আমি রাজনীতিতে বিশ্বাসী কিন্তু রাজনৈতিক দলে নয় অন্তত বাংলাদেশে।আমি ইতিহাসের বেখেয়ালি তবে মনোযোগী ছাত্র।
৭১' এর সাধীনতা সংগ্রাম আমি দেখি নি!বড়ই আশ্চর্যের বিষয় আমার জন্মধাত্রী মাও দেখে নি আর আমার জন্মদাতার বয়স তখন সবে মাত্র সাত।যাইহোক,জন্মের পরের দিন থেকেই জেনে আসছি শেখ মজিবুর রহমান বাংলাদেশের ঘোষক এবং একমাত্র তাঁর ঘোষনা কিংবা আদেশের কারনেই এ দেশের আপামর জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।এবং এই কথাটা সেই কবে থেকে প্রাথমিক,মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিহ্মাস্তরের পাঠ্যপুস্তকে পঠিত হয়ে আসছে?
মজার বিষয়,তারেক ভাই হয়তো এগুলো পড়েন নি কিংবা লাস্ট বেঞ্চের সেই গাঁজা খাওরা ছাত্র ছিলেন(ব্রিলিয়ান্টের আভাস তার কথাবার্তায় পাওয়া যায় না)
ইতিহাসের কথায় আসি,একাত্তরের পূর্ববর্তি পূর্ব পাকিস্তানে আপামর মানুষের নেতা ছিলেন শেখ মজিবুর রহমান।তিনি এতটাই জনপ্রিয় ছিলেন যে তাঁর জনপ্রিয়তায় অনেকটা আড়াল হয়ে গিয়েছিলেন প্রগতিশীল প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
গ্রাম বাংলার সমস্ত মানুষ মজিব বলে অঙ্গান ছিলেন।তিনি ব্যাতিরকে আর কাওকেই তাদের আস্থা অর্জন করতে পারেন নি।
ইতিহাসের প্রশ্ন থেকেই যায়,মজিব স্বায়ত্ত শাসন ছিলেন,স্বাধীনতা না?
কথাটা একেবারে ভুল না হলেও সত্যের ছিটেফোটাও নেই।কেন নেই?
-বঙ্গবন্ধুর চাওয়া ছিল দেশের মানুষের প্রাপ্য অধিকার।দেশের স্বাধীনা ছাড়াও তাও সম্ভব ছিল
স্বাধীনতার ঘোষনা ৭ই মার্চ দেওয়া হল না কেন?
-৭ই মার্চ যদি স্বাধীনতার প্রত্যহ্ম ঘোষনা দেওয়া হত তবে তা রাষ্ট্রদ্রোহীতার আওতায় পড়ত এবং এই সুযোগটির সদ্য ব্যবহার করত পাকিস্তানি নরখাদক পিশাচরা।বিশ্ববাসীর নজর চলে যেত অন্য দিকে.....
(যদিও সেটা বোঝার সহ্মমতা এইট পাশ কোন মহিলা কিংবা গাঁজা খাওরা কোন ছাত্রর নেই)।তবে এত সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্যেও তিনি দ্ব্যার্থহীন কন্ঠে ওইদিন যা বলেছিলেন তা স্বাধীনতার ঘোষনা থেকেও অনেক বেশি।
স্বাধীনতার প্রত্যহ্ম ঘোষনার পরও তিনি কেন আলোচনা করেছিলেন?
-শেখ মজিব ছিলেন একজন দূরদর্শী ব্যাক্তিত্বের অধিকারী প্রাণবন্ত মানুষ।তিনি বুঝেছিলেন যদি যুদ্ধ হয় তবে দেশের অনেক মানুষ প্রাণ হারাবে।রক্তের পদ্মা বয়ে যাবে।তার থেকে যদি আপোসে সমাধান করা যায়!(ঐ)
যুদ্ধের ঘোষনাপত্র পাঠ জিয়া কেন করেছিলেন?
-যখন ২৫শে মার্চ কালরাতে শেখ মজিব যখন গ্রেফতার হন তার আগেই নূরুল হক নামক এক নামকরা ইন্জিনিয়ারের তৈরী ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষিত হয়।কিন্তু ২৬শে মার্চ আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারকদের আলোচনায় স্বাধীনতা ঘোষনা পাঠের প্রয়োজনীয়তা উন্মোচিত হয়।তখন তাঁরা এমন একজনকে খুঁজছিলেন যার গ্রহণযোগ্যতা আছে।এহ্মেত্রে সেনাবাহিনীর কোন উচ্চপদস্থ জনপ্রিয় কর্মকর্তার দৃষ্টিগোচর হয় আর তিনিই হলেন মেজর জিয়া।যিনি কিনা ২৫শে মার্চ রাতেও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হয়ে অস্ত্র খালাস করেন।(যা ওইদিন বাঙ্গালী নিধনে ব্যবহৃত হয়)
{শেষোক্ত প্যারার রেফারেন্স:আমিরুক হক চৌধুর,সংবিধান লেখক।লেট এডিশন,এসএ টিভি}
ঐতিহাসিক সত্য বিকৃতি করা আইনত অপরাধ।রাষ্ট্র এর যথাযথ ব্যবস্থা নিবে।
ফাইনালি,তারেক ওস্তাদ ইজ গ্রেট।মিথ্যার দলিলও তিনি সাথে রাখেন :-পি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




