> সপ্তাহখানেক আগেই ইত্তেফাকে এসেছিলো এই সংবাদ! তার দুদিন পরেই আমরা খুলনা যাওয়ার জন্য সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী রাতের সীমান্ত ট্রেনে উঠি! এবং আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে লক্ষ করি ট্রেনে ওঠার পর থেকেই হকারে হকার আর ফকির! সারারাত এসব হকারেরা বিভিন্ন জিনিস ফেরি করে বেড়াচ্ছে এই বগি থেকে সেই বগি! এরপর ফকির! খুলনা থেকে আসার দিন সারাটা পথ হকার আর ফকিরের যন্ত্রনায় অস্থির! একজন যায় একজন আসে!

> কথা হচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেনে এত টাকা খরচ করে আমরা যাচ্ছি কি এসব হকার আর ফকিরদের যন্ত্রণা দেখতে? না কি আমরা যারা দূর দূরান্তে যাই তারা একটু স্বাচ্ছন্দে আরাম আয়েশ করে যেতে চাই? রাতে যারা যায় তাদের অনেককেই টেনশনে থাকতে হয় না জানি কখন লাগেজ চুরি হয়! এই ভয়ে অনেকে রাত জেগে যায়! আপনারা ভাড়ার টাকা গুনে নিচ্ছেন কিন্তু আমরা কি স্বাচ্ছন্দ কিংবা নিরাপত্তা গুনে নিতে পারছি?

>>এরপর যেটা দেখার বিষয়- সেটা হলো- এসব ট্রেন বিভিন্ন স্টপেজে মাত্র ৩/৪ মিনিট দাঁড়ায়! দুটো দরজার কোনটাই ওয়ান ওয়ে নয়! সেই দরজা দিয়েই মানুষ ঠেলাঠেলি করে নামছে উঠছে! কথা হচ্ছে-এত শর্ট টাইমে লাগেজ নিয়ে ওঠাটা যে কি কষ্টের এবং রিস্কের তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানেন! কারন দুটো দরজাতেই এক-ই সাথে মানুষ উঠছে নামছে! ট্রেন থামতে না থামতেই ছেড়ে দিচ্ছে! এভাবে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে যায়! আবার এই উত্তরাঞ্চলেই হিলির কাছাকাছি আসলে ট্রেন থামিয়ে ইন্ডিয়ান মালামাল ওঠানো- নামানো হয় আবার টিকিট বিহীন লোক ও ওঠানো হয়, পরে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে নেয় এটেন্ডেন্টস’রা... !
এরপর আছে হিজড়া......।। কি সুন্দর করে এসে টাকা নিয়েই ছাড়ে... নইলে...

>>>এত্ত এত্ত অনিয়মের মধ্যে দিয়ে চলছে আন্তঃনগর নামের ট্রেনগুলো... দেখার কেউ নেই... রেলমন্ত্রী আছেন তার ধান্দায় .........
আর আমরা... উপায় নেই তাই ওভাবেই যাত্রা করি............ !!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



