somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মহাবিশ্বের কাছে মানুষ, মানুষের কাছে ঈশ্বর !

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



observable universe picture



আমরা মহাবিশ্বের যে অংশটুকু পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছি, বিজ্ঞানীরা তার নাম দিয়েছেন Observable Universe বা পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব।
এই পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের ব্যাস প্রায় ৯২ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ২০০ কোটি আলোকবর্ষ। অর্থাৎ, আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লাখ কিলোমিটার গতিতে চললেও এর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছাতে প্রায় ৯ হাজার ২০০ কোটি বছর লাগবে, যদি আমরা বর্তমান দূরত্বকে স্থির ধরে হিসাব করি।

আর আমরা যে অংশটুকু দেখতে পাচ্ছি, সেটিই সম্পূর্ণ মহাবিশ্ব নয়। এর বাইরেও মহাবিশ্ব বিস্তৃত আছে । সম্পূর্ণ মহাবিশ্ব কত বড়, এর কোনো সীমানা আছে কি না, এমনকি এটি সসীম নাকি অসীম—এসব প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর আজও বিজ্ঞানীদের কাছে নেই।
অর্থাৎ, আমরা এমন এক মহাবিশ্বের বাসিন্দা, যার প্রকৃত আকার সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান এখনো অসম্পূর্ণ।

২০১৬ সালের একটি গবেষণায় অনুমান করা হয়েছিল, আমাদের পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন বা ২ লাখ কোটি গ্যালাক্সি থাকতে পারে।
এবার কল্পনা করুন, ২ লাখ কোটি গ্যালাক্সি!
প্রতিটি গ্যালাক্সিতে রয়েছে অসংখ্য নক্ষত্র। অনেক নক্ষত্রের চারপাশে রয়েছে গ্রহ, উপগ্রহ এবং অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তু।
আমাদের নিজেদের গ্যালাক্সির নাম মিল্কিওয়ে (Milky Way) বা আকাশগঙ্গা।
আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতেই আনুমানিক ১০০ থেকে ৪০০ বিলিয়ন, অর্থাৎ ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার কোটি নক্ষত্র রয়েছে।
আমাদের সূর্য সেই অসংখ্য নক্ষত্রের মধ্যে একটি মাত্র।
সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীসহ আটটি গ্রহ এবং অসংখ্য ছোট মহাজাগতিক বস্তু নিয়ে গঠিত আমাদের সৌরজগৎ।
এবার একটু চিন্তা করুন।
আমাদের একটি মাত্র গ্যালাক্সিতে যদি ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার কোটি নক্ষত্র থাকে, তাহলে পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের সম্ভাব্য ২ লাখ কোটি গ্যালাক্সিতে মোট কত নক্ষত্র থাকতে পারে?
মহাবিশ্বের নক্ষত্র ও গ্রহের সম্ভাব্য সংখ্যা আমাদের দৈনন্দিন কল্পনার সীমাকে অতিক্রম করে যায়।
আর এতক্ষণ আমরা কেবল পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের কথাই বলছি।
সম্পূর্ণ মহাবিশ্বের কথা তো এখনো শুরুই করিনি!

আমাদের পৃথিবী মহাবিশ্বের তুলনায় কতটা ক্ষুদ্র, তা বোঝার জন্য একটি উদাহরণ দেওয়া যাক।
আপনি যদি পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের একটি মানচিত্র তৈরি করেন এবং সেখানে আমাদের পৃথিবীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন, তাহলে পৃথিবীকে একটি দৃশ্যমান বিন্দু হিসেবে দেখানোর মতো জায়গাও সম্ভবত থাকবে না।
এমনকি সেই মানচিত্রে আমাদের সম্পূর্ণ সৌরজগৎও প্রায় অদৃশ্য হয়ে যাবে।
১৯৯০ সালে পৃথিবী থেকে প্রায় ৬ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ভয়েজার ১ মহাকাশযান পৃথিবীর একটি ছবি তুলেছিল।
সেই ছবিতে পৃথিবীকে দেখা যায় সূর্যালোকের মধ্যে একটি ক্ষুদ্র আলোকবিন্দু হিসেবে।
ছবিটির নাম দেওয়া হয় Pale Blue Dot।

সেই ক্ষুদ্র বিন্দুর মধ্যেই আমাদের সমস্ত ইতিহাস।
আমাদের সমস্ত সভ্যতা, সমস্ত যুদ্ধ, সমস্ত ভালোবাসা, সমস্ত ধর্ম, সমস্ত রাজত্ব, সমস্ত অহংকার এবং সমস্ত অর্জন।
আলেকজান্ডার থেকে চেঙ্গিস খান, রোমান সাম্রাজ্য থেকে আধুনিক পরাশক্তি—সবাই এই ক্ষুদ্র বিন্দুটির মধ্যেই নিজেদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে।
এই বিন্দুতেই মানুষ জন্মেছে, যুদ্ধ করেছে, ভালোবেসেছে এবং মৃত্যুবরণ করেছে।
অথচ মহাবিশ্বের কাছে আমাদের সমস্ত ইতিহাস যেন একটি মুহূর্তেরও কম।

