somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

=শুধু ফুলের ছবি=

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ বিকাল ৩:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

০১। =ভেবো না আমি ঝরা ফুল=
আমায় ঝরা ফুল ভেবো না,
আমি সদা সতেজ, সুন্দর;
মুখশ্রীতে হয়তো ঐশ্বরিয়া নই
সুন্দর আমার হৃদয় বন্দর।



০২। =আমি অন্ধকারের ফুল=
জীবন আমার সন্ধ্যায়, আধো আলো ছায়া,
তবুও বুকজুড়ে ধরার জন্য কী মায়া,
তুমি এসো আলো আঁধারীর পথ ভেঙ্গে,
ছুঁয়ে দিয়ো মন, একটুখানি ভালোবাসার
শিহরন পেতে চাই অঙ্গে।



০৩। =আমি পার্পল রং ভালোবাসি=
পার্পল রং শিম ফুল ছুঁয়ে দিই আঙ্গুলে,
আমার স্মৃতিতে হানা দেয় জারুল প্রহর,
ফ্রকে জমাতাম জারুলের পাপড়ি,
পড়ার টেবিলে রেখে মুগ্ধতায় হতাম আচ্ছন্ন;
সেই প্রহরগুলো খুঁজি এখন শিমফুলের পাপড়িতে।



০৪। =রক্ত জবা যেন হৃদয়ের রক্তক্ষরণ=
লাল রং ভয় পাই,যেন হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণ;
আমি চাই না কষ্ট করতে বরণ,
চাই না রক্ত রং ফুল,
ফুল কেন রক্ত রং হলো, ভেবে পাই না কূল



০৫। =বিরহের রং কী বলতো?=
বিরহের রং নাকি নীল?
বেদনায় কি নীল হয়ে যায় দিল;
কী জানি, বিরহ করিনি কখনো অনুভব,
আমি বিরহ পাবো, এ অসম্ভব।



০৬। =মন যদি কখনো ঝরে যায়=
মাটি আঁকড়ে ধরবো, মন হলে বিমর্ষ
আমি ঝরা ফুল হবো, হারাবো তাবৎ হর্ষ
তবুও বলবো না ভালোবাসো আমায়
অভিমান ভেঙ্গে প্রেম তুলে দাও জীবন নামায়।



০৭। =গোলাপের পাপড়ি ঝরে যায় একদিন=
সুন্দর অনুভূতি দিয়ে গোলাপ ঝরে যায় একদিন
গোলাপের জীবনেও নেমে আসে দুর্দিন,
গোলাপের মত মনও ঝরে পড়ে অবহেলায়;
মন ভাসে তখন বিষাদের ভেলায়।



০৮। =কিছু চাই না গোলাপ দিয়ো=
চাই না কিছু, না হিরে হেম
দিতে পারো প্রেম
চাই না কিছু, চাই না মোহনীয় আলাপ
চাই দাও একটা মিষ্টি গোলাপ।



০৯। =মনে বারো মাস বসন্ত=
তোমার মন চৈত্র আমার মন বসন্ত
তুমি চুপচাপ, ফুরফুরে সদা আমার মন তো;
তুমি পাতা আমি ফুল,
আমি প্রজাপতি, তুমি মৌ পোকা, ফুটাতে চাও কথার হুল।



১০। =ফুটা ফুল দেখলেই মন হয় ফুরফুরে=
যদি বিষাদ ছুঁয় তোমায়, তুমি উঠোনে লাগিয়ো ফুল গাছ
যখন ফুল ফুটবে, বিষাদটুকু পালাবে
তুমি হেসে দেবে মুচকি,
ফুলের সাথে তুলতে চাইবে হাসি মাখা মুখ।



১১। =হয়েছি অভিমানি=
মুখ ফিরিয়ে রইলাম
মন দিলাম হাওয়ার কাছে নিলাম;
যদি আমায় চাও, অভিমান ভেঙ্গে ফেলো;
ভালোবাসো, উপহার দাও বেগুরী রং নাকফুল
ভালোবেসে করে দাও এলোমেলো।



১২। =ফুলের গায়ে কী সুন্দর রং=
আল্লাহ্ ফুলের গায়ে দিয়েছে রংবাহারী রং ঢেলে
ফুলের পাশে কী সুন্দর প্রজাপতি উড়ে ডানা মেলে,
আল্লাহর সৃষ্টির সৌন্দর্য উপভোগ করি আর করি কৃতজ্ঞতা স্বীকার;
তিনি মহাক্রমশালী, তিনি দয়াবান, তিনি নিরাকার।



