somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

=কিছু তৃপ্তি দেরীতেও আসে না=

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জানুয়ারী শেষের পথে। নতুন বাড়ীতে একমাস হয়ে গেল। এখনো গুছানো হয়নি। প্রতিদিনের নিয়ম কানুন অনেকটা পাল্টে গেছে। সকালে অফিসে আসার সময় এত তাড়াহুড়া বাপরে বাপ। রেডি হয়েও কাজ করি। ঘর ঝাড়ু দিয়ে আসি। তবুও কাজের শেষ নাই। একটা সংসার যে কত কাজ। মেয়েরা এই বিষয়টা ভালো বুঝে। বাংলাদেশের ছেলেরা মেয়েদের কাজে সাহায্য কম করে। হয়তো কেউ কেউ একটু বেশী করে। কিন্তু বেশীর ভাগই হেল্প করে না। আমি পড়ছি দুই নাম্বারে। মানে এরা মেয়েদের কাজকে হেলা করে। বলে ছেইড়ান্তের কাজ ছেড়াইন্তে করতো ক্যারে। ইগোতে লাগে। তবুও তাসীনের বাপ অনেকটা হেল্প করে। মোটামুটি হেল্প। আমরা যে কাজ করি এসব কাজকে ছেলেরা কাজই মনে করে না। ১২৮০ বর্গফুটের একটা বড় রুম ঝাড়ু দিতে গিয়ে দেখি হাত ব্যথা হয়ে যায়। ডুপ্লেক্স করাতে দুই তলাতে বড় রুম সহ ৬ টা রুম। তাছাড়া রান্নাঘরতো আছেই। রান্নাঘর পরিস্কার করতে গিয়ে প্রতিদিনই ১২টা বেজে যায়। ঘুমোতে যাই সাড়ে বারোটায়। এখনো হেল্পার রাখিনি অগুছালো ঘর বলে। ঘর গুছানো বা পরিস্কার না করলেও কেউ কিছু বলার নাই। কিন্তু নিজের কাছেই খারাপ লাগে, নতুন বাড়ী অপরিস্কার থাকলে।তাই প্রচুর কষ্ট করি রোজ। চাকুরী না থাকলে ধীরে ধীরে সব করা যেতো।

ভোরে উঠি-সাড় পাঁচটায়-রান্না শেষে হাঁটি, হেঁটে এসে আবারও কাজ, ছেলের টিফিন রেডি সহ বেডাদের খানা খাদ্য, নিজের খাওয়া উফ কী যে পেরেশানি সারাটা দিন। আগের মত মোবাইলে বসতে পারি না। অফিসে এসে হাফ ছেড়ে বাঁচি। অফিসটাই যেন রেস্টের জায়গা। ঘুম মাত্র ৫ ঘন্টা হয়। ভোটের মৌসুম রাস্তায় যানজট প্রায়ই লেগে থাকে। কী যে দূর্ভোগ রাস্তাঘাটে অলিগলিতে।

এই কথাগুলো সামিয়া ইতির- আমার মনের কথাও এটা।
”এভাবে একদিন আমরা থামব। রাস্তার ধারে দাঁড়াব একা খুব নিরবে। কথা বলব না, বুঝবো সেদিন; জীবনের সব সুখ খুব গোছানো জায়গায় থাকে না। কিছু সুখ ছড়ানো থাকে। কিছু তৃপ্তি দেরিতে আসে। সেদিন হয়তো নিজের কাছে আর এতটা দুঃখী থাকব না। নিজের পাশেই একটু সুখী হয়ে বসে থাকব।”

আসলে কিছু তৃপ্তি দেরীতে আসে আবার একেবারও আসে না। আমার তৃপ্তি দেরীতেও আসবে না। কারণ আমার পাশে সমমনা কেউ নেই। যার বা যাদের কাছে কারণে অকারণে দরকারী অদরকারী কথা অকপটে বলতে পারবো। আমি অন্যরকম মানুষ। মনে হাজার সুখ ছড়ানো-কিন্তু সুখগুলো গুছিয়ে দেয় না কেউ, গুছিয়ে দেয়ার মত মন নেই এখানে কারো। আমার পাশে যারা আছে তাদের সাথে আমার মেপে মেপে কথা বলতে হয়। একটা কথা বা আবদার নিয়ে তাদের কাছ থেকে দশবার ফেরত আসি-বলবো-নাকি বলবো না; বললে কী হবে- মন খারাপ হবে নিশ্চয় এমন করতে করতে জীবনের ২৫ বছর কেটে গেল। আর সময় হবে না আর সময় আসবে না আমার হয়ে। অনর্গল কথা বলার মত সঙ্গী পাওয়া মুশকিল। যারা কথায় কথায় ভুল ধরে - কথার উত্তর দিলে তর্ক বলে - তাদের সাথে আমার খুব কম কথা হয় অথচ কতটাই আপন লোকগুলো। এর চেয়ে আপন হয়ে কেউ আসার সুযোগ বা সময়ও নেই। এই অতৃপ্তি নিয়েই পরপারে জমাবো পাড়ি। হয়তো বিধাতা আমার জন্য পরপারে কল্যাণকর কিছু রেখেছেন সেই আশায় তাঁকে ডেকে ডেকে, শুদ্ধ থেকে জীবন পথে হেঁটে যাচ্ছি অবিরত।
====================================================================

