বিদ্যার্জনের প্রাথমিক দিনগুলো আমাদের সীমাহীন ঘাটতিসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থায় এবং গতানুগতিক ঐতিহ্যের ধারক অভিভাবকদের অসম্পূর্ণ প্রচেষ্টায় স্বভাবতঃই একটা শিশুর জন্য হয়ে থাকে কষ্টকর, বিরক্তিকর এবং পালিয়ে বাঁচার মত। কিন্তু একটা আনন্দ আমার জন্য অপেক্ষা করতো প্রতিটি বছরেরই শুরুতে। ফলাফল কি তা নিয়ে খুব একটা চাঞ্চল্যতা অনুভব করতাম না নিজের ভেতর, অথচ বছরের প্রথমে যখন একঝাঁক রঙিন আর নতুন বই হাতে পেতাম, তখন আনন্দে আনন্দে মনটা যেন প্রজাপতি হয়ে যেত। প্রথমেই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে নিতাম 'আমার বই'টি; আমার সবচেয়ে প্রিয় বই। তারপর খুঁজে খুঁজে মজার মজার ছড়া, কবিতাগুলো পড়ে শেষ করতাম, এরপর গল্পগুলো; প্রবন্ধগুলোকে একদমই দেখতে পারতাম না। ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই যেন প্রিয় 'আমার বই'টিকে মনে গেঁথে নিতাম। থ্রি'র 'আমার বই'য়ের একটি লাইন এখনো হাসায়- 'শিশিরে সুমনের পা ভিজে গেল'। বইটির ছবিগুলো থাকতো মনের মাধূরী মিশিয়ে রঙ করা।
এই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরেই প্রতিটি ক্লাসের বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন নামের বইটি আমাকে আনন্দে আন্দোলিত রাখতো সারাটি বছর। বাইরের বইকে ততদিনে খুব একটা কাছে টানিনি, তখন হয়তো সপ্তম শ্রেণীর একজন। মামাবাড়ীর দু'মামার একসাথেই বিয়ে হলো, অনেক উপহারের মধ্যে বেশ কিছু বইও এলো, নেড়ে চেড়ে দেখতে গিয়ে একটা বইয়ের মলাটে চোখ আটকে গেল। পুরো মলাটজুড়েই বড় সাইজের একটা লাল গোলাপ; বইটির নাম 'ফুটন্ত গোলাপ', নিলাম, পড়লাম, সেই আমার প্রথম উপন্যাস পড়া। গ্রামের পরিবেশ বলে পত্রপত্রিকাও খুব একটা জুটতো না, পাঠ্য বইয়ের বাইরেও তেমন ছুটোছুটি ঘটতো না। যে কথা মনে বাজে, সব কান কি তা শুনতে পায়? কেউ কেউ পায়, কেউ কেউ দেখে, খোঁজেও হয়তো কেউ কেউ। তেমনি একজন এলেন একদিন আমাদের ক্লাস নিতে। ইয়া বড় সাদা পাজামা-পাঞ্চাবী পরা, সাদা চুল, সাদা দাড়ি, সব মিলিয়ে যেন সফেদ জাজিরা থেকে আসা অপার্থিব কেউ, যদিও তিনি স্বল্পকাল পরেই আবার যুবক হয়ে উঠেছিলেন। নাম জানলাম সাইফুল ইসলাম, আমাদের স্যার। চলতে থাকলো দিন, আমিও ক্লাসের পর ক্লাস ডিঙ্গিয়ে এগুতে থাকলাম দশম শ্রেণীর ক্লাসরুমটার দিকে।
