঠে মানুষকে জানায় শ্রদ্ধা...
বিজয় কন্যা গেয়ে উঠে " জয় বাংলা, বাংলার জয়"
আহা কত মধু জড়ানো সে সুর, আমি আমরা ভালোবেসে ফেলি বিজয় কন্যাকে।
আমরা ঠিক তখনই লাল সবুজের পতাকা আকাশে উড়িয়ে গেয়ে যাই কোরাস গান....
বিজয় কন্যার হাসি আমরা ভালোবাসি।



বিজয়ের রঙ গায়ে মেখে, স্বাধীনতায় উড়বে
মানুষগুলো শহর জুড়ে, আনন্দেতে ঘুরবে,
বিজয় দিবস এলে শুনি, বঙ্গবন্ধুর ভাষন
কিন্তু দেশে খুব নৈরাজ্য, চলতেছে দুঃশাসন।



বিজয় কান্দে দুর্নীতিতে, বিজয় জরাজীর্ণ
বিজয় যেনো কুঁজো বুড়ো, বিজয়ের গা শীর্ণ!
বিজয় বন্দি শক্তির জালে, বিজয়ের চোখ অন্ধ
বিজয় দিল স্বাধীনতা, তবু কত দ্বন্দ্ব।



#বিজয়ের হাসি
শহর আজ আলোয় আলোয় আলোকিত,
রঙ ছড়ানো শহরের এককোণে আকাশটাও
রক্ত রঙে সেজে হেসে উঠে নিদ্বির্ধায়!
বিজয়ের রঙ মেখে আকাশ সেজেছে,
কী যে স্নিগ্ধ এক প্রহর আহা,
মুগ্ধ চোখ ডুবে যায় আকাশ ডহরে।
এই যে সূর্য ডুবে গেলেও আকাশ হাসছে
ঠোঁটে তার বিজয়ের রঙ!
একদিন এখানেও রক্ত ঝরেছিলো,
হিংস্র হায়েনারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো নিরীহ মানুষের উপর,
দূর্বাঘাস হয়েছিলো রক্তে লাল,
আকাশটা কেঁদেছিলো, আকাশের চোখে ছিলো রক্ত অশ্রু,
সেদিন এখানে নিস্তব্ধ থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছিলো...
রাতের আঁধারেও মানুষ বাতি নেভা ঘরে চুপচাপ
কান পেতে শুনতে উৎসুক ছিলো বিজয়ের ধ্বনি,
সেদিন মানুষ একটি স্বাধীন পতাকা ওড়াবে বলে
গুনেছিলো অপেক্ষায় অগনিত প্রহর!



এলোমেলো পোস্টের জন্য সরি
মোবাইলে পোস্ট খুবই কষ্টকর :(
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৫৯
৯টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:০১

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

ছবি, সংগৃহিত।

সারসংক্ষেপ

রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত। সাধারণ মুসলিম সমাজে রোজা ভঙ্গের ধারণা প্রধানত পানাহার ও যৌন সংসর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অথচ কুরআন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভ্রমণব্লগ: আলোছায়ার ঝলকে এক অপার্থিব যাত্রা”

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬

মালয়েশিয়া আমার বেশ পছন্দের একটি দেশ। আমার জীবনের একটি অংশের হাজারো স্মৃতি এই দেশে। একটা সময় ছিল যখন এই দেশ ছিল আমার সেকেন্ড হোম।‌ এখন ও আমার আত্নীয়-স্বজন, ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধবের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×