১. কাছে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর পেপার কাটিং ছাড়া আর কোন তথ্য নেই বলে সরকারি সূত্র স্বীকার করেছে ।এর আগে একই বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র শীল বলেছিলেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের ভারতীয় পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বা তার মন্ত্রণালয়ের কাছে কোন তথ্য নেই।তিনি এও বলেছিলেন, বাঁধ নির্মাণ হয়ে গেলে বাংলাদেশ ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ভারতের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইবে
২. তবে এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে কোন ব্যাখ্যা না দেয়ায় মন্ত্রির বক্তব্যকেই সরকারের নীতি-অবস্থানের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে
৩. সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শিবশংকর মেননের বাংলাদেশে রহস্যজনক ঝটিকা সফরের সময় তিনি বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদলকে টিপাইমুখ বাঁধ দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বলে যে খবর বেরিয়েছে, তার সত্যাসত্য নিরূপণ করাও সম্ভব হয়নি
৪. অর্থাৎ ভারত যদি সত্যি সত্যি টিপাইমুখ বাঁধ দেখার কোন আমন্ত্রণ বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে থাকে, তাহলে এতেই প্রমাণ হয় যে, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি সর্বৈব সত্যি
৫. বাংলাদেশের অজ্ঞতা প্রদর্শন ও প্রতিবাদ না করে নিষ্ক্রিয় বসে থাকাকে জাতিদ্রোহিতার তুল্য অপরাধ হিসেবেই চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে
৬. টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে ভারতের খোদ মনিপুর ও আসাম রাজ্যের ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীও যেখানে প্রতিবাদ করেছে, সেখানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ন্যূনতম প্রতিবাদও না করায় ভারত বিনা বাঁধায় একতরফাভাবে বাঁধ নির্মাণের কাজ শেষ করবে
৭. সরকার স্বেচ্ছায় বাংলাদেশকে ভারতের পানি আগ্রাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।
৮. এক্ষেত্রে সরকারের পানি নীতিটাই ভারতের পানি আগ্রাসনের দাবি ষোলআনা মিটাবে।
৯. বাংলাদেশের সুরমা-কুশিয়ারা ও মেঘনার ধারা মরে যাবে।গোটা সিলেট অঞ্চলে নেমে আসবে প্রাকৃতিক মহাবিপর্যয় ।
১০. তবে সরকার এ ধরনের জাতীয় ইস্যুতে জনগণের প্রতিবাদের মধ্যে রাজনীতির গন্ধ শুঁকতে শুরু করেছে। অর্থাৎ টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে দেশব্যাপী রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো যেসব কর্মসূচি নেবার কথা ভাবছে, সরকার তাকে দেশের রাজনৈতিক স্থিতি বিনষ্ট, বন্ধু দেশের সাথে সম্পর্ক খারাপ করে তোলা এবং সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেছে ।
১১. বাংলাদেশের সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত থেকে এর দূরত্ব ১শ' কিলোমিটার। মাত্র ১৫০০শ' মেগাওয়াট পানি বিদ্যুৎ তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের কথা বলা হলেও এর পেছনে বাংলাদেশকে পানিশূন্য করে ?ভাতে-পানিতে মারবে' ভারতীয় ব্রাহ্মণ্যবাদী আগ্রাসনের লক্ষ্য পূরণ করাই টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের পেছনে রূঢ় সত্যি বলে অনেকে মনে করেন ।
১২. ১৯৪৭ সালে সিলেটের জনগণ গণভোট করে পাকিস্তানে যোগদান করায় ওপাড়ের চাণক্য পন্ডিতদের মাঝে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, টিপাইমুখ বাঁধ তারই প্রতিশোধ কিনা, তেমন প্রশ্নও উঠেছে ।
১৩. টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন হলে বাংলাদেশের সুরমা-কুশিয়ারা-পুরাতন ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনা অববাহিকা যে সভ্যতা ও জীববৈচিত্র্য গড়ে তুলেছে, তা ধ্বংস হয়ে যাবে।
১৪. ভারতের কাছে এর প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতিকার চাইবে কি না, এ ধরনের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য আরও হতাশাজনক ।তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই।টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারের এই বিস্ময়কর এবং ক্ষমাহীন নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
বিস্তারিত পড়ার জন্য : Click This Link
Re-Post---টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা ।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
এরা কারা, কী এদের পরিচয়?

যা আশঙ্কা করা হয়েছিল, ঠিক তাই ঘটছে। ‘আজাদ পার্টি’ নামের একটি নতুন ভূঁইফোড় রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে গতকাল ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে যে মিছিল এবং ঘেরাও কর্মসূচি করা হলো, তা কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন
কেউ পুড়বে আর কেউ পোড়াবে!
অনেকদিন নিশ্চুপ আছি কিছুদিনের অপেক্ষায়;
কেউ কেউ বলে কিছুদিন নাকি হারিয়ে গেছে,
অনেকদিনের গর্ভে তাই মেলাতে সরল গণিত।
কিছুদিনের অপেক্ষায় অপেক্ষায়-
ছেটে দিয়েছি কথামালার ডালপালা।
বসে বসে মেলাই কাণ্ডহীন বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন
৫০১ নাম্বার রুম কি বিজয় নাকি লাম্পট্যর সাক্ষী।

মাওলানা মামুনুল হক নামের হেফাজত ইসলামের এক নেতা তার ফেসবুক ওয়ালে দীর্ঘ একটি পোস্ট লিখেছেন। তার এই পোস্টটি এক অদ্ভুত রসাত্মক ট্র্যাজেডি।
লেখাটি পড়লে মনে হয়, তিনি... ...বাকিটুকু পড়ুন
Good governance starts with respecting public money....

Good governance starts with respecting public money....
গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, ভালোবাসাই যথেষ্ট

চীনের লিংশান পর্বতে শুয়ে আছেন ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর দুই সাহাবী সা-কে-জু (Sa-Ke-Zu) এবং
উউ-কো-শুন (Wu-Ko-Shun)। এই নামেই তাঁদের চিনতো স্থানীয় চীনবাসীরা। অবাক হতে হয়, আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।