একদিন বন্ধু টিটু বললো ঃ স্যারের কাছে অনেক উপন্যাস আর কবিতার বই আছে, চল এনে পড়ি। শুনে খুব আনন্দ পেলাম, বুঝতে পারিনি যে, এ আনন্দ কোথায় লুকিয়ে ছিল এতদিন। স্যারকে বললাম যে, আমিও তার সংগ্রহের পাঠক হবো। তিনি প্রস্তাব করলেন ছুটির পর যদি তোমরা চাও তো আমি অপেক্ষা করবো, বিকেলটা আমরা সাহিত্য নিয়ে কথা বলবো, ভাববো। ছুটি হতো প্রতিদিন, চলে যেতেন সব শিক্ষক, সব ছাত্র এমনকি আমরাও, বসে থাকতেন মাঠ জুড়ে আমাদের সাইফুল ইসলাম স্যার, আমাদেরই অপেক্ষায়, আমরা বাড়ী গিয়ে খেয়ে আবার আসবো, তারপর আমাদের শুনাবেন সাহিত্য জগতের অনেক অজানা কথা, গড়ে তুলবেন আমাদের প্রতিটি মনকে এক একটি কবিমন। তার তানপুরাটির কথা আজো ভুলিনি, শিক্ষণীয় সেই বিকেলের কোন এক আড্ডায় জানলাম নজরুলকে, আমাদের কাজী, জানতাম তো শুধু শিশুকালের 'দুখু'কে, কিন্তু স্যারের কাছ থেকে যে জানা জানলাম তার বিনিময় শুধুই 'প্রিয়' শব্দটির যোগ; আমাদের প্রিয় নজরুল ইসলাম (আল্লাহ্ তাকে পরকালে সুখী করুন)। স্থানীয় বাজার চষে টাকা বাঁচিয়ে কেনা হয়ে গেল 'অগি্নবীণা', ধার করে বাজাতে শুরু করলাম 'বিষের বাঁশী', সেদিনের প্রিয় কণ্ঠটিকে 'দোলন চাঁপা' উপহার দিতে গিয়ে মননে-পরিবেশে যেন একটা বিশাল 'সিন্দু হিন্দোলি'ত হতে থাকলো।
স্যার প্রস্তাব করলেন সাহিত্য গোষ্ঠী গড়ে তুলবো, সায় দিলাম কিন্তু বুকে কম্পন জাগলো, কি যে করতে হবে, আর কিইবা করতে পারবো; এই ভেবে। দ্বিতীয়ার চাঁদ তখনো আকাশকে উজ্বল করেনি, জোনাকি আলোর সাথে আমরাও জ্বালালাম মোমের আলো, আজ আমাদের অন্তর আলোকিত করার দিন। স্যারসহ আমরা তিন কি চারজন বন্ধু। প্রথমেই নাম নির্বাচন, কিভাবে হবে? স্যারকে বললাম আপনি কিছু একটা দিন, জবাব দিলেন তোমাদেরও আছে সমঅধিকার। প্রত্যেকেই পছন্দের নাম লিখে কাগজে মুড়ে দিলাম, লটারিতে জিতলো স্যারের দেয়া নাম- 'শকুন্তলা', জন্ম নিল 'শকুন্তলা শিল্প ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী'। যেন উন্মুক্ত হলো সাহিত্য ভুবনের দ্বার, আমাদের কিশোর মনগুলো আজ প্রবেশ করলো চিন্তা-গবেষণার সেই বিশাল জগতে, যেখানেও রয়েছে জীবনের মত বন্ধুর পথ, রয়েছে আলোকিত পথ, রয়েছে সন্দেহ-সংশয়। প্রথম কবিতা লিখলাম আমাদের স্বাধীনতা নিয়ে, শীতের উদয়ী সূর্যটা তখনো মধ্যাকাশ গমন করেনি, স্যার বসে ছিলেন অফিসকক্ষের সামনেই একটা চেয়ারে, যেন রোদ পোহাচ্ছিলেন উম মাখা এই সকালে। পায়ে পায়ে কাছে গিয়ে বললাম ঃ স্যার কবিতা লিখেছি। বললেন ঃ শোনাও। পড়ছিলাম, আবৃত্তি করছিলাম, যখনি 'ভেবেছে বাঙ্গালী মরতে জানে, জানে না লড়তে রণ' লাইনদু'টোতে গেলাম, স্যার যেন দাঁড়িয়ে গেলেন আর বললেন ঃ সাব্বাস!!