এবার একটি কাল্পনিক হিসাব করা যাক।
ধরে নিই, পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের প্রতিটি গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর মতো অন্তত একটি করে বাসযোগ্য গ্রহ রয়েছে।
তাহলে ২ লাখ কোটি গ্যালাক্সিতে সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ লাখ কোটি।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বিশাল মহাবিশ্বে কেবল পৃথিবীতেই প্রাণের উদ্ভব হয়েছে—এমনটি আমরা কতটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি?
পৃথিবীর মতো আরও হাজার হাজার কিংবা কোটি কোটি গ্রহ আছে , তাহলে সেখানে কি প্রাণের উদ্ভব হওয়া অসম্ভব?
সেখানে কি আমাদের মতো বুদ্ধিমান কোনো প্রাণী থাকতে পারে না?
তাদেরও কি নিজস্ব সভ্যতা, ইতিহাস, দর্শন কিংবা ধর্ম থাকতে পারে না?
হয়তো মহাবিশ্বের কোনো এক প্রান্তে আমাদের চেয়েও উন্নত কোনো সভ্যতা রয়েছে।
হয়তো তারাও রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে আমাদের মতোই প্রশ্ন করছে—
এই মহাবিশ্ব কে সৃষ্টি করেছে?
আমরা কোথা থেকে এসেছি?
আমাদের অস্তিত্বের উদ্দেশ্য কী?
আর আমরা কি এই মহাবিশ্বে একা?

এত বিশাল মহাবিশ্বের তুলনায় আমাদের পৃথিবী প্রায় অস্তিত্বহীন একটি বিন্দু।
অথচ এই ক্ষুদ্র পৃথিবীর মানুষ নিজেদের কতটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করে!
আমরা এক টুকরো জমির জন্য যুদ্ধ করি।
ক্ষমতার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করি।
অর্থ, সম্পদ, লোভ এবং আধিপত্যের জন্য একে অপরকে ধ্বংস করি।
কেউ নিজের জাতিকে শ্রেষ্ঠ মনে করে, কেউ নিজের দেশকে, আবার কেউ নিজের ধর্মকে।
আমরা পৃথিবীকে শত শত রাষ্ট্রে বিভক্ত করেছি। একেছি মানচিত্র।
তারপর সেই মানচিত্রের জন্য মানুষ হত্যা করেছি।
একই পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া দুটি শিশু, যাদের কেউই জন্মের সময় কোনো রাষ্ট্র, ধর্ম কিংবা জাতীয়তার ধারণা নিয়ে আসেনি, বড় হয়ে একদিন একে অপরের শত্রুতে পরিণত হয়।
শুধু এই কারণে যে তাদের জন্ম দুটি ভিন্ন ভূখণ্ডে কিংবা দুটি ভিন্ন ধর্মীয় পরিবারে।
অথচ মহাবিশ্বের বিশালতার তুলনায় তাদের মধ্যকার দূরত্ব প্রায় কিছুই নয়।
যে পৃথিবীর সামান্য একটি অংশের মালিকানা নিয়ে আমরা যুদ্ধ করি, সেই সম্পূর্ণ পৃথিবীই মহাবিশ্বের তুলনায় অতি ক্ষুদ্র।
তাহলে আমাদের এই অহংকারের ভিত্তি কোথায়?

মানুষের ইতিহাসে ধর্ম একদিকে ভালোবাসা, নৈতিকতা, মানবতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছে। অন্যদিকে ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং ধর্মীয় শ্রেষ্ঠত্বের দাবিকে কেন্দ্র করে অসংখ্য সংঘাতও সংঘটিত হয়েছে।
মানুষ নিজের ধর্মকে সত্য মনে করতেই পারে।
কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয়, যখন একজন মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে তার নিজের ধর্মের সত্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য অন্য একজন মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেওয়া বৈধ।
কেউ ঈশ্বরের নামে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
কেউ ধর্ম রক্ষার নামে নিরপরাধ মানুষ হত্যা করে।
কেউ বিশ্বাস করে, নিজের ধর্মের জন্য অন্য মানুষকে হত্যা করলে মৃত্যুর পর সে পুরস্কৃত হবে।
এমনকি কেউ কেউ মনে করে, তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার জন্য অন্য মানুষের জীবন উৎসর্গ করা ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্যের নিদর্শন।
অথচ এই মানুষগুলোর কেউই জানে না, মহাবিশ্বের অন্য কোথাও তাদের মতো আরও কোনো সভ্যতা রয়েছে কি না।
তারা জানে না, তাদের নিজেদের গ্যালাক্সির বাইরে কত ধরনের প্রাণের অস্তিত্ব সম্ভব।
তারা জানে না, সম্পূর্ণ মহাবিশ্বের আকার কত বড়।
তবুও তারা দাবি করে, মহাবিশ্বের স্রষ্টার ইচ্ছা সম্পর্কে তারাই চূড়ান্ত সত্য জানে।

