
আমাদের দেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে নারী শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে অনেক দিন ধরে । যাওয়ার জন্য অভাবী,বঞ্চিত নারীদের আগ্রহ ও অনেক । তাদের আশা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে ভাল বেতন পাওয়ার মাধ্যমে সংসারে সচ্ছলতা ফিরানো আর দেশের কর্তাব্যক্তিদের আশা বিদেশে নারীদের কর্মসংস্হানের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব হ্রাস্ব এবং বিদেশ থেকে রেমিটেন্স আনা । উভয়ের কেউ ই জানে না অল্প কিংবা অর্ধশিক্ষিত নারী শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানোর করুন এবং ভয়ানক অবস্হা ।
সম্প্রতি ফিলিপাইন এবং ইন্দোনিশিয়া তাদের নারী শ্রমিকদের দৈহিক ও মানসিক নির্যাতনের জন্য সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নারী শ্রমিকদের পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে । মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নারী শ্রমিকদের ঘরের কাজের ভিসা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ! পরে তাদের শুধু ঘরের কাজই করানো হয় না । ঘরের পোলা হইতে শুরু করে বুড়া পর্যন্ত প্রতিদিন তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী নারী শ্রমিকদের জোর করে ধর্ষন করে ।
এমন অমানুষিক শারিরিক নির্যাতন সইতে না পেরে অনেকেই আত্যহত্যা করে ! অধিকাংশই পরিবারের কথা এবং বিদেশে আসতে যে অর্থ ব্যয় হয়েছে তার কথা চিন্তা করে প্রতিদিনের ধর্ষন ইচ্ছাকৃতভাবে সহ্য করে । আমি আর আপনি যতই অভাবী হইনা কেন জেনে শুনে কি আমারা কিংবা আমাদের মা-বোনদের এরকম অমানুষিক কাজে পাঠাব ? দেশের কর্তাব্যক্তিদের মা-বোনদেরও ওরা পাঠাবে না । তবে কেন গরীব,অভাবী,বেকার নরীদের বিদেশে পতিতা হিসাবে খাটানোর জন্য পাঠানো হচ্ছে ?
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং নৈতিকতা কোথায় ? বিদেশে নারী শ্রমিক পাঠানোর আগে শ্রমিকদের সুরক্ষার কথা ১০০ বার ভাবুন এবং আমরা সাধারনরা যদি সচেতন হই তবেই আমাদের মা-বোনরা এরকম জঘন্য চাকরী নিয়ে বিদেশ যাওয়া থেকে সচেতন হবে ।
বিঃদ্রঃ যারা লেখার রেফারেন্স খুঁজেন তারা একটু মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিক হিসাবে (নারী-পুরুষ) চাকরি করে এসেছে কিংবা আছে তাদের জিজ্ঞাস করলেই পাবেন ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



