চারদিকে দেখো কেমন আঁধার,
পাওয়া যায়না কোনো ছন্দের ঝনকার,
হৃদয় অনলে পুড়ছে দেহ আমার,
হাত দুটি মোর করছে সকলকে,
হুশিয়ার!
শুনেছি এখন নাকি, বিবেকের গ্লানি,
হয়ে গেছে মরিচিকা,
কান্নার নাম হয়েছে ছলনা।
এখন নাকি কারো মনে থাকেনা,
কোনো সুপ্ত বাসনা।
আত্মগ্লানির অনলে পুড়িলে নাকি,
এখন বলা হয় তাকে পাগল,
নীতি কথা তা-কে মারো গুলি,
এমন মন্তব্য ও কাউকে করিতে শুনি!
মোর সমাজের যখন এমন ই অবস্থা,
তখন মোর কবিতা,
হাসি পায় মোর, "সে তো বস্তা পঁচা কাগজের দিস্তা"।
বলিতে শুনিতাম, "শিক্ষা মানুষকে নাকি মানুষের মতো মানুষ করে।"
ভেবে দেখুন তো?
এ সমাজে কি এখন এ কথাও চলে!
মরিতে দেখিছি কতো দরিদ্র কে,
বিনা চিকিৎসায়,
কারন?
হয়তো বা ডাক্তার বাবুর পকেট ভরে নাই,
তাদের দেয়া পয়সায়।
কতো সেতু হচ্ছে দোদুল্যমান,
ইন্জ্ঞিনিয়ার বাবুরা এ করেই কুড়াচ্ছেন,
কতো না কতো সম্মান!
জোটেনা পেটে দু মুঠো দানা,
মোর দেশের দরিদ্র জনতার,
নেতা-জিদের বাসার কুকুরের খাবারে-ও,
পাওয়া যায় আভিজাত্যের ঝনকার।
পথের পাঁচালী কে জানি লিখেছিলেন,
পড়ছে না নাম মনে,
ভালোই হয়েছে চলে গেছেন সে,
এসব দেখার অনেক আগে।
শুনেছি দুর্ভিক্ষ হলে নাকি,
মানুষ খেতে পায়না।
এখন দেখছি মোর দেশে তো,
দুর্ভিক্ষের ও দরকার হয়না।
ক্ষুদার্ত হায়নায় ভরে গিয়েছে দেশ,
করে তারা আহাজারি,
এখনো তাদের পকেট হলোনা কানো,
আরো আরো অনেক ভারি।
হায়রে সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ!
দীর্ঘশ্বাস এ কথা, আমাকে আবারো বলতে হ্য়,
শিক্ষা নিয়ে টাকা নয়,
মানুষের মতো মানুষ সকলকেই হতে হ্য়।
দিয়ান মাহমুদ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