এখানেই আমার প্রশ্ন।
যদি সত্যিই একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর থেকে থাকেন, যিনি এই বিশাল মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তাহলে তাঁর কাছে মানুষের তৈরি এই ক্ষুদ্র ভূখণ্ড, জাতিগত বিভাজন এবং ধর্মীয় পরিচয়ের গুরুত্ব কতটুকু?
যিনি কোটি কোটি গ্যালাক্সি সৃষ্টি করতে পারেন, তিনি কি সত্যিই চান, তাঁর সৃষ্টি মানুষ নিজেদের বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার জন্য একে অপরকে হত্যা করুক?

এবার আরেকটু গভীরে চিন্তা করা যাক।
পৃথিবীতে হাজার হাজার ধর্ম ও ধর্মীয় সম্প্রদায় রয়েছে।
প্রতিটি ধর্মের রয়েছে নিজস্ব বিশ্বাস, ইতিহাস, আচার এবং মহাবিশ্ব ও মানুষের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিজস্ব ব্যাখ্যা।
অনেক ধর্মের অনুসারী বিশ্বাস করেন, তাঁদের ধর্মই চূড়ান্ত সত্য।
কেউ বিশ্বাস করেন, মৃত্যুর পর বিচার দিবস আসবে।
কেউ বিশ্বাস করেন, মানুষের কর্ম অনুযায়ী স্বর্গ কিংবা নরক নির্ধারিত হবে।
আবার কেউ বিশ্বাস করেন, জন্ম ও মৃত্যুর চক্রের মধ্য দিয়ে আত্মার যাত্রা অব্যাহত থাকে।

এবার কল্পনা করুন, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বাইরে কোনো একটি গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ রয়েছে।
সেই গ্রহে রয়েছে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণী।
তাদেরও রয়েছে নিজস্ব সভ্যতা, ভাষা, সংস্কৃতি এবং নৈতিকতা।
তাহলে তাদের জন্যও কি রয়েছে আলাদা ধর্ম?
তাদের কাছেও কি পাঠানো হয়েছে কোনো নবী কিংবা ধর্মীয় পথপ্রদর্শক?
তাদেরও কি রয়েছে নিজস্ব পবিত্র গ্রন্থ?
তাদের মৃত্যুর পরও কি বিচার দিবস অনুষ্ঠিত হবে?
তাদের জন্যও কি তৈরি করা হয়েছে স্বর্গ ও নরক?
নাকি ধর্ম, স্বর্গ ও নরক সম্পর্কে আমাদের প্রচলিত ধারণাগুলো মূলত পৃথিবীকেন্দ্রিক?
আমরা কি সত্যিই মহাবিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি, নাকি নিজেদের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা নিজেরাই একটি বিশাল কল্পনা তৈরি করেছি?
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা কি রাজধানী ঢাকাকে মেরে ফেলছি ?

লিখেছেন এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৯

ঢাকাকে সব কিছুর কেন্দ্র বানিয়ে ঢাকার মাথায় আমরা যে দুর্বহ বোঝা তুলে দিচ্ছি তার ভার কি ঢাকা বইতে পারবে? আমরা যদি খুব চেনা কিছু দেশের দিকে তাকাই তাহলে দেখবো রাজধানী... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোয়াইট হাউজে বঙ্গবন্ধু - "I want to survive"

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২৬




জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শেষ করে অক্টোবরের ১ তারিখে ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজে এলেন বঙ্গবন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশে তরুন সমাজের মাঝে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার : অশনী সংকেত

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৫১


২০২৬ সালের ২৫ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ অবৈধ মাদক গ্রহণে আসক্ত/জড়িত, এবং এই সংখ্যা একটি গবেষণার
ভিত্তিতে উল্লেখ করেন। তিনি নতুন synthetic ও semi-synthetic... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির মূল্যায়নে বঙ্গবন্ধু কিংবা আওয়ামিলীগের অবদান শূণ্য। মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অবদান জামাতের॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৬



বিএনপি করার পূর্ব শর্ত কি? ইতিহাস বিচারে দেখা যায়, পার্ক মার্কিন প্রেসক্রিপশনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মিথ্যুক হতে হবে। আর সাথে রাজাকার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড হলে তো কথাই নাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২১

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?



জাতিসংঘে বিশ্বের সকল দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান হয়ে গেল ।
সেখানে শাসক, স্বৈর-শাসক ও গনতন্ত্রর বক্ততারা এক হয়েছিলেন । কিন্ত কোন ভালো সিদ্বান্ত
নিতে পেরেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×