>আমি দিনাজপুর শহরের একদম মেইন এলাকা বালুবাড়িতে থাকি! এই শহরের সবচেয়ে বড় এলাকা বালুবাড়ী যা উত্তর বালুবাড়ী/ দক্ষিন বালুবাড়ি/ নিমনগর বালুবাড়ি নামে পরিচিত! আমি উত্তর বালুবাড়িতে থাকি! এখনো শহরে কোথাও বাচ্চা হলে হিজড়ারা কিভাবে টের পায় জানি না... কিন্তু তারা আসেই... বাড়ি বাড়ি! যদি বাচ্চা দেয়া নেয়া হয় তাহলে করবে চিল্লা চিল্লি! আর এলাকার কিছু বদমাশ মানুষ তো থাকেই যারা বাড়ী চিনিয়ে দেয় মজা লুটতে...!
>যাক আমার বোনের টুইন বেবি হয়েছে! আমরা ভয়ে ভয়ে ছিলাম না জানি কখন পাড়াতে হিজড়া আসে! এর মধ্যে একদিন এসে ঘুরে গেছে যখন আমার আম্মিরা (বোনের বাচ্চু) হাসপাতালে ছিলো! কিন্তু আজ ঠিক এসে হাজির!
>>যাক আমরা কোন ক্যাচালে না গিয়ে বললাম, দেখেন বাচ্চুরা অসুস্থ, ওদের একটু দোয়া করেন আর কিছু করিয়েন না! ওরা শুনলো! এবং বাচ্চা কোলে নিয়ে একটু হাল্কা নেচে গান, দোয়া করলো! পুরো পাড়ার মানুষ তখন আমাদের বাড়ীর বাউন্ডারীতে!এরপর ওদের চাহিদা মত টাকা দিয়ে বিদেই করা হলো!
## হিজড়া নাচানী! নাচের মধ্যে ছবি ভালোভাবে তোলা যায় না তবু যেটুকু পারা যায়!



## আমার আম্মিরা-- মারিয়া/ মালিহা!


>>এরপর ওদের কাছে শুনলাম ওদের কষ্টের কাহিনী! দিনাজপুরে বেশ বড় সড় এলাকা নিয়ে যা বাঙ্গিবাজার চর নামে পরিচিত সেখানে হিজড়াদের পুনর্বাসন কেন্দ্র করা হয়েছে! কিন্তু ভাতা দেয় যা তাতে ওদের একদিন ও যায় না! ঈদে না কি ৫০০০০/- টাকা অনুদান ছিলো! ওরা বলে- মানুষ ৬ হাজার ভাতা দেয় অল্প! এরপর ঠিক ঠাক মত স্থায়ী কোন ব্যাবস্থা নেই ... ! জীবন বাঁচাতে এভাবে বাড়ী বাড়ী না ঘুরে ওদের কন উপায় নেই! ওরা বলল- শহরের মানুষ তাও চাপে পড়ে কিছু দেয় কিন্তু গ্রামে গেলে তাড়া খেতে হয়!
>>> এদেশে শুধু নামে নামে বহুত কিছুই হয় কিন্তু সঠিক ব্যাবস্থাপনায় কোন কিছু হয় না... ! একদিন সময় করে পুরো হিজড়ে পল্লীর ছবি এন কাহিনী তুলে ধরবো!
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



