somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবন গদ্য (কখনো বোবা হয়ে যাই)

১১ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



#জীবন_গদ্য
পাশাপাশি আছি, কখনো তিন চাকার ডানায় চড়ে উড়েছি। কখনো পাশাপাশি চেয়ারে বসে রয়েছি, গুনেছি অপেক্ষার পল। কখনো হেঁটেছি পিচ ঢালা পথে। তখনো তুমি ছিলে পাশে আমার। দুজন পাশাপাশি.... নিশ্চুপ, নিস্তব্ধ প্রহর। ঠোঁটে আঁটা খিল।

কথা নেই তোমার মুখে,কথা নেই আমার মুখে। কথা না বলার উৎসবে তুমি উল্টো চাঁদ মুখে কখনো আশেপাশের মানুষ দেখেছো, কখনো প্রাসাদের ছাদে কিংবা দেয়ালে চোখ। আর আমি আঁকুপাকু মন নিয়ে বসে ঝিমুতে ঝিমুতে ঢলে পড়ি নিদ্রার কোলে। আমাকে দেখেছিলো বিষ্ময়ে হয়তো কেউ... চমকে উঠে নিদ্রা টুটিয়ে ঠাঁয় বসে তোমার গা ঘেঁষে, অথচ কতটা নির্লিপ্ত তুমি ছিলে সে আমার মন জানে!

আমি জেনে গিয়েছি সেই যুগ আগে, তোমাকে সব বলা যায় না। তোমার সাথে মনের অগুছালো কথার ভাগাভাগি চলে না! শুধু জোরে নিঃশ্বাস টেনে ছাড়া আর কিই বা করার আছে। তুমি জানতেও পারলে না, এ আবেগি মনের অলিগলিতে কত কথার সমাহার, কত কথার সমুদ্দুর।

প্রশান্ত মহাসাগরের নীল জলরাশির যত ঢেউ জোয়ারে ভেসে আসে তার চেয়েও ঢের কথা আমার বুক দুমরে মুচড়ে ভেঙ্গে দিচ্ছে অহর্নিশ। নির্নিমিখ আঁখি পল্লবে কখনো দু'ফোটা অশ্রু ঝুলে থাকে আবেগ ঝরে পড়ার ছলে। কি দুঃসহ সময় আহ্ শুধু হাঁসফাস করে কাটিয়ে দেয়া দীর্ঘ প্রহর, জন্ম দিয়েছি কিছু অগুছালো কবিতা মনছেঁড়া ডায়রির পাতায় পাতায়। সেখানে তুমি আছো শব্দে ছন্দে মাত্রায়। কিন্তু সুখকর কোন কথা তোমায় নিয়ে আজও লিখতে পারিনি।

আমি বড় অসহায়। ক্ষমা করো, মিথ্যে আমার ধাঁতে নেই। অতপর আমি নিরবে কথা ঢেলে দেই নীল ডায়রীর পাতায়। তুমি শুধু একটি নীল গ্লাসে পরিপুর্ণ ব্যথার নীল জল ঢেলে দিলে। আমি চুমুকে চুমুকে ব্যথার নীল বিষ খেয়ে বিতৃষ্ণার নীল জলে ডুবে বসে থাকি কি দিন কি রাত। আর তুমি বা তোমার মনে আমার সম্পর্কে শুধু না বোধক প্রশ্ন ঘোরপাক খায় রোজ রোজ। সে আমি তোমার মুখ দেখেই বলে দিতে পারি।
(১১-০১-২০১৭)


এসব আগের লেখা, তখন দুঃখ ছিল কি ছিল না মনে নাই। নীল গ্লাসের ছবিটা তুলে হয়তো সেটা দেখে লিখে ফেলেছিলাম।


সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:৫৭
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেল পাকলে কাকের কী?

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ২৫ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:১৫

বন্ধু বান্ধব বিয়ে করছে। কিন্তু তাদের মনে অনেক দুঃখ। কত আশা ছিল সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করবে অথচ জুটছে মোটা, কালো সব মেয়ে। বর্ণবৈষম্য হয়ে যাচ্ছে মনে হয়। তবে এটা কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্র রাজনিতি বন্ধ করতে হবে। বিশ্বের সভ্য কোন দেশেই ছাত্রদের লাঠিয়াল বাহিনি হিসেবে ব্যবহার করেনা।

লিখেছেন নতুন, ২৫ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:২৭



দেশের ভবিষ্যত নেতা তৌরির কারখানা হিসেবে অনেকেই ছাত্ররাজনিতির দরকার আছে বলে ধারনা করে। কিন্তু বর্তমানে ছাত্ররাজনিতিকদের কাজে বোঝা যায় সময় এসেছে বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার। ছাত্ররা বর্তমানে রাজনিতিক দলের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সত্যিকারের দেশপ্রেম কী?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে মে, ২০২২ দুপুর ১:২৬


বাংলাদেশে দেশপ্রেম বলতে আওয়ামীলীগের ক্ষেত্রে ভিন্ন মতের বিষোদগার করা, মাইকে গলা ফেটে বঙ্গবন্ধু গুনকীর্তন গাওয়া, বঙ্গবন্ধু কন্যার গুনকীর্তন করা, জাতীয় দিবসগুলোত ফুলদিয়ে শ্রদ্ধা করা এবং ভিন্নমতকে রাজাকার, দেশবিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতিচারণঃ নজরুল

লিখেছেন জাদিদ, ২৫ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:১৮


ছবি সুত্রঃ shadow.com

নজরুলের মাহযাবঃ
আমি সাধারনত পাগল, ছাগল এবং আঁতেল এই তিন শ্রেনীর মানুষ দেখলেই সাথে সাথে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু অনেক সময় তা সম্ভব হয় না, নুন্যতম ফরমালিটির... ...বাকিটুকু পড়ুন

এত বড় কবি কেন দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পেলেন না?

লিখেছেন সোনাগাজী, ২৫ শে মে, ২০২২ রাত ১০:৪০



বাংগালীরা পড়তে ও লিখতে জানতেন না, যারা সামান্য লেখাপড়া জানতেন, তাঁদের বড় অংশ ছিলেন দরিদ্র, যাদের সামর্থ ছিলো, তারা বই কিনতো না; এই কারণে, কবির তেমন আয় ছিলো না। তখনকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×