somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কাজী ফাতেমা ছবি
নিজের পোস্টের উত্তর দিতে দেরী হয় সেজন্য সরি।

» সন্ধ্যায় নদী ঘাট (একদিনের ভ্রমণ)-০১

২৫ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৪:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
০১। বুড়িগঙ্গা নদীটি সন্ধ্যায় কৃত্রিম আলোয় সেজে থাকে



ফেব্রুয়ারীতে গিয়েছিলাম সদরঘাট, যেখানে লঞ্চ জাহাজ ফেরী চলাচল করে। আমি আসলে আগে এত বড় লঞ্চ জাহাজ দেখিনি। কেবল ছবিতে বা ভিডিও, টিভিতে দেখেছি। সত্যিই অবাক হইছি এত্ত বড় বড় যানবাহন পানির উপরে বাপরে, তাও দুই তিন চার পাঁচ তলা, আর এত লম্বা ভিতরে গেলে মনে হয় কূল কিনারা নাই। যে লঞ্চগুলোতে উঠেছিলা সেগুলো রাত সাড়ে আট, নয়টায় ছাড়ার কথা । আমরা সেই লঞ্চগুলো একে একে সব তলায় ঘুরেছি আর দেখেছি কী সুন্দর ব্যবস্থা পানির উপর। ছোটো ছোট রুম, রুমে কী সুন্দর বিছানা পাতা।

ডাইনিং রুমও আছে, আবার দোকানপাঠও আছে। কিছু জায়গা এত সুন্দর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। মনে একটাই দুঃখ ছিলো বুড়িগঙ্গার পানি নিয়ে। কালো পানি আর দুর্গন্ধ উফ্ ।

জাহাজের ভিতর, ফ্লোরে মানুষগুলো সারি সারি বিছানা পেতে আন্ডা বাচ্চা নিয়ে অপেক্ষা করছে কখন জাহাজ ছাড়বে। আমরা লঞ্চের ছাদে গিয়ে দাঁড়ালাম তখন সন্ধ্যা। সন্ধ্যায় নদীঘাট যে কী সুন্দর যে দেখেছে সে বলতে পারবে। যদিও বেশীক্ষণ থাকা হয়নি। আরেকটু রাত গভীর হলে মনে হয় আরও সুন্দর ফটো তুলে আনতে পারতাম।

লঞ্চের ভিতরে রংবাহারী বাতি, সে বাতির আলোয় মানুষের আনাগোনা, আহারে কত মানুষ হন্তদন্ত ছুটতে। কার মনে যে কী। কার মনে যে আনন্দ আর কার মনে দুঃখ জানা গেলে ভালো লাগতো। লঞ্চের ভিতরে সোফা পাতানো কোথাও, আর বারান্দায় চেয়ার পাতা। ইশ কখনো যদি লঞ্চে করে কোথাও যাওয়া যেত ভালোই লাগতো।

কিছুক্ষণ পর পর জাহাগুলো ছাড়ছে আবার কিছু জাহাজ ঘাটে এসে ভিড়ছে। মানুষের ব্যস্ততা। আমার ব্যস্ততার পাঠ চুকিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম মানুষের ব্যস্ততা। আমার নীড়ে ফেরার কথা ভুলে সেদিন দেখেছিলাম মানুষের নীড়ে ফেরার দৃশ্য। যে যার মত হেঁটে যাচ্ছে। হাসছে, গল্প করছে। এসব দেখতে কী যে ভালো লাগে উফ্।

যদি কেউ বলতো ছইব্বানি তোর চাকুরী করা লাগতো না বা তোর সংসারী হওয়ার দরকার নেই। ক্যামেরা হাতে নিয়ে ছুটে যা নদী পাহাড় ঝর্না অথবা সমুদ্রে। তোর রান্না বান্নায় কাজ নাই, খাতা কলম নিয়া লিখতে বইয়া যা হাহাহা। আর যদি তখন এক সমুদ্র টাকা কড়ি থাকতো মনে হয় আমি দুনিয়াটাই ঘুইরা লাইতাম।

সন্ধ্যায় যখন সূর্যটা ডুবে যায় কালো পানিও হলুদ হয়ে যায়। ভালোই লাগে কালো পানি হলুদ দেখতে। হয়তো শরত কালে সন্ধ্যার নদীঘাট আরও ভালো লাগে। কারণ তখন আকাশে সাদা মেঘগুলোর উড়াউড়ি থাকে। এত্ত বড় বড় লঞ্চও ভরে যায় মানুষে। আমরার দেশে মানুষের অভাব নাই।