১৩। =ফুলগুলো হলদে আলোয় ছাওয়া=
হলুদ আলো এসে পড়েছিল বুঝি সর্ষে ফুলের বুকে
ফুলগুলো হলুদ তাই,
হলুদ আলো ছড়িয়ে সর্ষে ফুল হাসে
আর মৌপোকারা হয় সুখে পাগল, মধু নেবে লুটে।



১৪। =বিরহ দিয়ো না=
আমি নীলচে অপরাজিত নই, মানুষ
উড়িয়ো না বুক আকাশে বিষাদ রং ফানুস
দিয়ো না আর বিরহ রং লেপ্টে জীবনজুড়ে
তুমি কেন কাছে থেকেও, থেকে যাও দূরে।



১৫। =শিউলি ফুটা ভোরে জেগে উঠো=
ঘুম ভেঙ্গে যায় যদি একদিন
এসো ভোরের গায়ে হাঁটবে বলে,
তোমায় নিয়ে যাবো শিউলি তলায়
যেখানে ঝরে আছে শিউলির দল,
শিউলির মালায় মন সাজিয়ে দেব তোমার।



১৬। =সাদা মনে নীল ছড়িয়ো না=
সাদাসিধে দিল আমার, সেথায় ঢেলো না বিষ
তুমি ঢাললে বিষ, আমি হারাই দিশ;
তার চেয়ে ভালো তুমি বেলী দিয়ো অথবা সাদা অপরাজিতা
ফুল উপহার দিয়ে হতো পারো প্রাণের মিতা।



১৭। =গাঁদা ফুলে বসন্ত বসে আছে=
গাঁদা ফুটলেই দেখি বসন্ত বসে আছে
আমি যাই কাছে
বসন্ত পালায়, মনে ছড়ায় বিষণ্ণতা
নেমে আসে বুকে সুখের দৈন্যতা।



১৮। =জবার রং দেখো=
গোলাপী জবায় ছুঁয়ে দিয়ে দেখি দুলছে সে হাওয়ায়
আহা কী মুগ্ধতা এসে বসে মনের দাওয়ায়;
ভালো লাগে আমার মিহি হাওয়ায় মন ভাসাই,
ফুল আমায় হাসায়, আমিও গল্প বলে তারে হাসাই।



১৯। =গোলাপি জবার মত শাড়ী চাই=
এই বসন্তে গোলাপি রং শাড়ী দিয়ো
শুনছো প্রিয়,
দিয়ো গাঁদার বালা;
সাজিয়ো প্রেমে তোমার মন ডালা।



এক মাথা মোটা গর্দভ আমার পোস্টে সব সময় নেগেটিভ মন্তব্য করে। এবার যদি এমন মন্তব্য করে শায়মা আপুর মত লাত্থি দিয়া বিদায় করমু কইলাম। ধৈর্যের একটা সীমা আছে। তুই বেটা আমার পোস্টে আসিস কা। দাওয়াত দিছি। মন্তব্য বাড়াতে চাইলে আরও পোস্ট আছে সেখানে যা। গাধা কোথাকার।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ বিকাল ৩:০০
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বরাজনীতি চলে স্বার্থের হিসেবে, আমরা চলি অন্ধ আবেগে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২২


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে সহজলভ্য জিনিস হলো বিশ্লেষণ। চাল, ডাল কিংবা তেলের দাম নিয়ে যতই হাহাকার থাকুক, ভূরাজনীতি নিয়ে জ্ঞানের কোনো অভাব নেই। চায়ের দোকানে বসে যিনি নিজের বাসার গ্যাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই ভাল্লাগে না আজ তবু সময় বয়ে যায়

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০৮


কিছুই ভাল্লাগে না আজ
মানুষের মুখে মানুষেরই রক্তের গন্ধ লেগে আছে
শিশুর কান্না আকাশ ছুঁয়েও
কোনো ক্ষমতার প্রাসাদের জানালা কাঁপে না।

বাংলাদেশ জেগে থাকে
গ্যাসের অপ্রতুলতা, দ্রব্যমূল্যের দীর্ঘশ্বাস,
বেকার যুবকের অনিদ্রা,
আর প্রতিদিনের অগণিত অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির পাশে।
সংবাদপত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

লিখেছেন রাজসোহান, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০২



১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×