আমাদের ক'জনের গড়ে তোলা শুকুন্তলার আমরা থাকা পর্যন্ত অবদান ছিল একটি সাধারণ কাব্য-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেটা ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। আর ছিল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় না হয়ে আসা ইনডোর অনুষ্ঠানগুলোকে আমরাই প্রথম চালু করি, যেখানে ছিল- কুরআন তিলাওয়াত, কবিতা আবৃত্তি, কৌতুক, গজল, গান ও রচনা প্রতিযোগিতার মত বিশাল উন্মুক্ত অংশগ্রহণ। প্রথম দিন, আমরা কেউই লজ্জায় কণ্ঠ ছাড়তে নারাজ, ঠিক তখনি সাইফুল ইসলাম স্যার উঠে দাঁড়ালেন আর গাইলেন- 'রসিক আমার, মন বান্ধিয়া পিঞ্জর বানাইছে... সোনার ময়না ঘরে থুইয়া, বাইরে তালা লাগাইছে...'। তারপরও আমাদের কণ্ঠ খুব একটু খুলছে না দেখে আবারো কণ্ঠ ছাড়লেন- 'ঙয ফবধৎ, রভ ও ধস ফবধফ ংধফ হড় ংড়হম ভড়ৎ সবৃ' এবার আর রুখে কে? ছাত্রছাত্রীরা ছাড়াও জমা হতে লাগলো আশপাশের বাড়ীঘর, বাজার থেকে উৎসাহী মানুষেরা। একসময় আমরা বিদায় নিলাম স্যারের যত্ন থেকে, তারপর আর জানা হলো না শকুন্তলাকে।
শহুরে দিনগুলো ছিল পড়াশোনা, আড্ডা আর নাট্যচর্চায় নিরন্তর, কিন্তু মনটা যে কাব্য-সাহিত্যের বীজে ভরে আছে, ক্ষণে ক্ষণে বেড়ে উঠে চারাগাছ, আমিও কলম আর হাতের কাছে যা পাই ছেঁড়া কাগজ, বই, সিগারেটের প্যাকেট (যদিও কখনো সিগারেট খাইনি) এসবে যেন অজান্তেই গেঁথে দিতাম দু'একটি লাইন, সহসাই ঘিরে ধরতো কৈশরের চঞ্চলতা, কে পায় আর, পড়ে থাকে টেবিল কভারের নিচে, বিছানার তলে, বইয়ের ভাঁজে, এলোমেলো কাগজখণ্ডের স্তুপে। সপ্তাহান্তে মা যখন এইসব ঝাড় দেন তো বেরিয়ে আসে আম্মুর বিরক্তিকর আর আমার মনের নির্যাসগুলো, কি আর করা চঞ্চল মন তখনো চঞ্চল সিদ্ধান্তই নেয়, ফেলে দাও মা। গোছানো হয়নি জীবনের দেনা-পাওনা এখনো, আজো লিখি আর হারাই, হারাই আবারো লিখি, নিজের জন্যই লিখি হয়তো, আর তাই নিজের প্রতি নিদারুন অবহেলার মত করে হৃদয়ের নির্যাসগুলোকেও হত্যা করতে বাধে না এখনো। কি জানি, কোনদিন বাধবে কি না? নাকট-সিনেমার জগতে আনাগোনা ছিল বটে, রিহার্সাল থেকে ফাইনাল, ফিল্মের ছোটখাট প্রস্তাবনা থেকে 'মূল চরিত্র না পেলে যাবো না, তো আরেকটি বড় হয়ে নাও' ইত্যাদি ইত্যাদি কতই না বয়ে গেল, কিন্তু সেখানে ছিল না সাহিত্য, ছিল না কবিতা, অন্যের ভাবটাকেই শুধু আওড়ানোর মত তোতা হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হতো।
যদিও সেসব দিনেও বিভিন্ন সাময়িকী, স্মরণিকাতে পাঠাতাম কবিতা, ছাপতে দেখলে আনন্দিত হতাম আর আগ্রহ পেতাম, কিন্তু ঐ পর্যন্তই। গদ্যমনও যে লুকানো আছে আমাতে, একথা প্রথম টের পাই ট্রেনের বন্ধু বি. বাড়িয়ার মানযুরকে লেখা একটি চিঠির পর তার সতীর্থ বন্ধু মহল থেকে আমার প্রশংসা শুনে, সেটা ছিল দেশ ছাড়ার ক'দিন আগে। তারপর যোগ হলো স্বদেশের বিরহ, স্বজনের বিয়োগ-কষ্ট, সাথে প্রবাসের কঠিন জীবন, সবকিছুই যেন এখানে হয়ে আছে কাব্য, হয়ে আছে সাহিত্য। ব্যাথার চিঠিগুলো যখন লিখতাম, স্বজনেরা বলতো, কি লিখ বাবা, বুঝিনা, আরো সহজ করে লিখ, কিন্তু কষ্টগুলোকে যে আমি আর সহজ করতে পারি না, সে কথা কি করে বুঝাই তাদের? প্রযুক্তি আমায় মুক্তি দিল হৃদয় ছিঁড়ে ছিঁড়ে কাগজের বুকে স্থান দেয়া থেকে, আজকাল ফোনেই হাই-হ্যালো, ভাল আছি-ভাল থেকুন পর্যন্তই সব শেষ। প্রবাসী জীবনের কবিতা, ব্লগবন্ধুদের দেয়া নাম-'মরুর শুকনো কবিতা'গুলোকে অনেকের কাছেই পেশ করতাম, খুব যে বাহ্বা পেতে তেমনটি নয়, চাইতাম সাহিত্যের জগতে তারাও আসুক, আমার আনন্দ যে এখানেই, প্রশান্তি যে এই প্রকাশেই খুঁজে পাই।