যতই বড় ভাবি না কেন লঞ্চগুলোকে। যে লঞ্চগুলো ছেড়ে যায় ঘাট, দূরে দেখি নদীর বুকে পিপড়ার মতন। হুম সেও নদীর চেয়েও ছোট। নদীর কাছে এত এত লঞ্চ যেন কিছুই না। যখনই মানুষ নদীটাকে নিজের মনে করে পানি দূষিত করে। পাড় দখল করে তখনই বৈরী হাওয়া এসে বুঝিয়ে দেয় লঞ্চ ডুবিয়ে sad মানুষ হুড়োহুড়ি করে মাত্রার চেয়ে বেশী ওজন দিয়ে লঞ্চটাকে নদীর বুকে তলিয়ে দেয় যেন।

০২। ছেড়ে যাচ্ছে লঞ্চ



০৩। বুড়িগঙ্গার পানি হলুদাভ



০৪। নদীঘাট যেখানে ফেরী, লঞ্চ নৌকা ভীড়ে



০৫। কত শত নৌকা ছুটে চলে নিরবে..... দেখলে ভয়ও লাগে যদি ডুবে যায়



০৬। ঘাটে এসে ভিড়ছে নৌকাগুলো



০৭। স্পিডবোড



০৮। সন্ধ্যার বুড়িগঙ্গা



০৯। আহা আকাশটা



১০। ধোয়া ছেড়ে যাচ্ছে নৌকা



১১। সন্ধ্যার বুড়িগঙ্গা



১২।



১৩।



১৪।



১৫।



১৬। কত্ত বড় লঞ্চ



১৭। ডাইনিং হল



১৮।



১৯।



২০। কালো পানি আরো কালো হয়ে গেছে



২১।



২২।



২৩। সিড়িঁর লাইটিং



২৪।



২৫।



২৬। যে মোটা দড়ি



২৭। বারান্দা লঞ্চের





সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৪:৫৪
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৬৪ জন ব্লগার চাই

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ১৩ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:৪৪




বাংলা ভাষার সবচেয়ে বড় ব্লগ হচ্ছে আমাদের প্রিয় সামু ব্লগ। কিন্তু জিনিস ইদানিং খুব ফিল করছি। এত বড় প্লাটফর্মে
কি বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ৬৪ জন ব্লগার ব্লগিং করেন না... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ !! ( একটি রম্য কবিতা)

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ১৩ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৫:১৬


চুপ !! (একটি রম্য কবিতা)
© নূর মোহাম্মদ নূরু

চুপ! চুপ!! চুপ পেলাপান, এক্কেবারে চুপ !!!
চ্যাচা মেচি করলে রাজা রাগ করিবেন খুব।
কথা বলো চুপি চুপি দাড়ি পাল্লায় মেপে
ওজন বেশী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সহজ ভাষায়ঃ কপি-পেস্ট দোষের কেন [একটি গল্প ফাও]

লিখেছেন আরইউ, ১৩ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৯




একটা গল্প বলিঃ ৯০ এর দশকের কোন এক সময় হবে, তখনকার। গ্রামের নাম নীলগন্জ। ঢাকা থেকে অল্প দূরে -- ধরা যাক ২৫ কি ৫০ কিলোমিটার হবে -- ছোট একটা গ্রাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মহামারী ব্ল্যাক ডেথের গর্ভ হতে জন্ম নেয়া কিছু সাহিত্য ও শিল্প কর্ম নিয়ে একটি পর্যালোচনা।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৩ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৩১


সুত্র : Click This Link
আমরা অনেকেই জানি ব্ল্যাক ডেথ ( Black Death) নামে পরিচিত মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর একটি মহামারী অস্বাভাবিক মারণক্ষমতা নিয়ে প্যানডেমিক হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বিশ্বে। মধ্য এশিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভিনদেশী গানের সুরের আদলে রবীন্দ্রসঙ্গীত

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ১৩ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:১১


কৈশোর ও তারুণ্যের মাঝামাঝি বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কয়েক দিন আগের পোস্টে কিছু হিন্দি গানের লিংক দিয়েছিলাম যেগুলির সুর রবীন্দ্রসঙ্গীত থেকে ধার করা ছিল। এই পোস্টে কিছু রবীন্দ্রসঙ্গীতের সন্ধান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×