somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

laissez fair  অর্থনীতি কি আমাদের জন্য বিপদ?

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাজারে আপনি কত রকমের চিপস্ দেখেন? কমছে কম একশো রকম চিপস আছে বাজারে। চকলেট আছে কত রকমের, তা দু’শো পদের কম না। পানীয় আছে তাও একশো রকমের কম না।
এটা উদাহরণ মাত্র, এরমক অনেক কিছুর কথা বলা যায় । এইগুলো না থাকলে আপনার আনন্দ বিনোদনে কোন ঘাটতি হত বলে কি আপনি মনে করেন? হত না। এগুলো মূলত বিজ্ঞাপন নির্ভর পণ্য। মূল খরচটা হয় এখানে বিজ্ঞাপনে এবং প্যাকিংএ। শিশু হোক আর আমরা হই, কিনছিও ঐ বিজ্ঞাপন দেখে দেখে। এতে অর্থনীতির কোন উপকার হয় না নিশ্চয়ই, ক্ষতি হয় নিশ্চিত, তবে ক্ষতিটা ঠিক কিভাবে হয় তা বোঝার জন্য আরেকটু চিন্তা ভাবনা করতে হবে।
অবশ্য, একটা উপকারী দিক খুঁজে পাওয়া যায়। এত এত মিডিয়ার উত্থানের পিছনে এইসব পণ্যের ভূমিকা আছে। মিডিয়া বাড়লে দিনশেষে সমাজের কিছু লাভ হয়।
তবে ক্ষতির পরিমাণটা খুব বেশি বলেই মনে হয়। প্রচুর আবর্জনা তৈরি হচ্ছে, অহেতুক লেনদেনে ট্রানজেকশন জ্যাম তৈরি হচ্ছে, আয়-ব্যয়ে সময় নষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া এসব পণ্যে স্বাস্থ্যগত ক্ষতির বিষয় তো আছেই।
বিষয়টা এভাবে আরেকটু ব্যাখ্যা করা যায়-
ধরা যাক কারো মাসিক উপার্জন ১০,০০০ টাকা। এখন মাসে পাঁচশো টাকা যদি বিজ্ঞাপনের ধাক্কায় এসব পণ্য কিনে খরচ হয়, তাহলে এখানে তার তিন ধরনের ক্ষতি হয়।
১। টাকা নষ্ট হল, যে টাকাটা তাকে আয় করেই প্রয়োজনী য়জায়গায় খরচ করতে হবে, ফলে তার ঝুঁকি বাড়ল। অথবা প্রয়োজনীয় জায়গায় তার ঘটতি তৈরি হবে। এটা তার অজান্তেও হতে পারে। 
২। পণ্যটা কিনতে তার কিছু সময় নষ্ট হল।
৩। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বাড়ল, এবং এখানে অহেতুক কিছু মানুসিক চাপ তৈরি হল।
অথচ এসব জিনিস না থাকলেও তার আনন্দ বিনোদনে ঘাটতি হত না, বরং চমৎকার উপায় খুঁজে বের করত, আর বিকল্প তো আছেই ।
বলতে চাচ্ছি-
সরকারের উচিৎ এক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা। কেউ একটা চিপসের বা সুগন্ধীর ফ্যাক্টরি খোলার জন্য লাইসেন্স চাইল সঙ্গে সঙ্গে সরকার দিয়ে দিল। তাতো হয় না। যেহেতু বাংলাদেশও laissez fair  অর্থনীতিক নীতিতে চলছে, তাই চাইলেও সরকার এক্ষেত্রে খুব বেশি কড়াকড়ি করতে পারবে না, তবে ট্যাক্স বাড়িয়ে নিরুৎসাহিত করতে পারে নিশ্চয়ই । এক প্যাকেট চিপসের দাম যদি ৩০ টাকা হয়, তখন অনেকেই কিনবে না। যারা অঢেল টাকা আছে বলে কিনবে, তার পকেট থেকে অন্তত ২০টাকা জমা হবে সরকারের কোষাগারে, যে টাকাটা কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা যায়। তাতে একটা ব্যালেন্স হয়। 
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:০৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি কে? রাজাকার!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০১



ভারতে দেশপ্রেমের সজ্ঞা কী? ভারতে একজন কট্টরপন্থীর দেশপ্রেম হলো প্রথমত পাকিস্তান বিরোধী হতেই হবে। দ্বিতীয়ত মুসলিম বিরোধী হতেই হবে। এই দুই ছাড়া কোনভাবেই সে ভারতকে ধারণ করেনা এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে আগামীকাল ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৮


আগামীকাল অপপ্রচারকারীদের খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে। গ্যাস আর বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারকে কাবু করার দিন ফুরিয়ে এসেছে। 'কাছিমের মতো গর্ত থেকে বের হয়ে' যারা এতদিন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×