> কোন মেয়েকে পাত্র পক্ষ দেখতে আসবে বলে ঠিক হলেই পাত্রীর বাড়িতে উমধুমি পড়ে যায়, মেয়েকে কে পড়াবে আর না পড়াবে, আগেকার দিনে তো মেয়েকে মায়ের বিয়ের শাড়ি/ গয়না পড়িয়ে বউ সাজিয়ে দেখানো হত, এরপর পরিবর্তন হয় কিছু কিন্তু অই সং সাজানোর চল এখনো উঠে যায়নি! মেয়ের দামী ড্রেস পড়াও / মুখে চুনকাম/ প্লাস্টার করাও সব খুঁত ঢেকে দাও যেন পাত্র পক্ষ টের না পায়, মেয়েরে শান্ত/ শিষ্ট কইরা বসাও , মেয়ে পারুক আর না পারুক, পাত্রপক্ষ বলে দাও- মেয়ে সব পারে ! আহা! যেন বিয়ের পর পাত্র পক্ষরা একটা বুয়া পেয়ে যাবে... ম্যান, সেদিন বেশি দূরে নেই যেদিন পাত্র পক্ষরা মেয়ে দেখতে এসে বলবে- যাও তমার মুখের চুনাক্ম প্লাস্টার উঠিয়ে এসে বসো... যেভাবে তারা চুল খুলে দেখে, হাঁটতে পারে কি না ... দেখে... আরো কত কি... তা বলছি নীচে...
> আর পাত্র পক্ষরা এত চং করবেন না! বুঝলেন না তো চং কি-- আসুন বলছি-
চ- চুল খুলো... (এইতো সেদিন এই ডিজিটাল যুগেও আমার এক কাজিন কে দেখতে এসে, গোঁয়ার পাত্রপক্ষের পাত্রের ফুফু মেয়ের বাঁধা চুল খুলে দেখেছে!!)
ছ- ছাতা খুলো-- ছাতা খুলতে পারে কি না... কোনদিন এইটা কইবো?
জ- জুতা খুলে হাঁটো তো মা... তুমি ল্যাংরা না খোঁড়া দেখি!
ঝ- ঝাড়ু দাও তো-- আমাদের বাসায় বুয়া নাই, বিয়ের পর ঝাড়ু-ঝাটা তুমি দিবা...
ঞ- মিঞা বাড়ীর মেয়ে কি না...
ট- মেয়ের বাপের টাকা আছে কি না? কত টাকা দিবার পারবো...
ঠ- ঠান্ডা মাথার কি না...?
ড- ডাল রান্না করতে পারো তো?
ঢ- ঢাক বাজাতে পারো... এইতো এইভাবে চ-ং পর্যন্ত তাদের কাহিনী চলে, তাদের ঘরের মেয়ের সাথেও যে এমনটা হতে পারে সেটা ভুলে যায় আর যাদের মেয়ে নাই তাদের তো দেমাগে পা মাটিতে পড়ে না...
>> ম্যান মেয়েরা বোঝা না, তাই আপনার মেয়েকে সং সাজাবেন না শুধু বোঝা ঘাড় থেকে নামাবার জন্য, আর ম্যান আপনারা এত চং- বং করবেন না, ভুলে যাবেন না প্রত্যেকটা অন্যায়ের শাস্তি আপনাকে এই দুনিয়াতেই কোন না কোনভাবে পেয়ে যেতে হবে অইপারে...
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



