বিচিত্র এই পৃথিবী আরও বিচিত্র এই ঢাকা শহর। প্রতিদিন জীবনের তাগিদে আমরা ছুটে বেড়াই, অক্লান্ত পরিশ্রম করি। ঢাকা শহরে সবসময় জ্যাম থাকেই, জ্যামে আটাকানো এখন বাধ্যতামুলক বিষয়বস্তু হয়ে যাচ্ছে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে। প্রতিদিন ভীর ঠেলে বাসে ওঠা কিংবা ট্রেনে চড়া, এগুলো এখন জীবনের অংশ হয়ে যাচ্ছে আমরা যারা ব্যস্ত, চাকুরীজীবি নাগরিক আছি সবার। এর মাঝে প্রতিনিয়ত অনেক মজার আবার খুব দুখের ঘটানাও ঘটে। ভীর ঠেলে বাসে বা ট্রেনে উঠতে গেলে দেখা যায় কারো শরীরে ধাক্কা লাগে কিংবা বেশির ভাগ সময় পায়ের উপর পায়ের খাড়া চাপ পরেই হরহামেশাই, এ নিয়ে অনেক সময় বাতবিতন্ডা হয়ই। এরকম ঘটনা আমার সাথেও ঘটেছে বহুবার, একবার আমার পায়ের কোনার আঙ্গুলের নখ ভেঙে গিয়েছিল। মিথ্যা বলবনা আমার প্রচন্ড রাগ উঠেছিলো সেদিন, লোক টা সরি বলে খুব দুঃখ প্রকাশ করেছিল তাই আর কোন প্রতিক্রিয়া দেখাইনি। তবে দেশে অনেক মানুষ এই সব পরিস্থিতে অনেক রাগারাগি সহ খুবই অভদ্রতা দেখায়। আমি সহ আরও অনেকে ট্রেনে চড়ে অফিসে যাই। এখানেও ওই একই অবস্থা হয়; তবে এখানে কিছু লোক আছে যারা এইসব বিষয় মাথায় নেয় না। তারা খুবই হেল্পফুল, তারা একদম সাফ বলে দেয় ভাই মানিয়ে নিন সবাই এখানে চাকুরীজীবি, সবারই সময়মত অফিসে যেতে হবে। আর এখন বর্তমান সময়ে ঢাকা শহরে জ্যামের আধিক্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে তিনগুন। যানবাহনে চলাফেরা করাটা খুব কষ্টকর। ঢাকার রাস্তাঘাট আর জ্যামের অবস্থা খুবই ভয়াবহ। ভয়াবহ শব্দটা কেমন যেন সয়ে যাচ্ছে সবার শরীরে। আমাদের এইসকল বিষয় গুলো প্রতিনিয়ত সহ্য করতে করতে কেমন যেন একটা অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে।
ঢাকা শহরের জ্যামের কথা নতুন করে বলার মত কিছু নেই। এমন রাস্তা বা সড়ক নেই যেখানে জ্যাম না বাধে। এমন কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রির কার্যালয়ের সামনেও ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে আটকে থাকতে হয়। কোন ফ্লাইওভারও এখন আর কাজে দেয় না, কারন ফ্লাইওভারেও যানযট দেখা যায়। এভাবে জীবন থেকে অনেক সময় কেটে যাচ্ছে অনর্থক।
তারপরও আমরা ছুটে চলি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে, যে যেভাবে পারি যত দ্রুত সম্ভব। কি করার আছে আর সবারই তো দায়বদ্ধতা আছেই।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