গাজী সাব আবার আমার নামে পোস্ট দিছে, আর গর্দভটায় মন্তব্য করছে। এই গর্দভের মন্তব্য দেখে মেজাজটা এমন খারাপ হয়। কাছে পাইলে গালে থ্রস থ্রস/ট্রস ট্রস করে দিতে পারলে রাগ মিটতো। আরে বেটা তোর সাতেও নাই পাঁচেও নাই। বুঝছি আমার নাম মনে না করলে বুঝি পেটের ভাত হজম হয় না। লেখা চোর একটা।

গাজী বেডার চুলকানি খুব
ধইরা তারে মলম লাগা
রানু গর্দভ তালে নাচে
মুখে ছিটা গরুর হাগা।

জ্ঞানী ভাবে খুব নিজেকে!
হা হা হাসি যে পায়
ইচ্ছা করে ঠাঠায়ে দিই
কয়েকটা ঘা তাগো চাপায়।

আমার পিছে লাগস ক্যারে
ভাড়া ভাতে ছাই দিসি কী?
তোদের কথায় যায় আসে কি
মুল্য দিই না আনা সিকি!

আপার ভক্ত তোরা বাপু
যা না চলে - ভারত যা গা,
কে রে আছিস তাগো কাছে
চুলকানির বিষ মলম লাগা।

রানু রে তুই গর্দভ ভারি,
মন্দ লোকের পা-টা চাটিস
কর্ম যে নেই তোদের কোনো;
অন্যের জীবন তাইতো ঘাঁটিস!

চুলকানি রোগ রানু+গাজীর,
এ যে বড় বেত্তমিজ রোগ
মলম দিয়ে লাভ হবে কী;
বলো দেহি ও ভাই লোগ?



সরি -লেখার খাতিরে মন্দ বাক্য আর তুই তোকারি ইউজ করছি। মেজাজটা গরম হইছে কিন্তু।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৭
৭টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্ত্রী-সন্তান হারানো সাদ্দামকে ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়ায় হাইকোর্টকে সাধুবাদ জানাই

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৪

স্ত্রী-সন্তান হারানো সাদ্দামকে ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়ায় হাইকোর্টকে সাধুবাদ জানাই

জুয়েল হাসান ওরফে সাদ্দাম, ছবিটি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহীত।

হাইকোর্ট মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের সবচেয়ে যোগ্য ইসলামী নেতা কে?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০০



সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুখ

লিখেছেন সামিয়া, ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৪



আমরা আসলে সবাই অদ্ভুত মানুষ। কারও না কারও চোখে আমরা সুখী একদম গ্রামের বাড়ির উঠোনের ধারে থাকা সেই ছোট শান্ত নীড়ের মতো। কেউ খেয়াল করলে বুঝত আসলে সুখী কিনা, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুষার ঝড়ের ওপর পাল্টা শুল্ক বসানো যাবে না?

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:০২

তুষার ঝড়ের ওপর পাল্টা শুল্ক বসানো যাবে না?



তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছেন। বহু অঞ্চলের রাস্তাঘাট কার্যত অচল। ঘরের ভেতরেও মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু তৃপ্তি দেরীতেও আসে না=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০২

জানুয়ারী শেষের পথে। নতুন বাড়ীতে একমাস হয়ে গেল। এখনো গুছানো হয়নি। প্রতিদিনের নিয়ম কানুন অনেকটা পাল্টে গেছে। সকালে অফিসে আসার সময় এত তাড়াহুড়া বাপরে বাপ। রেডি হয়েও কাজ করি। ঘর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×