উমলেজে চেষ্টিত হয়েছিলাম সাহিত্য সাধনায়, জাকির ভাইকে সাথী পেয়েও উমলেজ ছাড়তে হলো, ইয়ানবোতে প্রায় একাই লড়াই করে বের করি হাতে লেখা সাময়িকী, যদিও প্রবল সমালোচনার শিকার হয়েছিলাম প্রকাশের পরেও। মদীনায় রাতদিন খুঁজে খুঁজে জোগাড় করি একদল আগ্রহী, ওরাও যেন শুনা পর্যন্তই, বিচারের বোধ, সৃষ্টির সাহস কিছুই পেলাম না। যা নিয়ে শুরু করতাম, শেষ হতো ভিন্ন কোন তর্ক দিয়ে, মনোকষ্ট নিয়ে থিতিয়ে গেলাম। অনেকেই বিয়ে-সাদী করে জীবন্তই সাহিত্য হয়ে যান, পড়ে থাকি শুধু আমিই একাকী। দু দু'বার প্রচেষ্টা করেও পারিনি কোন প্রকাশনা বের করতে, ব্যাথাগুলো একদিন মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশী ছাত্রদের মধ্যে প্রথম গবেষক ডঃ মানযুর-ই-ইলাহী ভাইকে (বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক) জানালে সান্ত্বনা দিলেন এই বলে ঃ 'ফজলে এলাহি ভাই, কাব্য-সাহিত্যের জগতে যাদের বিচরণ, তারা একাই চলে এ পথে, আমার অভিজ্ঞতা অন্ততঃ তাই বলে।' যখনি বুকের ব্যাথাগুলো বেড়ে উঠে, আমি যেন সান্ত্বনা পাই তার কথাগুলো থেকে।
শতকের এই লেখায় বিশেষ ধন্যবাদ জানাই ব্লগপরিবারের উদ্যোক্তা, নির্মাতা ও প্রকৌশলীদের। যখনি যা কিছুই লিখি, যিনি প্রথম প্রেরণা দাতা, সেই সাইফুল ইসলাম স্যার যেন আমাকে আজো উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন, যেন বলছেন অলখে ঃ 'সাব্বাস্'! আমি স্যারের দুনিয়া ও আখেরাতের সামগ্রিক কল্যাণ কামনা করি সর্বদা। ব্লগে কারো মন্তব্য আমি আশা করিনি শুরুতে, ভেবেছিলাম এমন কিছু লিখবো যেন কেউ মন্তব্য না লিখে, কিন্তু এমনটা অসম্ভব, তাই সুর মেলালাম সবার সাথেই। কখনো কখনো তো 'প্রতিভায় রাঁধা কচুশাক' দেখে খুব কষ্ট হয়, আফসোস হয়, নোংরা কথাগুলো দেখে দেখে ক্লান্ত হতাম আর সত্যোপলব্ধির মানসিকতা ছেড়ে তোতার বুলির মত শেখানো চেতনার ফেনায়িত বাষ্পে বাষ্পে যখন নূয়ে পড়তে পড়তে আমি প্রায় শুয়ে পড়তাম, ভাবতাম আর লিখবো না, তখনি কোন কোন মন্তব্য যেন আমায় হাত ধরে বসিয়ে দেয়, আমার ক্লান্ত দু'হাতকে সচল করে নিয়ে যায় কীবোর্ড পর্যন্ত, আমাকে দিয়ে লিখিয়ে ছাড়ে আরেকটি নতুন 'সুন্দর'। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই তাদেরে। যারা রক্তাক্ত করতে ভালোবাসে, তাদের জন্য আমার শুভকামনা, হয়তো তারা ছিল বলেই প্রেরণার মন্তব্যগুলো আমাকে জাগিয়ে দিতে পেরেছে।
=শতকের এই পোষ্টখানা উৎসর্গ করলাম আমার প্রথম প্রেরণার উৎস- শ্রদ্ধেয় সাইফুল ইসলাম স্যারকে।
ছবি ঃ শালবন-বিহারে আমাদের পিকনিক থেকে তোলা। সাইফুল ইসলাম স্যার, আমি ও বন্ধু গোলাম হোসেন।
=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*
=*=*=*=*=*=*=*=*=*=*==*
প্রিয় হওয়ার কারণ জনে জনে বিভিন্ন এবং অপ্রকাশিত। একেবারেই যে অপ্রকাশ, তা কিন্তু নয়; বরং ক্ষণে ক্ষণে, কর্মে-কথায় তার প্রকাশ ঘটেই। সব মিলিয়ে প্রিয় হাতগুলোকে ধরে রাখতে চাই আপন হাতের সাথে এবং এখানে--
*-avbwmuwo
*-[link|http://www.somewhereinblog.net/AstoMeyeblog/|Av
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



