>অই কাউয়া তোর গিএফ না প্রেমিকা ফোন দিছে! এত্ত লেট করলি কেন রে কাউয়া?
> তা চিল পাখি তুমি কই থেকে এত্তখনে উইড়া আসলা?
>সাবধান হইয়া যা কইলাম! ভাল করে কথা কো ! নইলে জাহান্নামী হয়ে যাবি কইলাম!
>কেন কেন কি করবি? হহাহা! তোরেও তাইলে জাহান্নামে নিয়া যামু!
> কি আবার কান ধরে উঠ- বস !হিহিহি তোরে ঠেইলা জাহান্নামে দিয়া আমি বেহেস্তী হুরের সাথে মাস্তি করুম!
>হাহহা ওকে আয়- প্রেমিক-প্রেমিকা খেলি? শুরু কর?
>আহহা! জান আমার ভাত খাইছো?
>না রে প্রিয়তমে! তুই আমাকে খাওয়াই দিস নাই তাই!
>আহারে! আমার কক কক মোরগটা! আসো তুমাকে খাওয়াই দেই...হাহা!
> হাহহা! এতদিন কোথায় ছিলেন? আমার প্রিয়ে বনলতা সেন!!!
>আহা! আহা! পুদিনা পাতা না না ধইনা পাতা পুঁটি মাছটা!
>তুই মেয়েটা না বহুত পাজী... হু হু!
>এতদিনে বুঝিলে বুঝি গাজী?
>ভালোবাসি ! ভালোবাসি ! বালিতে তোমার নাম লিখে দেবো......
>জলে ধুয়ে যাবে ইইইইইই
>হৃদয়ে তোমার নাম লিখে দেবো...
>বদনাম হয়ে যাবে......
>হয় যদি বদনাম... হোক আরো...আমি তো এখন আর নই কারো...
>অ্যাই অ্যাই কারো নই মানে কি রে... ?
>তুই না আসলেই একটা শয়তান্নী!
>ছেড়ে দে শয়তান্নন্নন্নন্নন্নন ...
>হহাহা চড়ুই পাখি তুই আমাকে এত ভালবাসিস কেন? কেন এত যন্ত্রনা দিস?
>> একদম অসহায়ের মত চুপ্টি হয়ে যায় মেয়েটা... কথা বলে না......
একরাশ হাহাকার ছুঁয়ে যায়... কষ্ট কষ্ট সুখের এক অদ্ভুদ অনুভবে ডুবে যায়...
তারপর নিজেকে সামলে নিয়ে বলে -
কাকতাড়ুয়া তুই-ই বা কেন এত যন্ত্রনা সহ্য করে আহ্লাদে গদ গদ হয়ে কথা বলিস...?মরে যাবো বলে? বল?
>কুলক্ষণে কথা বলবি না...!
>চোখ ভর্তি পানি নিয়ে আবার নীরবতা...
>ঔষধ খাচ্ছিস তুই ঠিক মত?
>না খাচ্ছি না! ফেলে দিচ্ছি আর কিছু জমিয়ে রাখছি তোকে খাওয়াবো বলে!
>>ছেলেটা বুঝতে পারছে মেয়েটা হাপুস-হুপুস করে কাঁদছে ...
>>মেয়েটা বুঝতে পারে ছেলেটার বুকের ভেতরে
এক অমানষিক হাহাকার আর কষ্টের স্রোত বয়ে চলেছে.....!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





